World Bamboo Day: বাঁশের এই ৮ আশ্চর্যজনক তথ্য সম্পর্কে জানেন? শুনলে চমকে যান অনেকেই!

World Bamboo Day: বাঁশ শুধু পান্ডার খাবার নয়, এটি প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার। নির্মাণ সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র থেকে শুরু করে পোশাক পর্যন্ত, তৈরিতে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। জেনে নিন বাঁশের ৮টি আশ্চর্য তথ্য।

World Bamboo Day: বাঁশ শুধু পান্ডার খাবার নয়, এটি প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার। নির্মাণ সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র থেকে শুরু করে পোশাক পর্যন্ত, তৈরিতে বাঁশ ব্যবহৃত হয়। জেনে নিন বাঁশের ৮টি আশ্চর্য তথ্য।

author-image
IE Bangla Lifestyle Desk
New Update
World Bamboo Day

World Bamboo Day: বিশ্ব বাঁশ দিবস।

World Bamboo Day: প্রতিবছর ১৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ব বাঁশ দিবস পালন করা হয়। বাঁশের অসংখ্য ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব বৈশিষ্ট্য এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিন উদযাপন করা হয়। বাঁশ শুধুমাত্র একটি উদ্ভিদ নয়—এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবন, শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।

Advertisment

বিশ্ব বাঁশ দিবসের ইতিহাস

বিশ্ব বাঁশ দিবস প্রথম উদযাপিত হয় ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে। প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি এতে অংশগ্রহণ করেন এবং সর্বসম্মতভাবে ১৮ সেপ্টেম্বরকে 'বিশ্ব বাঁশ দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর পিছনে উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিশ্ব বাঁশ সংস্থার প্রাক্তন সভাপতি কামেশ সালাম। সেই থেকে প্রতিবছর বাঁশের সংরক্ষণ, ব্যবহার ও চাষকে উৎসাহিত করতে দিনটি পালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন- পুজোয় বেড়াতে যাচ্ছেন? এই ৬ জায়গায় না ঘুরলে আপনার বেড়ানোই বৃথা!

বাঁশ পৃথিবীর অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল উদ্ভিদ। কিছু প্রজাতির বাঁশ মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ৩ ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে! এটি মজবুত, নমনীয় এবং পরিবেশবান্ধব। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়ার মানুষ শত শত বছর ধরে বাঁশকে ব্যবহার করছে। অর্থনৈতিক দিক থেকে বাঁশ অনেক মানুষের জীবিকার উৎস। গ্রামীণ কারিগর, শিল্পী, কৃষক—সবাই বিভিন্নভাবে এর ওপর নির্ভরশীল। পরিবেশগত দিক থেকে বাঁশ প্রাকৃতিকভাবে বাতাস ঠান্ডা করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।

আরও পড়ুন- দুর্গাপুজোর শেষ লগ্নের কাউন্টডাউন শুরু, বিশ্বকর্মা পুজোয় ঘুড়ি উড়িয়ে বোঝাল বাঙালি!

বাঁশ মজবুত খুঁটি ও কাঠামো তৈরিতে, চেয়ার, টেবিল, বিছানা ইত্যাদি তৈরিতে, বাঁশি, ঢোলের কাঠামো, অন্যান্য লোকসঙ্গীত যন্ত্র তৈরিতে, খড়ি, মাদুর, ঝুড়ি, টুথব্রাশ, টিস্যু, ডিসপোজেবল কাটলারি, স্ট্র, ব্যাগ, কাপড় তৈরিতে কাজে লাগে। বাঁশে ছত্রাকবিরোধী ও জীবাণুনাশক বৈশিষ্ট্য আছে। বাঁশ একটি প্রাকৃতিক এয়ার কন্ডিশনার—এটি আশেপাশের তাপমাত্রা ৮° সেলসিয়াস পর্যন্ত ঠান্ডা করতে পারে।

আরও পড়ুন- পাশে গুগল, ইচ্ছেমতো ছবি বানিয়ে চমকে দিন!

বাঁশের অঙ্কুর খাওয়া যায় এবং এটি এশীয় খাবারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাঁশের আঁটসাঁট পোশাক মাথাব্যথা ও টেনশন কমাতে সাহায্য করে। সারা বিশ্বে বাঁশের প্রজাতি রয়েছে ১,৫০০টিরও বেশি। এডিসন প্রথম লাইটবাল্বে কার্বনাইজড বাঁশের ফিলামেন্ট ব্যবহার করেছিলেন। বাঁশ বিভিন্ন আকার ও রঙে পাওয়া যায়। ভূমিকম্পের সময় বাঁশের বাগানকে নিরাপদ স্থান ধরা হয়, কারণ বাঁশ সহজে ভাঙে না। 

আরও পড়ুন- পুজোর আগেই ব্রণ থেকে ট্যান দূর করুন ঘরোয়া কায়দায়, নজর কাড়বে উজ্জ্বলতা!

বাঁশ পৃথিবীর অন্যতম সেরা ইকো-ফ্রেন্ডলি রিসোর্স। এটি প্রচুর অক্সিজেন তৈরি করে, কার্বন শোষণ করে এবং বন উজাড় রোধে সহায়ক। এছাড়া প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে বাঁশ ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব হয়। তাই, বিশ্ব বাঁশ দিবস বাঁশের অপরিসীম গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। প্রাচীনকাল থেকে আধুনিক সময় পর্যন্ত বাঁশ মানুষের বন্ধু, জীবিকা ও সংস্কৃতির অংশ। পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যতের জন্য বাঁশ হতে পারে অন্যতম সমাধান।

Day world