/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/10/winter-itching-tips-2025-11-10-18-21-34.jpg)
Winter Itching Tips: শীতকালে বাড়ে চুলকানি, জেনে নিন রোখার সহজ টিপস।
Winter Itching Tips: শীতকাল মানেই শরীর গরম রাখার মত পোশাক, গরম চা আর আরামদায়ক কম্বল। কিন্তু এই ঋতুর একটি বড় অসুবিধা হল— ত্বকের চুলকানি (Winter Itching)। অনেকের হাত, পা, পিঠ, এমনকী মাথার ত্বকও এইসময় শুকনো হয়ে চুলকাতে থাকে। এর প্রধান কারণ হল বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়া এবং ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যাওয়া।
শীতকালে বাতাস শুকনো হয়ে যায় এবং ঘরের ভিতর আমরা গরম বাতাস বা হিটার ব্যবহার করি, যা ত্বকের আর্দ্রতা শুষে নেয়। অন্যদিকে, অনেকেই ঠান্ডার কারণে এই সময় গরম জলে স্নান করেন, কিন্তু সেই গরম জল ত্বকের প্রাকৃতিক তেল মুছে দেয়, ফলে ত্বক ফেটে যায় ও চুলকানি শুরু হয়।
আরও পড়ুন- সময়মতো না খেলে কি দুর্বল হয়ে যেতে পারে হাড়? জানুন বিস্তারিত
চুলকানি রোধের প্রতিকার
এর পাশাপাশি, পর্যাপ্ত জল না খাওয়া, রাসায়নিকযুক্ত সাবান ও বডিওয়াশ ব্যবহার, শরীর ধোয়ার পর ময়েশ্চারাইজার না লাগানো, ত্বকে একজিমা বা অ্যালার্জির প্রবণতা চুলকানি বৃদ্ধির বড় কারণ। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে চুলকানি কমানো যায়, সেটা অনেকেরই প্রশ্ন। সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত গরম জল ত্বকের আর্দ্রতা কেড়ে নেয়। তাই শীতেও মাঝারি গরম জলেই স্নান করা উচিত। স্নানের পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই নারকেল তেল, অ্যালোভেরা জেল বা ঘি ব্যবহার করা উচিত। শীতে তেষ্টা কম পায় বলে অনেকেই জল কম খান। এতে ত্বক ভেতর থেকে শুকনো হয়ে যায়। এই সমস্যা মেটাতে প্রতিদিন অন্তত ২–২.৫ লিটার জল পান করা উচিত।
আরও পড়ুন- থাইরয়েডে একদম এড়িয়ে চলুন এই ৬ খাবার, না হলে বিরাট বিপদ!
পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় সুগন্ধিযুক্ত সাবান বা বডি ওয়াশের বদলে মৃদু, ময়েশ্চারাইজারযুক্ত সাবান ব্যবহার করা উচিত। ঘরে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে বাতাসে আর্দ্রতা বজায় থাকে এবং ত্বক শুকিয়ে যায় না। সেকথাও মাথায় রাখা উচিত। ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে নারকেল তেল রাতে ঘুমানোর আগে লাগান। কারণ, নারকেল তেল ময়েশ্চারাইজিং এবং প্রদাহ-বিরোধী গুণে ভরপুর।
আরও পড়ুন- বিধবারাই জন্ম দিয়েছিলেন একের পর এক সুস্বাদু পদ, বাঙালি পেয়েছে অনন্য স্বাদের নিরামিষ রান্না!
অ্যালোভেরা জেলও লাগাতে পারেন। কারণ, তা ত্বক ঠান্ডা করে ও চুলকানি কমায়। ল্যাভেন্ডার বা পুদিনা তেল হালকা করে লাগালে তা চুলকানি প্রশমিত করে। ওটমিল বাথও নিতে পারেন। এজন্য গরম জলে কিছুটা ওটমিল মিশিয়ে ত্বক ভিজিয়ে রাখলে চুলকানি অনেকটাই কমবে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন- হাঁটা না দৌড়নো, শরীরের জন্য কোনটা বেশি ভালো, কী বলছে গবেষণা?
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই সময় শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি মেটানোর দিকে জোর দেওয়া উচিত। ভিটামিন ই, ওমেগা-৩ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার যেমন বাদাম, মাছ, ডিম খাওয়া উচিত। একজিমা হলে ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিহিস্টামিন বা স্টেরয়েড ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ঠান্ডায় রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে পায়ের আঙুলে চুলকানি হয়। চুলকানি প্রতিরোধে একথাও মাথায় রাখা উচিত। একইসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চুলকানি রুখতে আইস কম্প্রেস, ময়েশ্চারাইজার এবং পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us