/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/529843157_23973210522347659_605665655489091644_n-2025-08-09-17-41-15.jpg)
দাম্পত্যের ২৮
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/528633666_23973211919014186_2735837148022067627_n-2025-08-09-17-41-54.jpg)
পায়ে পায়ে ২৮
৮ অগাস্ট ছিল অপরাজিতা আঢ্যর বিয়ের দিন। দেখতে দেখতে দাম্পত্যের ২৮ টা বছর কাটিয়ে ফেললেন অভিনেত্রী। বিয়ের ছবি পোস্ট করে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী। বিয়ে, সংসার, দায়িত্ব সবকিছু নিয়ে কেমন বৈবাহিক জীবন অপরাজিতার?
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/529001785_23973211422347569_711652629887054017_n-2025-08-09-17-41-54.jpg)
যৌথ পরিবার থেকে সাংসারিক জ্ঞানার্জন
দাম্পত্যের ২৮ পেরিয়ে ২৯-এ পা রেখে অপরাজিতা যৌথ পরিবার থেকে কী শিক্ষা পেয়েছেন? তাঁর কথায়, 'ফিরে তাকিয়ে দেখি এই ২৮ বছর ধরে ১২ জনের সংসার করে কী শিখলাম। আসলে আমরা তো এই জগৎ সংসারে এসেছি শেখার জন্যই।' দিদিমার একটি কথা অনুসরণ করেই সমংসারধর্ম পালন করছেন। সেটি কী?
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/528976761_23973211259014252_6605706590135097869_n-2025-08-09-17-41-54.jpg)
দিদিমার বলা কথা
বিয়ের আগে আমার দিদিমা বলেছিলেন, 'বিয়ে কোনো সুখ নয়, বিয়ে হল দায়িত্ব। সেই কথাটাকেই মাথায় রেখেই আমি সংসার নামক মঞ্চে অভিনয় করতে নেমে পড়েছিলাম। এ যে এক বিশাল নাটক! চরিত্রের অভাব নেই। বাবা রে বাবা! চারপাশে সবাই বাঘা বাঘা অভিনেতা-অভিনেত্রী। কে কে যে মঞ্চে ঢুকছে আর ডায়ালগ বলছে, বুঝতেই পারছিলাম না!' এরপর কী করেছিলেন অপরাজিতা?
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/529353251_23973216019013776_5313666932918349370_n-2025-08-09-17-41-54.jpg)
অপরজিতার পদক্ষেপ
আমি বুঝলাম, 'এইভাবে তো নাটক চলবে না। পুরোটাই একেবারে জট পাকানো। তাই আমি নিজেই নেপথ্যে চলে গেলাম। পরিচালকের আসনে বসিয়ে দিলাম আমার শাশুড়ি মা-কে।' সেই সময় পরিবারে ছিলেন দিদি শ্বাশুড়ির মা, মাসি শ্বাশুড়ি, খুড়শ্বশুর, জ্যাঠাশ্বশুর, পিসি শ্বাশুড়ি, শশুর, শাশুড়ি, দেওর গুণে শেষ করা যাবে না।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/528582445_23973215705680474_2252846623399375250_n-2025-08-09-17-41-54.jpg)
নাটকের পরবর্তী ভাগ
অপরাজিতা মজা করে লিখেছেন, 'শাশুড়ি মা, আমি আর ননদ মিলে নাটকটাকে একেবারে জমিয়ে দিলাম। সব চরিত্রদের নিয়ে শুরু হল একেবারে রঙ্গমঞ্চের ঝলকানি! আর উপদেশ জ্ঞাপন ও বোধের চরিত্রে রেখেছিলাম আমার বর মশাইকে।'
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/528743329_23973212669014111_3799830206691407211_n-2025-08-09-17-45-28.jpg)
বরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ
অপরাজিতা বলেন, 'মা-দিদিমার পরে তিনিই আমার গুরু শিখিয়েছেন ক্ষমার ওজন কেমন হয়। আর শিখিয়েছেন চূড়ান্ত রাগের মুহূর্তে মিষ্টি কথা বলার প্রয়োজন ঠিক কতটা। এই নিত্যদিনের নানা রকম গল্পে, নানা অভিনয়ে আমি নিজেই পাকা অভিনেত্রী হয়ে উঠলাম। এইভাবেই মজা, নাচে-গানে, আনন্দে কখন যে ২৯-এর দোরগোড়ায় পৌঁছে গেলাম নিজেই টের পাইনি।'
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/528575401_23973217089013669_5453647933978858956_n-2025-08-09-17-45-28.jpg)
সুখী দাম্পত্য
পোস্টের শুরু থেকে সুখী দাম্পত্যের ইঙ্গিত দিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু, অন্তিম ভাগে অপরাজিতা স্বীকার করলেন, 'এখন বেশ আছি। মাথার চুলে রুপোলি রং লেগেছে। হাঁটু মাঝে মাঝে মনে করিয়ে দেয় প্রবীণের পথে হাঁটছি। তবু কে মানে বলো! আমাদের এই রঙ্গমঞ্চে আমরা সবাই রাজা। আর রানীদের জোর সব থেকে বেশি!'