/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/memory-1-2025-12-14-23-54-37.jpg)
Memory: সহজে বাড়ান স্মৃতিশক্তি।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/memory-2-2025-12-14-23-54-51.jpg)
দৈনন্দিন অভ্যাসের সঙ্গে মস্তিষ্কের যোগ
Walking and Memory: দৈনন্দিন এক অভ্যাসের সঙ্গে মস্তিষ্কের অপ্রত্যাশিত যোগ, জানলে অবাক হবেন! অনেকেই মনে করেন এই অভ্যাস শুধু শরীরচর্চার একটি সহজ মাধ্যম। ওজন নিয়ন্ত্রণ, হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখা কিংবা রক্তচাপ সামলানোর জন্যই তা করা হয়। কিন্তু, সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে, এই অভ্যাসের সঙ্গে সরাসরি মস্তিষ্কের যোগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত এই অভ্যাস করলে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। যা অনেকে কল্পনাও করতে পারেন না।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/memory-3-2025-12-14-23-55-18.jpg)
সেই অভ্যাসটা কী?
এই অভ্যাস হল হাঁটা। হাঁটার সময় শরীরের রক্তসঞ্চালন বাড়ে। এর ফলে শুধু পেশি বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নয়, মস্তিষ্কেও বেশি পরিমাণে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছায়। মস্তিষ্কের কোষগুলি এই অতিরিক্ত পুষ্টি পেয়ে আরও সক্রিয় ও সুস্থ থাকে। স্মৃতিশক্তি বজায় রাখার জন্য মস্তিষ্কের এই সুস্থ কাঠামো অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস থাকলে বয়স বাড়লেও স্মৃতি দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/memory-4-2025-12-14-23-56-03.jpg)
নতুন কোষ
শুধু রক্তসঞ্চালনই নয়, হাঁটা মস্তিষ্কের ভিতরে নতুন কোষ তৈরির প্রক্রিয়াকেও উৎসাহিত করে। শারীরিক সক্রিয়তার ফলে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান নিঃসৃত হয়, যা মস্তিষ্কে নতুন স্নায়ুকোষ গঠনে সাহায্য করে। একই সঙ্গে পুরনো স্নায়ুকোষগুলির মধ্যে যোগাযোগ আরও দৃঢ় হয়। এর ফলে স্মৃতি শক্তিশালী হয় এবং শেখার ক্ষমতা দীর্ঘদিন বজায় থাকে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/memory-5-2025-12-14-23-56-34.jpg)
হাঁটা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে
বয়সের সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিভ্রংশ বা মানসিক অবক্ষয়ের ভয় অনেকের মনেই কাজ করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত হাঁটেন বা মাঝারি মাত্রার শারীরিক পরিশ্রম করেন, তাঁদের মধ্যে এই ধরনের সমস্যার ঝুঁকি তুলনামূলক ভাবে কম। হাঁটা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে এবং ধীরে ধীরে বয়সের প্রভাব সামলাতে সাহায্য করে। তাই মধ্যবয়স পেরোলেই হাঁটাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নেওয়া অত্যন্ত উপকারী।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/memory-6-2025-12-14-23-57-08.jpg)
ঘুমের গুণগত মান উন্নত করা
হাঁটার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়ে ঘুমের ওপর। নিয়মিত হাঁটলে শরীরে ঘুমের ছন্দ ঠিক থাকে। গভীর ও শান্ত ঘুম স্মৃতিশক্তির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দিনের বেলায় যে সব অভিজ্ঞতা ও তথ্য আমরা গ্রহণ করি, ঘুমের সময় মস্তিষ্ক সেগুলিকে সাজিয়ে তোলে এবং স্থায়ী স্মৃতিতে রূপ দেয়। ভালো ঘুম না হলে এই প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। হাঁটা এই ঘুমের গুণগত মান উন্নত করে স্মৃতিকে আরও মজবুত করে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/memory-7-2025-12-14-23-57-57.jpg)
স্মৃতিশক্তিকে সুরক্ষিত রাখা
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ স্মৃতিশক্তির বড় শত্রু। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মনখারাপ থাকলে মনোযোগ কমে যায়, নতুন কিছু মনে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। হাঁটার সময় শরীরে আনন্দের হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। মন শান্ত থাকলে মনোযোগ বাড়ে এবং স্মৃতি আরও স্পষ্ট হয়। নিয়মিত হাঁটা মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিকে সুরক্ষিত রাখে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us