/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/23/watch-vastu-tips-2025-11-23-13-35-22.jpg)
ঘড়ির দিকের পাশাপাশি আকৃতি, রং ও উচ্চতা সম্পর্কেও বাস্তুশাস্ত্রে নির্দেশ রয়েছে
হিন্দু ধর্মে বিভিন্ন শাস্ত্রের মধ্যে বাস্তুশাস্ত্র দৈনন্দিন জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ, যেটি বাসস্থান ও পরিবেশে ইতিবাচক শক্তি ও সামঞ্জস্য বজায় রাখার নির্দেশ দেয়। বাস্তুশাস্ত্র মতে, বাড়ির প্রতিটি বিন্যাস—ফার্নিচার থেকে শুরু করে দৈনন্দিন ব্যবহারের ছোট জিনিস—জীবনে প্রভাব ফেলে। এরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল দেওয়াল ঘড়ি, যা শুধু সময় জানার মাধ্যম নয়, বাড়ির শক্তির প্রবাহেও প্রভাব ফেলে। তাই ঘড়ি কোন দিকে স্থাপন করা উচিত, সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করেছে বাস্তুশাস্ত্র।
আরও পড়ুন- বিয়ের কার্ড ছাপার সময় এই ভুলগুলি কোনভাবেই করবেন না, ছারখার হবে বিবাহিত জীবন
শাস্ত্র অনুসারে, বাড়ি বা কর্মস্থলে ঘড়ি স্থাপনের জন্য সবচেয়ে শুভ দিক হল পূর্ব। সূর্যোদয়ের দিক হিসেবে পূর্বকে নতুন শক্তি, অগ্রগতি ও সুযোগের প্রতীক ধরা হয়। সেই কারণে পূর্ব দিকে ঘড়ি রাখলে জীবনে নতুন সূচনার সম্ভাবনা বাড়ে, ক্যারিয়ারে উন্নতির সুযোগ মিলতে পারে এবং শিশুদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই দিকটি অত্যন্ত উপযোগী।
অন্যদিকে উত্তর দিক, যা কুবেরের দিক হিসেবে পরিচিত, ধনসম্পদ ও সমৃদ্ধির প্রতীক। বাস্তুশাস্ত্র বলছে, উত্তর দিকে ঘড়ি স্থাপন করলে আর্থিক স্থিতিশীলতা ও আয়ের নতুন পথ উন্মুক্ত হয়। ব্যবসায়ীদের জন্য এটি বিশেষভাবে শুভ মনে করা হয়, কারণ এটি মনোযোগ বৃদ্ধি করে ও সময়ের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। উত্তর মুখী ঘড়ি পারিবারিক সম্পর্কেও ইতিবাচকতা আনে।
আরও পড়ুন- বাড়ির এই দিকে পূর্বপুরুষদের ছবি রাখবেন না, জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠবে
তবে দক্ষিণ এবং পশ্চিম দিককে ঘড়ি স্থাপনের জন্য অশুভ বলা হয়েছে। দক্ষিণ দিক 'যমে'র দিক হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় এতে বাড়ির ইতিবাচক শক্তি কমে যেতে পারে। অন্যদিকে পশ্চিম দিকে ঘড়ি রাখলে কাজে বিলম্ব, অগ্রগতিতে বাধা আসতে পারে বলে বিশ্বাস। যদি কোনও কারণে এই দিকে ঘড়ি রাখতে বাধ্য হতে হয়, তবে তা কখনই বন্ধ থাকা উচিত নয়। বন্ধ ঘড়িকে বাধা, নেতিবাচকতার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
ঘড়ির দিকের পাশাপাশি আকৃতি, রং ও উচ্চতা সম্পর্কেও বাস্তুশাস্ত্রে নির্দেশ রয়েছে। গোলাকার বা বর্গাকার ঘড়িকে শুভ ধরা হয়। ঘড়ি এমন জায়গায় টাঙাতে বলা হয় যাতে পরিবারের সবাই সহজে সময় দেখতে পারেন। ভাঙা বা বন্ধ ঘড়ি কখনোই রাখা উচিত নয় বাড়িতে। নিয়মিত ঘড়ি পরিষ্কার রাখলে ঘরে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বজায় থাকে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us