বড় খবর

নিজের শিশুর সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরত্ব রাখুন!

ওদের দূরে রাখতে আপনারাই সচেষ্ট হন

প্রতীকী ছবি

শিশুদের নিয়ে বাবা মায়েদের নানানরকম হয়রানি থেকে কতকিছু, দিন কিভাবে জলের মত কেটে যায় বোঝাই যায় না। তাদের পড়াশোনা থেকে আর্ট ক্রাফট সবকিছুতেই নজর রাখতে হয়। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অনলাইন ক্লাসের দৌলতে একটি করে মুঠোফোন এমনিও ওদের হাতে। সারাদিন ফোনের সামনে থেকে থেকেই যেন নেশার মত আসক্তি! কিন্তু ওদের এই সবকিছু থেকেই দূরে রাখা আপনাদের কর্তব্য। 

পড়াশোনার সঙ্গে সঙ্গে ওদের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আগ্রহ এবং নেশাও কম নয়। আর কথায় বলে আগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু প্রথম পদক্ষেপ আপনাকেই নিতে হবে। একটু ভাবনা চিন্তা করে দেখুন তো, ওদের প্রথম ধাপে আপনিই এটির দিকে এগিয়ে দিচ্ছেন কিনা? বাচ্চার মানসিক সুস্থতা যদি চান তবে বেশ কিছু বিষয় আপনাকে এখন থেকেই ভাবনা চিন্তা করতে হবে। আর সেগুলি কী কি সেই নিয়েই আলোচনার প্রসঙ্গ। 

শিশুদের মধ্যে বাবা এবং মায়ের প্রতি এক চূড়ান্ত আকর্ষণ থাকে। তাদের কে অনুকরণ করেই ওরা বড় হয়। তার সঙ্গে মোবাইল ফোন থেকে ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার এগুলোর প্রতি আকর্ষণ ওদের খুব বেশি। আর সোশাল মিডিয়া জীবন থেকে বহিস্কার করা একেবারেই সম্ভব নয়। কিন্তু রাশ টানতে হবে নিজের মত! 

ছোট থেকেই ওদের যখন খুশি যা খুশি করতে দেবেন না। ফোন কিংবা অন্যান্য গ্যাজেটস ওদের বয়সের উপযোগী না। তাই চেষ্টা করবেন ওদের হাত থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে।

নিজের শিশু সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয় যেগুলি সোশাল মিডিয়াতে শেয়ার না করাই ভাল, তার মধ্যে

  • সবসময় মন চাইলেই ওদের ছবি পোস্ট না করাই ভাল। বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে সাইবার বুলিং শব্দটা যে হারে বাড়ছে, এদিক থেকে ওদিক আপনার শিশুর ছবি নজরে আসতে একেবারেই ক্ষীণ মাত্র সময় লাগবে। 
  • ওদের স্থান কাল পাত্র সম্পর্কে লোকজনের কাছে না জানানোই ভাল। স্কুল,কোচিং সেন্টার থেকে যেখানে যেখানে ওরা আপনাকে ব্যতীত যায় সেটি কোনওভাবেই জানতে দেবেন না অন্যদের। 
  • চেষ্টা করবেন বাচ্চাদের খালি গায়ে ছবি পোস্ট না করতে। এর প্রভাব সাংঘাতিক হতে পারে। এবং তার সঙ্গে ওদের নিজস্ব কোনও আইডি প্রুফ কিংবা তথ্য একেবারেই দেবেন না। 
  • ওদের কোনও ব্যবহারিক বিষয় বা কোনও নির্দিষ্ট ক্রিয়াকলাপ সোশাল মিডিয়ায় না জানানোই ভাল। সব শিশু সমান নয়! কার ওপর কি প্রভাব পড়বে কেউ জানে না। তাই এটি থেকে দূরে থাকতে হবে। 

নিজের সুন্দর শিশুকে মন থেকে সুস্থ রাখতে ওদের সোশাল মিডিয়ার দোরগোড়া থেকে বের করে নিয়ে আসুন। 

 ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Get the latest Bengali news and Lifestyle news here. You can also read all the Lifestyle news by following us on Twitter, Facebook and Telegram.

Web Title: You should stop your children to grown affection on social media

Next Story
সাবধান! এই খাবারগুলি বাড়িয়ে দেয় ক্যানসারের প্রবণতা, বুঝেশুনে খান
The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com