/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/10/mq9wZBFxfGJrwptBJFix.jpg)
আজ জগদ্ধাত্রী পুজোর মহানবমী- ছবি উত্তম দত্ত
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/10/v9lRLFb9uPVExhNcfxtr.jpg)
আজ জগদ্ধাত্রী পুজোর মহানবমী, ছবি-উত্তম দত্ত
আজ জগদ্ধাত্রী পুজোর মহানবমী। আজ আবার রবিবার ছুটির দিন। তাই সকাল থেকেই শেষদিনে ঠাকুর দেখতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় চন্দননগরে। জিটি রোড ধরে এগোনো দুস্কর। রাজপথের দখল নিয়েছে মানুষ। তার সাথে পাল্লা দিয়ে যানবাহনের ভিড়। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতেই হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। মানকুন্ডু স্টেশন রোড এবং চন্দননগর স্টেশন রোড পুরোপুরি অচল। যত সময় এগোবে ততই ভিড় আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন পুজো কমিটিগুলি।
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/10/RAzr4K0LRehWt7Idnjuc.jpg)
চন্দননগর বোড়ো কালিতলার মন্ডপে থিকথিক করছে ভিড়, ছবি-উত্তম দত্ত
চন্দননগর বোড়ো কালিতলার মন্ডপে থিকথিক করছে ভিড় । রাজভবনের আদলে গড়ে উঠেছে এই মন্ডপ। স্থান পেয়েছে ৪ প্রাক্তন রাজ্যপালের ছবি। পদ্মজা নাইডু, কে.এন.কাটজু, চক্রবর্তী গোপালাচারী এবং ধর্মবীর । এছাড়াও মন্ডপ জুড়ে স্থান পেয়েছে কলকাতার কিছু ঐতিহ্যপূর্ণ স্থান। আসলে এখানে থিম টার নামই 'হেরিটেজ'। একটাই বার্তা। আমাদের পুরোনো স্মৃতি সৌধ গুলি রক্ষা করতে সরকার যেন উদাসীন না হন।
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/10/5G7ZaS0DUtyDQTzDLR5V.jpg)
বেশোহাটা সার্বজনীন এবার ৭৫ বছরে পা দিয়েছে, ছবি-উত্তম দত্ত
বেশোহাটা সার্বজনীন এবার ৭৫ বছরে পা দিয়েছে। প্লাটিনাম জুবিলী বর্ষে এবারে তাদের থিম," বন্দেব্রতকথম"। চন্দননগর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয় ১৯৫৪ সালে। ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হলেও চন্দননগর তখনও ফরাসি্দের দখলে ছিল। কানাইলাল দত্ত, মতিলাল রায়, সুহাসিনী গাঙ্গুলি, শ্রীশ চন্দ্র ঘোষ এর মত মহান বিপ্লবী দের নিরাপদ আশ্রয় ছিল এই চন্দননগর।
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/10/Hgyb2L6XkOxWlVvDZEUV.jpg)
স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দেবতার রূপ দেওয়া হয়েছে, ছবি-উত্তম দত্ত
ব্রিটিশ সরকারের অধীনে চন্দননগর না থাকার ফলে এই অগ্নিযুগের ভূমিপুত্র রা চন্দননগরের গোপন আস্তানায় বসেই দেশকে স্বাধীন করার উপায় খুঁজতেন। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের দেবতার রূপ দেওয়া হয়েছে। দেখা যাচ্ছে কালীর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র। মহাদেবের হাতেও তাই। চন্দননগরের শিল্পী শুভজিৎ পাত্র জানান, তাদের মন্ডপ নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছে মা কালীর হাতে কেন অস্ত্র থাকবে!বিতর্ক যাই হোক না কেন তাদের যে ভাবনা তা পুরোটাই দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য।
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/10/dTvSJl5sQCk7IhZEV0sr.jpg)
স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধা পুজোর থিমে ছবি-উত্তম দত্ত
মা কালী রূপে আমরা যাকে দেখছি তিনি আসলে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, আর যে মহাদেবের হাতে বন্দুক রয়েছে তিনি হলেন ক্ষুদিরাম।
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/11/10/J4BLUHYIfFgxB2qbzj9l.jpg)
অন্য ধরনের মুখ এবার দৈবকপাড়াতে, অন্য ধরনের মুখ এবার দৈবকপাড়া তে
হাটখোলা দৈবকপাড়ার দেবীর মূর্তি একেবারেই অন্যরকম করেছেন উদ্যোক্তারা। যা অনেকেরই নজর কাড়ছে।