/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/foreign-university-1-2025-08-09-19-24-12.jpg)
Career and Job: পড়া শেষ করলেই নিশ্চিত চাকরি।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/foreign-university-2-2025-08-09-19-24-28.jpg)
উচ্চশিক্ষা শেষে চাকরি
Career & Job: বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডা আজ বিশ্বজুড়ে শিক্ষার্থীদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। এখানকার শিক্ষা মান, গবেষণা সুযোগ এবং পড়াশোনার পাশাপাশি কেরিয়ার গড়ার সম্ভাবনা সবকিছু মিলিয়ে কানাডা শিক্ষার্থীদের জন্য এক স্বপ্নের দেশ। তবে শুধু কানাডায় পড়াশোনা করলেই হবে না — সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, স্নাতক শেষে আপনি কত দ্রুত চাকরি পাবেন, তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের ওপর। টাইমস হায়ার এডুকেশনের 'গ্লোবাল এমপ্লয়েবিলিটি' র্যাঙ্কিং অনুযায়ী কানাডার কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এমন রয়েছে, যেখান থেকে পড়াশোনা শেষে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। আসুন দেখে নেওয়া যাক সেই ৫টি সেরা বিশ্ববিদ্যালয় কোনগুলো।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/foreign-university-3-2025-08-09-19-26-17.jpg)
টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় (University of Toronto)
১৮২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি কানাডার সেরা এবং বিশ্বের অন্যতম নামী প্রতিষ্ঠান। এখানে ১৬০টিরও বেশি দেশের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে আসেন। চিকিৎসা, ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যবসা এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানে পড়াশোনার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষভাবে জনপ্রিয়। 'গ্লোবাল এমপ্লয়েবিলিটি' র্যাঙ্কিং-এ এটি বিশ্বে ১৪তম এবং কানাডায় ১ম স্থানে রয়েছে। এখানকার ৯০% শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জনের এক বছরের মধ্যেই চাকরি পান।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/foreign-university-4-2025-08-09-19-27-34.jpg)
ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় (McGill University)
১৮২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় কানাডার অন্যতম গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান। এখানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর হার ৩০%, যা কানাডায় সর্বাধিক। র্যাঙ্কিংয়ে এটি বিশ্বে ৩১তম এবং কানাডায় ২য় স্থানে। এখানকার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থায় দ্রুত চাকরি পেয়ে যান।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/foreign-university-5-2025-08-09-19-28-23.jpg)
ব্রিটিশ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (University of British Columbia)
১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের ১৪০টি দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসেন। ব্যবসা, অর্থনীতি, ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান এবং পরিবেশ বিজ্ঞানে এটি বিশেষভাবে প্রশংসিত। 'গ্লোবাল এমপ্লয়েবিলিটি' তালিকায় এটি কানাডায় ৩য় স্থানে রয়েছে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/foreign-university-6-2025-08-09-19-29-17.jpg)
মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয় (Université de Montréal)
১৮৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ফরাসি ভাষাভাষী বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত। এখানে মূলত ফরাসি ভাষায় পড়াশোনা হয়, তবে ইংরেজি মাধ্যমেও কিছু প্রোগ্রাম রয়েছে। চিকিৎসা, আইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ব্যবসা প্রশাসনে এটি অত্যন্ত সমাদৃত। স্নাতক হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে এখানকার ৯০% শিক্ষার্থী চাকরি পান। এছাড়াও রয়েছে ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় (McMaster University)। ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ম্যাকমাস্টার বিশ্ববিদ্যালয় ইঞ্জিনিয়ারিং ও ব্যবসায় পড়াশোনার জন্য পরিচিত। কানাডায় এটি চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনার ক্ষেত্রে ৫ম স্থানে রয়েছে। ১২০টিরও বেশি দেশের শিক্ষার্থীরা এখানে পড়াশোনা করেন।