/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/02/money-plant-2025-12-02-10-03-24.jpg)
Money Plant: মানি প্ল্যান্টে বেঁধে দিন এই জিনিসগুলো।
Vastu Tips: বাস্তুশাস্ত্রে মানি প্ল্যান্টকে অত্যন্ত শুভ এবং সমৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়। প্রাচীন শাস্ত্র, লোকবিশ্বাস এবং জ্যোতিষশাস্ত্র—সব জায়গাতেই মানি প্ল্যান্টের বিশেষ গুরুত্ব উল্লেখ করা হয়েছে। ঘরে বা অফিসে এই গাছ রাখা হলে নেগেটিভ শক্তি দূর হয়ে পজিটিভ শক্তির প্রবাহ বাড়ে বলে বিশ্বাস করা হয়। বিশেষ করে অর্থনৈতিক স্থিতি, মানসিক প্রশান্তি এবং সৌভাগ্যের ক্ষেত্রে মানি প্ল্যান্টের উপস্থিতি শুভ ফল আনে। একই সঙ্গে বলা হয়, মানি প্ল্যান্টে কিছু বিশেষ সামগ্রী বাঁধলে বা পুঁতে রাখলে এর শুভ শক্তি অনেক গুণ বৃদ্ধি পায়। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী দেবী লক্ষ্মীর কৃপা অর্জনের জন্য এটি একটি সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর উপায়।
কী বাঁধবেন?
প্রাচীনকাল থেকেই কড়ি বা শঙ্খজাতীয় বস্তু দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কড়ির আকার ও রং এমন যে এটি সমুদ্রের সমৃদ্ধিকে প্রতিনিধিত্ব করে। বাস্তু মতে, মানি প্ল্যান্টে যদি একটি কড়ি লাল কাপড়ে মুড়ে লাল সুতোয় বেঁধে রাখা হয়, তবে সেই গাছের শুভ ভাব বৃদ্ধি পায়। বিশ্বাস আছে যে কড়ি বাঁধা মানি প্ল্যান্ট ঘরে অর্থ প্রবাহ বাড়ায় এবং আর্থিক সংকট ধীরে দূর করে। এটি দেবীর আশীর্বাদের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু, সবসময় মনে রাখতে হবে, কড়ি যদি বাঁধতেই হয়, তবে তা পরিষ্কার লাল কাপড় দিয়ে মুড়ে রাখতে হবে। এতে শক্তি বেশি ধরে বলে বিশ্বাস করা হয়।
আরও পড়ুন- চুল পাকছে? আটকান সহজেই, রান্নাঘরের এই জিনিস যখন হাতে আছে, চিন্তা কী?
পবিত্র সুতোও মানি প্ল্যান্টের জন্য অত্যন্ত শুভ মনে করা হয়। সাধারণত দেবী লক্ষ্মীর পূজা বা যে কোনও শুভকাজে এই পবিত্র সুতো বা কলাওয়া ব্যবহৃত হয়। বাস্তুশাস্ত্রীদের মতে, মানি প্ল্যান্টে কলাওয়া বাঁধলে গাছটি বাড়ির পজিটিভ শক্তি আরও আকর্ষণ করে এবং নেগেটিভ শক্তি দূরে রাখে। তবে কলাওয়া বাঁধার ক্ষেত্ৰে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হল—এটি শুধুমাত্র শুক্রবার দেবী লক্ষ্মীর পূজা করার পরই বাঁধা উচিত। শুক্রবার লক্ষ্মীর দিন হওয়ায় এই সময়ে কলাওয়া বাঁধলে তার শক্তি দ্বিগুণ হয় বলেই বিশ্বাস। মানসিক অস্থিরতা, অর্থের টানাপোড়েন বা বারবার বাধা—এসব দূর করতে কলাওয়া বাঁধা মানি প্ল্যান্ট অনেকেই ব্যবহার করেন।
আরও পড়ুন- শরীর ভালো রাখতে প্রতিদিন প্রচুর জল খাচ্ছেন? ভয়ংকর বিপদে পড়তে পারেন কিন্তু!
মুদ্রা বা সাধারণ কয়েনও মানি প্ল্যান্টের শুভ ভাব বাড়াতে ব্যবহৃত হয়। কেউ গাছের ডালে বেঁধে রাখেন, কেউ আবার মাটির ভিতরে পুঁতে দেন। বাস্তুশাস্ত্র মতে, মুদ্রা সম্পদের প্রতীক, তাই মুদ্রা মানি প্ল্যান্টে যুক্ত হলে গাছটি ঘরে সমৃদ্ধির তরঙ্গ সৃষ্টি করে। গৃহস্থের আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী করতে এবং হঠাৎ ব্যয়ের প্রবণতা কমাতে এটি উপকারী বলে মনে করা হয়। অনেকেই নতুন মুদ্রা ব্যবহার করেন যাতে শক্তি পরিষ্কার থাকে। কেউ আবার মুদ্রাকে গঙ্গাজলে ধুয়ে মানি প্ল্যান্টের পাত্রে রেখে দেন। এই উপায় প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত।
আরও পড়ুন- প্রথমবার 'শ্বশুরবাড়ি', কী করেছিলেন এই বলি নায়িকার স্বামী? শুনলে চমকে উঠবেন!
বাস্তুর শুভ ভাবের জন্য মানি প্ল্যান্টের যত্ন নেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শুভ ভাবের পাশাপাশি গাছের স্বাস্থ্যও বাস্তুর ফলকে প্রভাবিত করে বলে মনে করা হয়। সবসময় কাঁচা জল ব্যবহার করা, উত্তরের দিক বা দক্ষিণ-পূর্ব কোণে গাছ রাখা এবং সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা—এসব নিয়ম মানলে গাছটি আরও সুস্থ থাকে। একটি সুস্থ মানি প্ল্যান্টকে ঘরের ‘উইথ-ফ্লোএনার্জি প্ল্যান্ট’ বলা হয়, যা বাড়ির পরিবেশকে অনেকটাই পরিবর্তন করে দিতে পারে। এমনটাই বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us