/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/28/hyperventilation-from-tension-2025-11-28-23-35-02.jpg)
Hyperventilation: হাইপার ভেন্টিলেশন।
Hyperventilation from Tension: প্রতিদিন অনেক সময়ই আমরা আশপাশের অনেককে হাঁফিয়ে উঠতে দেখি। আমরা যাঁরা সাধারণ মানুষ, তাঁদের কাছে হাঁফিয়ে যাওয়া মানেই শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা বলে মনে হয়। কিন্তু, সব হাঁফানোর কারণ কি শ্বাসযন্ত্র? চিকিৎসকরা কিন্তু তা মানতে নারাজ। এই ব্যাপারটা খোলসা করেছেন প্রবীণ চিকিৎসক ডা. কল্লোল দে।
আসলে, টেনশন বা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ শরীর ও মনের উপর বহু ধরনের প্রভাব ফেলে। এই চাপ যদি বারবার বা দীর্ঘ সময় ধরে থাকে, তাহলে সেটা শুধু মানসিক নয়, শারীরিক স্বাস্থ্যেও গুরুতর সমস্যা তৈরি করতে পারে। টেনশন চলতে থাকলে প্রথমেই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। অনেকেরই রাতে ঘুম আসে না, অল্পতেই ঘুম ভেঙে যায়, আবার কারও অতিরিক্ত ঘুম পায়। টেনশন মাথা ভার হয়ে থাকা, ঘন ঘন মাথাব্যথা এবং মাইগ্রেনের মতো সমস্যার জন্ম দেয়।
আরও পড়ুন- প্রত্যেক মানুষের শরীরেই রয়েছে অসংখ্য হাড়, জানেন কী নাম সেগুলোর?
স্ট্রেস হরমোনের বাড়বাড়ন্ত
শরীরের স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল বেড়ে গেলে হজমে গোলমাল দেখা দেয়, অ্যাসিডিটি, গ্যাস, বুকজ্বালা বা পেটব্যথা হতে পারে। টেনশন থাকলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, রক্তচাপ বাড়ে, ফলে দীর্ঘমেয়াদে হার্টের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। অনেকের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড়, বা হঠাৎ মাথা ঘোরা—এই ধরনের উপসর্গও দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে এটি ডিপ্রেশন পর্যন্ত তৈরি করতে পারে। তাই টেনশনকে দূর করা জরুরি।
আরও পড়ুন- পায়ের গোড়ালি ফাটা থেকে চিরতরে মুক্তি চান? শীতে মেনে চলুন এই ৫টি সহজ টিপস
বিশিষ্ট এই চিকিৎসক মজা করে বলেছেন, 'বড় বড় ডাক্তারবাবুরা বড় বড় টেস্ট করেন। নানা জটিল, দুরূহ চিকিৎসা করেন। আর আমি পাতি নিউরোলজিস্ট। মাঝে মাঝে কাগজের ঠোঙা দিয়ে চিকিৎসা করি। আপনারা দেখবেন, কোনও কোনও পেশেন্ট হঠাৎ করে হাঁফাতে শুরু করেন। একে বলে হাইপার ভেন্টিলেশন। এই পেশেন্টের যদি ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ, ফুসফুসের অসুখ না থাকে, তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই এটা হতে পারে মনের টেনশন থেকে। পেশেন্ট যখন এরকম করতে থাকেন, তখন কার্বন ডাই অক্সাইড কমে যায়। রেসপিরেটরি অ্যালকালসিস হয়। ব্রেনে রক্ত চলাচল কমে যায়। কারণ, ব্লাড ভেসেল (রক্তবাহী শিরা) সংকুচিত হয়। ফলে পেশেন্ট অনেক সময় অজ্ঞানও হয়ে যান।'
আরও পড়ুন- দেখুন তো এই কারণেই আপনার চুল ঝরছে কি না? হলে দ্রুত বন্ধ করুন!
ডা. কল্লোল দে বলেন, 'এর চিকিৎসা হচ্ছে ব্রিদিং ইন টু অ্যা পেপারব্যাগ। এক্ষেত্রে পেশেন্টকে কাগজের ঠোঙার ভিতরে শ্বাস নিতে হবে। এতে কার্বন ডাই অক্সাইড বেড়ে যাবে। আর, ব্রেনের ওপর আঘাত আসাটাও বন্ধ হয়ে যাবে।'
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us