/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/16/vijay-diwas-1-2025-12-16-11-32-51.jpg)
Vijay diwas: শ্রদ্ধায় বিজয় দিবস স্মরণ।
Vijay Diwas: 'গর্বের মুহূর্ত', বিজয় দিবসে ৭১-এর যুদ্ধবীরদের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রধানমন্ত্রীর, সেনার অদেখা অংশ ভাগ করে নিলেন দেশবাসীর সঙ্গে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫) ৫৪তম বিজয় দিবস। এই দিনটি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল। সেই উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতীয় সৈন্যদের সাহস এই দিনটিতে ইতিহাসে গর্বের মূহূর্ত তৈরি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'বিজয় দিবসে, আমরা সেই সব সাহসী সৈনিকদের স্মরণ করি যাঁদের সাহস এবং আত্মত্যাগের ফলে ১৯৭১ সালে ভারত ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করেছিল। ওই সৈনিকদের দৃঢ় সংকল্প এবং নিঃস্বার্থ সেবা আমাদের জাতিকে রক্ষা করেছিল এবং আমাদের ইতিহাসে গর্বের মুহূর্ত তৈরি করেছিল। এই দিনটি সেই সব সৈনিকদের বীরত্বের প্রতীক এবং তাঁদের অতুলনীয় চেতনার স্মারক। তাঁদের বীরত্ব ভারতীয়দের প্রজন্মের পর প্রজন্ম অনুপ্রাণিত করেছে।'
আরও পড়ুন- উদ্বেগে ভুগছেন? কমাতে সবচেয়ে কাজের সহজ উপায় এগুলোই
On Vijay Diwas, we remember the brave soldiers whose courage and sacrifice ensured India had a historic victory in 1971. Their steadfast resolve and selfless service protected our nation and etched a moment of pride in our history. This day stands as a salute to their valour and…
— Narendra Modi (@narendramodi) December 16, 2025
কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ১৯৭১ সালে এক নির্ণায়ক বিজয় এনে দিয়েছিল। বিজয় দিবসে জাতি সেই সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি প্রণাম জানাচ্ছে। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, 'সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী নিখুঁত সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করেছিল, ইতিহাসকে নতুন রূপ দিয়েছিল এবং ভারতের কৌশলগত সংকল্পকে দৃঢ় করেছিল। তাঁদের বীরত্ব, শৃঙ্খলা এবং যুদ্ধের চেতনা প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে এবং আমাদের জাতীয় ইচ্ছাকে শক্তিশালী করে তুলেছে।'
আরও পড়ুন- রোদে বেশি সময় কাটালে কি সত্যিই আয়ু বাড়ে, কী বলছে বিজ্ঞান?
#विजयदिवस: 1971 युद्ध की अमर कहानी#विजयदिवस सिर्फ एक तारीख नहीं - यह 1971 के युद्ध में भारतीय सशस्त्र बलों की ऐतिहासिक और निर्णायक जीत का प्रतीक है।
— ADG PI - INDIAN ARMY (@adgpi) December 16, 2025
यह वह विजय थी जिसमें मुक्ति बहिनी और भारतीय सशस्त्र बल कंधे से कंधा मिलाकर खड़े हुए और मिलकर बांग्लादेश की स्वतंत्रता की लड़ाई… pic.twitter.com/6zQ4EvxlK3
ভারতীয় সেনার তরফে পোস্ট করা হয়েছে, '১৯৭১ সালের যুদ্ধের চিরন্তন গল্প। বিজয় দিবস শুধুমাত্র একটি তারিখ নয়। এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক বিজয়ের প্রতীক। এটি ছিল এমন বিজয়, যেখানে মুক্তিবাহিনী এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছিল। একইসঙ্গে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামকে স্বাধীনতার পথে হাঁটতে সাহায্য করেছিল। এই বিজয় ভারতের সামরিক ইতিহাসকে নতুন রূপ দিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্র পুনর্নির্মাণ করেছে এবং একটি নতুন দেশের জন্ম দিয়েছে, যার নাম বাংলাদেশ। এটি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নৃশংস অত্যাচার, নিপীড়ন এবং নিষ্ঠুরতারও অবসান ঘটিয়েছে। মাত্র ১৩ দিনের মধ্যে, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী অসাধারণ সাহস, অটল সংকল্প এবং ব্যতিক্রমী সামরিক দক্ষতা প্রদর্শন করেছে, যার পরিণামে ৯৩,০০০ পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেছে। যা বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক আত্মসমর্পণগুলির একটি। এই দিনটি বন্ধুদের প্রতি ভারতের আনুগত্যের প্রমাণ এবং প্রতিপক্ষের কাছে বার্তা যে যখন ভারত ন্যায়ের জন্য জেগে ওঠে, তখন বিজয় অনিবার্য।'
আরও পড়ুন- এই শীতে অবশ্যই খেতে হবে যে সব ঐতিহ্যবাহী খাবার, উষ্ণ রাখবে শরীর ও মন
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন যে বিজয় দিবস বিশ্বজুড়ে মানবতা রক্ষা এবং অতুলনীয় সামরিক সক্ষমতার এক 'অনুকরণীয় মডেল' তৈরি করেছে। যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শাহ সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ পোস্ট করেছেন, '১৯৭১ সালের এই দিনেই, নিরাপত্তা বাহিনী অদম্য সাহস এবং নির্দিষ্ট কৌশল পাকিস্তানি সেনাকে পরাজিত এবং আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছিল। অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করা এই বিজয় বিশ্বব্যাপী মানবতা রক্ষার এক অনুকরণীয় মডেল তৈরি করেছে এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী অতুলনীয় সামরিক ক্ষমতা আর বীরত্বের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।'
আরও পড়ুন- শীতে কোথাও বেড়াতে গিয়েছেন, প্রেশার বাড়লে কী করবেন? জানুন চিকিৎসকের থেকে
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাও বিজয় দিবসে সোশ্যাল মিডিয়ায় শহীদ বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তিনি বিজয় দিবসকে, 'ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর অসাধারণ বীরত্ব, অটল সংকল্প এবং নির্দোষ দেশপ্রেমের প্রতীক' বলে উল্লেখ করেছেন। নাড্ডা পোস্ট করেছেন, '১৯৭১ সালের ঠিক এই দিনেই, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের অদম্য সাহস এবং বীরত্ব প্রদর্শন করে পাকিস্তানকে ভারতের সামনে নতজানু হতে বাধ্য করেছিল। জাতির ঐক্য এবং অখণ্ডতার জন্য তাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক বিজয় সম্ভবপর করে তোলা সব শহিদ সৈনিকদের প্রতি আমি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই।'
পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের সেই কাহিনি
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ জওয়ান ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেছিল। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি, আত্মসমর্পণের দলিলে ভারতীয় সেনাকর্তা জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার সামনে স্বাক্ষর করেছিলেন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us