বড় খবর

কোন ধরনের মাস্ক করোনাকে দূরে রাখবে? জানুন বিশেষজ্ঞের মতামত

কোনটি বেশি ভাল? জেনে নিন

প্রতীকী ছবি

এখন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল মাস্ক। এটিকে ছাড়া বাইরে বেরনো প্রায় অসম্ভব। বলা উচিত, যে হারে হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে ভাইরাসের কণা প্রয়োজনে বাড়িতে থাকলেও মাস্ক পরা যেতেই পারে। তবে এই মাস্ক নিয়ে মানুষজন বেশ সমস্যায়। তার প্রথম এবং প্রধান কারণ, বেশিরভাগ মানুষ শ্বাস নিতে পারেন না। কেউ কেউ আবার চশমা পড়লে ধোয়াশার সমস্যায় ভোগেন। কেউ কেউ আবার বেশি চাপা দেওয়া মাস্ক পরতে পারেন না, তবে সবধরনের মাস্ক কিন্তু আপনাকে রোগ থেকে বাঁচাতে পারে না। তার মধ্যে প্রথম উদাহরণ কাপড়ের তৈরি মাস্ক! 

চিকিৎসকরা গবেষণা সূত্রে জানিয়েছেন কাপড়ের মাস্ক একেবারেই মানুষকে ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচাতে পারে না। কাপড়ের মধ্যে সুতোর বেধ ৮০ থেকে ৫০০ মাইক্রোমিটার সেখানে করোনা ভাইরাসের আকার ০.১২ মাইক্রোমিটার সুতরাং একেবারেই অসম্ভব বিষয়।  তারা এমনও জানাচ্ছেন, যে সার্জিক্যাল মাস্ক কিন্তু কাপড়ের মাস্কের থেকে অনেক ভাল। চিকিৎসক প্রীতম মুন জানিয়েছেন হাই ফিল্টারেশন মাস্ক না হলে খুব সমস্যার। 

তাহলে কোনটি সবথেকে বেশি উপযোগী? 

স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, এন ৯৫ সবথেকে বেশি কার্যকরী করোনা রোধ করতে। এতে ফিল্টারের পরিমাণ এতটাই বেশি, যে নির্দিষ্ট ভাবেই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে সক্ষম। এতে মেয়াদের সঙ্গেই ভালভ যুক্ত থাকে, যেটিতে আপনার শ্বাসযন্ত্র সংক্রান্ত সমস্যাও থাকে না। সবথেকে বড় কথা সব ধরনের মুখের আকারে এটি ব্যবহার করা যায়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটিকে সার্টিফায়েড করা উচিত। 

মার্কিন সংস্থা থেকে জানানো হয়েছে, এটি শ্বাসযন্ত্রের প্রতিরক্ষার কারণে নির্মিত, তাই ঠিক মুখের কাছে বায়ুবাহিত কণা এবং দক্ষ পরিস্রাবনের কারণে ডিজাইনটি সেইভাবেই করা হয়েছে। তেমনই সেন্টার ফর ডিজিস প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে কেএন ৯৫ ( KN95 ) – এন ৯৫ (N95) এর একটি স্বস্তা রূপ, যেটির থেকে এখনও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অনেক তথ্যই প্রয়োজন। 

সতর্কতা কেমন দেওয়া হয়েছে? 

আইসলেশন মন্ত্রক থেকে বারবার বলা হচ্ছে, করোনা আক্রান্ত রোগীদের ট্রিপল লেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে। মাস্কটি ঘেমে গেলে, ভিজে গেলে এবং কিংবা নোংরা হয়ে গেলে অবশ্যই সেটিকে ব্যবহার করা বন্ধ করুন। ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের অবশ্যই এন ৯৫ মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক। 

এই মাস্কে যে ফিল্টার থাকে সেটি অক্সিজেন প্রবাহে কোনও বাঁধা দেয় না, শ্বাস নিতেও কষ্ট হয় না। এর ভালভ দারুণ ভাবে ভাইরাসকে আটকাতে পারবে। যদি এমনও কেউ আপনার সামনে চলে আসে যিনি সংক্রমিত অথচ আপনি জানেন না সেই ক্ষেত্রেও সমস্যা নেই। সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করলে, অবশ্যই দুটো ব্যবহার করুন। যদি সংক্রমিত ব্যক্তি মাস্ক না পরে থাকেন তবে সেটি ছড়াতে আড়াই ঘণ্টা সময় নেয় এবং যদি সকলেই মাস্ক পরে থাকেন, তবে সেটি ২৫ ঘণ্টার কাছাকাছি সময়ে ছড়াতে পারে। তারপরেও আপনি সংক্রমিত হবেন এটির কোনও যুক্তিকতা নেই। 

কীভাবে সুস্থ থাকবেন? 

দুটি মাস্ক অর্থাৎ এন ৯৫ এবং সার্জিক্যাল একত্রে পড়লে সবথেকে ভাল ভাইরাস আটকানোর ক্ষেত্রে। যেহেতু সার্জিক্যাল মাস্ক পুনরায় একেবারেই ব্যবহার করা উচিত নয়। ৮/৯ ঘণ্টা হয়ে গেলেই সেটিকে ফেলে দিন। অন্যদিকে এন ৯৫ পরিষ্কার করে আবার ব্যবহার করা যায়। 

তবে যারা একান্তই শ্বাসকষ্টের রোগী, অথবা ভারী মাস্ক পড়তে পারেন না। তাদের ক্ষেত্রে তিন লেয়ার সার্জিক্যাল মাস্ক এবং কাপড়ের মাস্ক হলে সঙ্গে অবশ্যই একটু সার্জিক্যাল মাস্ক পড়া আবশ্যিক! এটুকু সতর্কতা মানুন, আপনি অবশ্যই সুস্থ থাকবেন। 

Get the latest Bengali news and Lifestyle news here. You can also read all the Lifestyle news by following us on Twitter, Facebook and Telegram.

Web Title: Which mask is more efficient to protect corona infection and why

The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com