/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/19/stroke-2026-02-19-17-36-29.jpg)
Strokes in young adults: প্রতীকী ছবি।
early signs of stroke in adults: স্ট্রোক মানেই কেবল বৃদ্ধ বয়সের রোগ, এই ধারণা এখন অতীত। চিকিৎসকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ৫০ বছরের কম বয়সী যুবক-যুবতীদের মধ্যে স্ট্রোকের হার ক্রমাগত বাড়ছে। আধুনিক জীবনযাত্রার অনিয়ম এবং খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনই এই মরণব্যাধির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তরুণদের মধ্যে স্ট্রোক বাড়ার প্রধান কারণসমূহ:
চিকিৎসকদের মতে, তরুণ প্রজন্মের জীবনযাত্রায় আসা বেশ কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন এই বিপদের মূলে রয়েছে।
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা ও স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) এবং ডায়াবেটিস এখন তরুণদের মধ্যে অতি সাধারণ সমস্যা। তথ্য বলছে, ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশই উচ্চ রক্তচাপের শিকার, যা স্ট্রোকের প্রধান কারণ।
ভুল খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক অলসতা: ফাস্ট ফুড এবং প্রসেসড খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক এবং কায়িক পরিশ্রম বা ব্যায়ামের অভাব হার্টের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে।
নেশাদ্রব্য ও ধূমপান: ধূমপানের পাশাপাশি অতিরিক্ত মদ্যপান এবং কোকেন বা মেথামফেটামিনের মতো মাদকদ্রব্যের ব্যবহার রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা: পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনের তীব্র মানসিক চাপ, উদ্বেগ (Anxiety) এবং বিষণ্ণতা পরোক্ষভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
গর্ভাবস্থা ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা: অল্প বয়সে অন্তঃসত্ত্বা হওয়া বা প্রসব-পরবর্তী বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা এবং জন্মগত হার্টের ত্রুটিও মহিলাদের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।
উন্নত রোগ নির্ণয় পদ্ধতি: বর্তমানে এমআরআই (MRI)-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে এখন অনেক ক্ষুদ্র স্ট্রোকও ধরা পড়ছে, যা আগে হয়তো অজানাই থেকে যেত।
প্রতিকারের পথ: কী ভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, সামান্য কিছু সচেতনতা এই মরণঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে:
আরও পড়ুন-এই মুসলিম দেশেই রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম শিব মন্দির, মহাশিবরাত্রিতে মহাকালের মহিমা জানলে চমকে যাবেন
১. সুষম আহার: খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন এবং অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন।
২. নিয়মিত ব্যায়াম: শরীর সচল রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা শরীরচর্চা করুন।
৩. মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন: স্ট্রেস কমাতে যোগব্যায়াম বা ধ্যানের সাহায্য নিন। পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
৪. বর্জন করুন নেশা: ধূমপান এবং মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন।
৫. নিয়মিত চেক-আপ: রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা জানতে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আরও পড়ুন-Anti-Dandruff Shampoo for Acne: ব্রণ দূর করতে খুশকির শ্যাম্পু দিয়ে মুখ ধোওয়া কি সত্যিই নিরাপদ?
চিকিৎসকদের সতর্কবার্তা:
শরীরের যেকোনো একপাশ অবশ হওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা তীব্র মাথাব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দিলে মুহূর্ত দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us