/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-8-2026-01-07-23-47-17.jpg)
Waiting Room Anxiety: ওয়েটিং রুমে অপেক্ষার জেরে দুশ্চিন্তা? কমান সহজেই।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-1-2026-01-07-23-47-37.jpg)
ওয়েটিং রুম অ্যাংজাইটি
Waiting Room Anxiety: ওয়েটিং রুম অ্যাংজাইটি বলতে এমন এক ধরনের মানসিক অস্বস্তিকে বোঝায়, যা কোনও জায়গায় বসে অপেক্ষা করার সময় হঠাৎ করে গ্রাস করে। বিশেষ করে ডাক্তারের চেম্বার, পরীক্ষার ফলের অপেক্ষা, অফিসের ইন্টারভিউ, গাড়ি সার্ভিস সেন্টার কিংবা ভিড়ভাট্টা জনসমাগমে বুক ধড়ফড় করা, অস্থিরতা অথবা অজানা ভয় অনুভূত হওয়া। এটি শুধুমাত্র মানসিক নয়, শরীরেও এর প্রভাব স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-2-2026-01-07-23-47-37.jpg)
অনিশ্চয়তাই কারণ
অপেক্ষার ঘরে বসলে কেন এমন অস্বস্তি তৈরি হয়, তার অন্যতম কারণ হল অনিশ্চয়তা। কী ঘটতে চলেছে, ফলাফল কী হবে বা কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে—এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না জানা থাকলে মস্তিষ্ক পরিস্থিতিটিকে বিপদের সংকেত হিসেবে ধরে নেয়। এর ফলে শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে যায় এবং উদ্বেগ তৈরি হয়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-3-2026-01-07-23-47-37.jpg)
নানা ধরনের সংকেত
ওয়েটিং রুম অ্যাংজাইটি হলে শরীর নানা ধরনের সংকেত দিতে শুরু করে। কারও হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, কারও ঘাম হতে থাকে, আবার কেউ অস্থির হয়ে বারবার উঠতে বসতে থাকেন। এই সমস্যায় শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত পড়ে, পেশিতে টান ধরে কিংবা মাথা হালকা লাগার মত অনুভূতিও হতে পারে। এগুলি আসলে শরীরের স্বাভাবিক চাপ-প্রতিক্রিয়া হলেও, অপেক্ষার পরিবেশে এগুলো অনেক বেশি তীব্র মনে হয়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-4-2026-01-07-23-47-37.jpg)
উদ্বেগ কমানোর উপায়
এই ধরনের উদ্বেগ কমানোর একটি কার্যকর উপায় হল, বিশ্বস্ত কাউকে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া। পরিচিত ও কাছের মানুষের উপস্থিতি মনে নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করে। তাঁর সঙ্গে কথা বলা বা শুধু পাশে বসে থাকাই মানসিক চাপ অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে। প্রয়োজনে দু’জনে একসঙ্গে একটু বাইরে বেরিয়ে শ্বাস নেওয়াও উপকারী হতে পারে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-5-2026-01-07-23-47-37.jpg)
মানসিক চাপ কমে
অপেক্ষার সময় মনকে অন্যদিকে সরিয়ে রাখাও খুব কাজে আসে। বই পড়া, পত্রিকা দেখা, আঁকা, কিংবা চুইংগাম চিবোনোর মতো সাধারণ কাজ মনোযোগ সরিয়ে দেয়। অনেকের ক্ষেত্রে গান শোনা বা শব্দ নিয়ন্ত্রণকারী হেডফোন ব্যবহার করলেও মানসিক চাপ কমে যায়। এতে চারপাশের অস্বস্তিকর শব্দ থেকে মন দূরে থাকে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-6-2026-01-07-23-47-37.jpg)
ধীরে গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস
মানসিকভাবে নিজেকে শান্ত রাখার জন্য কিছু সহজ কৌশল অত্যন্ত কার্যকর। নিজের মনে মনে বলা যে এই সময়টা সাময়িক এবং শিগগিরই শেষ হবে, তা উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। চোখ বন্ধ করে নিরাপদ কোনও জায়গার কল্পনা করা কিংবা ধীরে গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস উদ্বেগের তীব্রতা অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/07/waiting-room-anxiety-7-2026-01-07-23-47-37.jpg)
প্রকৃতি বা শান্ত দৃশ্য দেখা
অপেক্ষার সময় প্রকৃতি বা শান্ত দৃশ্য দেখাও মানসিক স্বস্তি দেয়। মোবাইলে গাছপালা, নদী, পাহাড় বা প্রাণীর ছবি দেখা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ প্রকৃতির দৃশ্য মানুষের স্নায়ুকে শান্ত করে এবং মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us