/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/uric-acid-level-7-2025-12-22-00-04-58.jpg)
Uric Acid Level: এভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/uric-acid-level-6-2025-12-22-00-05-17.jpg)
হাইপারইউরিসেমিয়া
Uric Acid Level: ইউরিক অ্যাসিড আমাদের শরীরের একটি স্বাভাবিক বর্জ্য পদার্থ, যা মূলত পিউরিন নামক উপাদান ভাঙার জেরে তৈরি হয়। সাধারণ অবস্থায় কিডনি এই ইউরিক অ্যাসিডকে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের করে দেয়। কিন্তু যখন কোনও কারণে এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় অথবা শরীরে ইউরিক অ্যাসিড অতিরিক্ত তৈরি হতে থাকে, তখন রক্তে এর মাত্রা বেড়ে যায়। এই অবস্থাকেই চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হাইপারইউরিসেমিয়া বলা হয়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/uric-acid-level-5-2025-12-22-00-05-40.jpg)
খাদ্যাভ্যাসে ইউরিক অ্যাসিড
মায়ো ক্লিনিকের মতে, খাদ্যাভ্যাসে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে উচ্চ ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ ও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন বাড়িয়ে তোলে। ফ্রুক্টোজ বিপাকের সময় শরীরে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়, যা ধীরে রক্তে জমা হতে থাকে। নিয়মিত সফট ড্রিঙ্কস বা মিষ্টি পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ঝুঁকি আরও বাড়ে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/uric-acid-level-4-2025-12-22-00-06-11.jpg)
দীর্ঘমেয়াদি রোগ
শুধু খাবার নয়, কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগও ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধির জন্য দায়ী হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, মেটাবলিক সিনড্রোমের মতো সমস্যাগুলি কিডনির স্বাভাবিক কার্যকারিতায় বাধা সৃষ্টি করে। এছাড়াও কিছু ওষুধ, যেমন ডায়ুরেটিক বা মূত্রবর্ধক ওষুধ, ইউরিক অ্যাসিড শরীর থেকে বেরোনোর পথে বাধা দেয়। ফলে রক্তে এর মাত্রা বাড়তে থাকে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/uric-acid-level-3-2025-12-22-00-07-00.jpg)
বংশগত কারণ
অনেক ক্ষেত্রে বংশগত কারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি পরিবারের কারও গেঁটে বাত বা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকে, তাহলে আপনার মধ্যেও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। এমনকী জীবনযাপন তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর হলেও জেনেটিক ঝুঁকি একেবারে এড়ানো যায় না।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/uric-acid-level-2-2025-12-22-00-07-29.jpg)
কিডনির কার্যকারিতা
কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়া বা দীর্ঘদিন পানিশূন্য থাকা ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার আরেকটি বড় কারণ। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে রক্ত থেকে ইউরিক অ্যাসিড ফিল্টার হতে পারে না। আবার পর্যাপ্ত পানি না খেলে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়, যার ফলে ইউরিক অ্যাসিড জমে থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই কারণেই চিকিৎসকেরা প্রতিদিন পর্যাপ্ত জলপানের উপর জোর দেন। খাদ্যতালিকায় পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন লাল মাংস, অর্গান মিট, কিছু সামুদ্রিক মাছ ও শেলফিশ নিয়মিত থাকলে ইউরিক অ্যাসিড দ্রুত বাড়তে পারে। এর সঙ্গে যদি অ্যালকোহল, বিশেষ করে বিয়ার বা স্পিরিট গ্রহণ করা হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। অ্যালকোহল কিডনির ইউরিক অ্যাসিড বের করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/uric-acid-level-1-2025-12-22-00-07-54.jpg)
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা
অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতাও ইউরিক অ্যাসিড বৃদ্ধির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ওজন বেশি হলে শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং ইউরিক অ্যাসিড উৎপাদন বেড়ে যায়। একই সঙ্গে কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, ফলে ইউরিক অ্যাসিড নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়। সব মিলিয়ে বলা যায়, ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়া হঠাৎ ঘটে না। খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন, বংশগতি ও শারীরিক অবস্থার সম্মিলিত প্রভাবেই এই সমস্যা তৈরি হয়। সময়মতো কারণগুলি চিহ্নিত করতে পারলে এবং জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনলে ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us