/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/19/pics-2025-11-19-14-12-57.jpg)
wife mother conflict: ছবিটি AI প্রযুক্তির ব্যাবহারে নির্মিত।
relationship management tips: বাঙালি পারিবারিক জীবনে স্ত্রী ও মায়ের সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন নতুন কিছু নয়। প্রজন্মের ভাবনার পার্থক্য, অভ্যাসের অমিল, বা মানসিক সংবেদনশীলতার ভিন্নতা থেকেও বহু সময়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। এই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে সবচেয়ে চাপে পড়েন পরিবারের ছেলে বা স্বামী। পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে তাকে বুঝতে হয়, দু’জনেরই আবেগ, প্রত্যাশা ও দাবি। তাই ভারসাম্য বজায় রাখাই হল মূল চাবিকাঠি।
শান্ত থাকা
প্রথমেই জরুরি শান্ত থাকা। উত্তেজিত পরিস্থিতিতে আবেগ দিয়ে নয়, যুক্তি ও সংযম দিয়ে পরিস্থিতি সামলাতে হবে। ঝগড়ার মুহূর্তে এক পক্ষের পক্ষে সাফাই গাওয়া বা অন্য পক্ষকে দোষারোপ করলে সমস্যা আরও বাড়বে।
দু’জনের কথাই মন দিয়ে শোনা
দ্বিতীয়ত, দু’জনের কথাই মন দিয়ে শোনা প্রয়োজন। মা ও স্ত্রী দু’জনই ছেলেকে ভরসার জায়গা হিসেবে দেখেন। তাই তাদের অভিযোগ বা কষ্ট মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাদের আবেগকে সম্মান করা এবং বিচার-বিশ্লেষণ করে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করা অত্যন্ত জরুরি।
দু’জনকে বসিয়ে কথা বলানো
তৃতীয়ত, ছেলে যদি মনে করেন ভুল-বোঝাবুঝি বা যোগাযোগের অভাব থেকে সমস্যা বাড়ছে, তবে শান্ত পরিবেশে দু’জনকে বসিয়ে কথা বলানো কার্যকরী পদ্ধতি। মাঝেমধ্যেই ‘কারো প্রতি পক্ষপাত নেই’, এই কথা স্পষ্ট করা উচিত।
নিজের দায়িত্ববোধ ও অগ্রাধিকার
চতুর্থত, ছেলের উচিত নিজের দায়িত্ববোধ ও অগ্রাধিকার ঠিক করা। বিয়ের পর স্ত্রী নতুন পরিবেশে আসে, আর মা নিজের ছেলেকে ভাগ করে নেওয়ার কষ্ট অনুভব করতে পারেন, এই বাস্তবতাকে বুঝে সহমর্মী হতে হবে।
সময় দেওয়া
সবশেষে, দরকার সময় দেওয়া। মা ও স্ত্রী দু’জনের সঙ্গেই সমানভাবে সময় কাটানো, আদর-সম্মান দেওয়া এবং ছোটখাটো বিষয় বড় না করতে দেওয়াই সমস্যার সমাধানে বড় ভূমিকা রাখে। মানসিক পরিপক্বতা, ধৈর্য এবং যোগাযোগ, এই তিন গুণ থাকলে স্ত্রী–মায়ের দ্বন্দ্ব সামলানো কখনওই অসম্ভব নয়।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us