/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-1-2026-01-17-22-13-06.jpg)
Migraine Relief: কীভাবে রেহাই পাবেন মাইগ্রেনের থেকে?
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-2-2026-01-17-22-13-22.jpg)
মাইগ্রেনের আক্রমণ
Natural Migraine Relief: মাইগ্রেন শুধুমাত্র একটি সাধারণ মাথাব্যথা নয়। যাঁরা এই সমস্যায় ভোগেন, তাঁরা জানেন এই ব্যথা কতটা তীব্র এবং দৈনন্দিন জীবনকে কতটা বিপর্যস্ত করতে পারে। অনেক সময় আলো, শব্দ বা সামান্য ক্লান্তিতেই মাইগ্রেনের আক্রমণ শুরু হয়ে যায়। যদিও দীর্ঘদিনের বা তীব্র মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি, তবু মাইগ্রেন শুরু হওয়ার মুহূর্তে কিছু প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায় রয়েছে যা তাৎক্ষণিকভাবে আরাম পেতে সাহায্য করতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-3-2026-01-17-22-13-22.jpg)
আলোয় সংবেদনশীলতা
মাইগ্রেনের একটি বড় লক্ষণ হল আলোতে সংবেদনশীলতা। মাথাব্যথা শুরু হলে উজ্জ্বল আলো বা স্ক্রিনের দিকে তাকানো যন্ত্রণা আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই এমন সময় নিজেকে একটি অন্ধকার ও শান্ত ঘরে নিয়ে যাওয়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলির মধ্যে অন্যতম। আলো কমিয়ে দেওয়া এবং শব্দ থেকে দূরে থাকা মস্তিষ্ককে কিছুটা বিশ্রাম দেয়, ফলে ব্যথার তীব্রতা ধীরে কমতে শুরু করে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-4-2026-01-17-22-13-22.jpg)
বমিভাব বা পেটের অস্বস্তি
মাইগ্রেনের সঙ্গে অনেকেরই বমিভাব বা পেটের অস্বস্তি দেখা যায়। এই ক্ষেত্রে আদা একটি পরিচিত প্রাকৃতিক উপাদান। হালকা আদা চা বা সামান্য কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে বমিভাব কমে এবং মাথার অস্বস্তি কিছুটা প্রশমিত হয়। আবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণ ক্যাফিন, যেমন এককাপ চা বা কফি, মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। তবে এখানে সতর্ক থাকা প্রয়োজন, কারণ অতিরিক্ত বা হঠাৎ ক্যাফিন কমানো–বাড়ানো মাইগ্রেনের ট্রিগার হতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-5-2026-01-17-22-13-22.jpg)
মাইগ্রেনের কারণ
পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং সঠিক ঘুম মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুব কম ঘুম বা অতিরিক্ত ঘুম—দুটিই মাইগ্রেনের কারণ হতে পারে। মাইগ্রেন শুরু হলে শুয়ে পড়া এবং শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া অনেক সময় ব্যথার তীব্রতা কমিয়ে দেয়। নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস মাইগ্রেনের আক্রমণের সংখ্যা কমাতেও সাহায্য করে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-6-2026-01-17-22-13-22.jpg)
ঠান্ডা বা গরম সেঁক
ঠান্ডা বা গরম সেঁক মাইগ্রেনের ব্যথা কমানোর একটি বহুল ব্যবহৃত উপায়। কপালে, কানের পাশের অংশে বা ঘাড়ের পেছনে ঠান্ডা সেঁক দিলে স্নায়ু কিছুটা অবশ হয়ে আসে এবং ব্যথা কম অনুভূত হয়। আবার যাঁদের ক্ষেত্রে ঘাড় বা কাঁধের পেশির টান থেকে মাইগ্রেন বাড়ে, তাঁদের জন্য হালকা গরম সেঁক বেশি আরামদায়ক হতে পারে। একটানা দীর্ঘ সময় নয়, বরং ১০–১৫ মিনিট করে সেঁক দেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-7-2026-01-17-22-13-22.jpg)
ডিহাইড্রেশন বা জলের ঘাটতি
ডিহাইড্রেশন বা শরীরে জলের ঘাটতি মাইগ্রেনের একটি বড় কারণ। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার ফলে মাথাব্যথা শুরু হচ্ছে। মাইগ্রেনের আক্রমণের সময় ধীরে ধীরে জল বা তরল পান করলে ব্যথার তীব্রতা কমতে পারে। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল পান করলে ভবিষ্যতে মাইগ্রেনের সম্ভাবনাও অনেকটাই কমে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/17/natural-migraine-relief-8-2026-01-17-22-13-22.jpg)
মাথা ও স্ক্যাল্প ম্যাসাজ
মাথা ও স্ক্যাল্প ম্যাসাজও মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে। আঙুলের ডগা দিয়ে কপাল, কানের পাশ এবং মাথার পেছনের অংশে হালকা চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করলে পেশির টান কমে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। এর ফলে ব্যথা কিছুটা প্রশমিত হয় এবং মনও শান্ত থাকে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us