/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/01/raghav-chadha-first-meeting-2025-12-01-17-19-39.jpg)
Raghav Chadha First Meeting: রাঘব চাড্ডার প্রথম সাক্ষাৎ।
Raghav Chadha First Meeting: রাঘব চাড্ডা সম্প্রতি তাঁর দিল্লির বাড়িতে এক নিরিবিলি সকালে নর্থ–সাউথ ইন্ডিয়ান মেশানো খাবারে ব্রেকফাস্ট সারছিলেন। তারই মধ্যে শেয়ার করলেন তাঁর জীবনের সেরা স্মৃতি। সেটা হল— পরিণীতি চোপড়ার বাবা-মায়ের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা।
চায়ের আড্ডা থেকে চার ঘণ্টার হৃদ্যতা
কথা ছিল মাত্র ৩০–৪০ মিনিটের একটি চায়ের আড্ডা হবে। সেটিই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় চার ঘণ্টার গভীর, আন্তরিক এবং পরিবারিক আলোচনায়। শ্বশুরবাড়িতে প্রথম যাওয়া, প্রথম সাক্ষাতের সেই নার্ভাসনেস, ভারতীয় পরিবারের আবেগ, আর দুই জগতের এক হওয়ার নিখাদ অনুভূতি সবই চার ঘণ্টায় ক্রমশ অনুভব করেছিলেন রাঘব চাড্ডা।
আরও পড়ুন- শীত পড়তেই বাড়ছে ত্বকের সমস্যা, ঘরে থাকা ১ উপাদানেই মিলবে গ্লাস-স্কিন জেল্লা
তিনি জানিয়েছেন, সেদিন চণ্ডীগড়ে কাজের ফাঁকে গাড়ি নিয়ে সরাসরি চলে গিয়েছিলেন অম্বালায়, পরিণীতির বাবা-মা রীনা ও পবন চোপড়ার বাড়িতে। রাঘবের দাবি, এই সাক্ষাতের সময় তিনি সংসদে নিজের প্রথম বক্তৃতার থেকেও বেশি নার্ভাস ছিলেন। কারণ এটি তাঁর কাছে শুধু একটা সামাজিক সাক্ষাৎ নয়, ছিল দুই পরিবারের মধ্যে এক আবেগময় সংযোগ। ভারতীয় সম্পর্কের যে গভীরতা, তাকে ঠিক এমনই মুহূর্তে অনুভব করা যায়। আর, সেটাই অনুভব করেছিলেন আপ সাংসদ।
আরও পড়ুন- প্রতিদিন দেওয়ালে পা তুলে ঘুমোন, পান বিরাট উপকারিতা, ১০ মিনিটেই শরীর-মন হবে তরতাজা
কথা ছিল ৪০ মিনিটের একটা কথাবার্তা হবে। সেটাই সকাল থেকে প্রায় চার ঘণ্টায় গড়ায়—চা দিয়ে শুরু হয়ে গল্প, হাসি, স্মৃতি, একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া মিলিয়ে তৈরি হয় এক উষ্ণ পরিবেশে। রাঘব বলেন, ‘বসে রইলাম, গল্প করলাম, চা খেলাম, তারপর লাঞ্চও হয়ে গেল… খুব ভালো লেগেছিল। ওঁনারা আমাকে এত ভালোবাসলেন যে সময় কখন কেটে গেল টেরই পাইনি।’
আরও পড়ুন- আজ ১লা ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবস, নতুন করে সচেতনতার শপথ গ্রহণের দিন
মনোবিদ ও লাইফ কোচ ডেলনা রাজেশ এই অভিজ্ঞতার পিছনে মনস্তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন, প্রথমবার যখন দুই পরিবার মুখোমুখি হয়, সবাই এক অদৃশ্য আবেগ খুঁজে পেয়েছিল। নিজেদের নিরাপদ মনে করেছিল। চার ঘণ্টা ধরে চলা স্বতঃস্ফূর্ত এই আলাপ দেখায় যে দুই পক্ষেরই স্নায়ুতন্ত্র শান্ত ছিল, কেউ কাউকে বিচার করতে যায়নি, কেউ পারফর্ম করতে বাধ্য হচ্ছে, এমন মনে করেনি। এই রকম আবহেই সম্পর্ক তৈরি হয়। এমন আবহেই উপস্থিতি, উষ্ণতা এবং স্বীকৃতি এমনভাবে মিশে যায় যে সময় থেমে যায়।
আরও পড়ুন- ভারতের এই ৬টি অদ্ভুত বেগুনি পাখি, যাদের একবার দেখলে চোখ ফেরানো যায় না!
ভারতীয় পরিবারে সম্পর্কের সৌন্দর্য এখানেই—এখানে সম্পর্ক কেবল দু’জন মানুষের নয়, দু’টি সংস্কৃতি, দুটি মূল্যবোধ, দুটি আবেগপূর্ণ ইতিহাসের মেলবন্ধন। রাঘবের নার্ভাসনেস ধীরে ধীরে গলে গিয়ে সেই আলাপচারিতাকে উষ্ণ ও স্বস্তিদায়ক করে তুলেছিল। স্বাস্থ্যকর পারিবারিক পরিবেশ (healthy family dynamics) যাকে বলে, তেমনটাই অনুভব করেছিলেন আপ সাংসদ। যাকে বলে কাউকে মেনে নেওয়া। এই মেনে নেওয়াতেই রাঘব শান্ত আর উদ্বেগহীন হয়ে উঠেছিলেন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us