-
রাত পোহালেই ১৫ই অগস্ট। প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের আগে জাতীয় পতকার চাহিদা থাকে অনেক। করোনার কারনে স্কুল কলেজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব এখন বন্ধ। এক্সপ্রেস ফটো-শশী ঘোষ
-
ফলে গত বছর থেকে বিক্রি নেই পতাকার। এই বছর ২৬শে জানুয়ারিতে বিক্রিও কমে গিয়েছিল অনেকটাই। এক্সপ্রেস ফটো-শশী ঘোষ
-
তবে এবার ১৫ই অগস্ট এর জাতীয় পতাকা কেনার ভিড় বেড়েছে কলকাতার বড় বাজারে। ব্যবসায়ীদের একাংশের বক্তব্য, করোনা আবহে মানুষ প্রথমে ভয় পেয়েছিল কিন্তু কতদিন এভাবে বসে থাকবে! এখন মানুষ পতাকা কিনতে আসছে, তাই আমাদের আশা, এবার ভালো পরিমাণে পতাকা বিক্রি হবে। এক্সপ্রেস ফটো-শশী ঘোষ
-
ইতিমধ্যে ধীরে ধীরে বাজার চড়তে শুরু করেছে। আর সেই কারণে আমরা বেশি করে পতাকা তৈরির বরাত দিয়েছি। বড়বাজারের ওল্ড চায়না বাজার স্ট্রিট, পগেয়া পট্টি, পণ্ডিত পুরুষোত্তম রায় স্ট্রিট ও জ্যাকসন লেন প্রভৃতি এলাকার দোকানগুলোতে প্রচুর পরিমাণে জাতীয় পতাকা মজুত রাখা রয়েছে। এক্সপ্রেস ফটো-শশী ঘোষ
-
সেই তালিকায় রয়েছে সিল্ক, তাঁত ও প্লাস্টিকের পতাকা। এছাড়াও বিভিন্ন দোকানে রাখা হয়েছে ৫০ ও ১০০ বান্ডিলের ছোট সাইজের কাগজের পতাকা। বিক্রি হচ্ছে তিনরঙা ব্যাজ ও স্ট্যান্ড লাগানো জাতীয় পতাকা। এক্সপ্রেস ফটো-শশী ঘোষ
-
বিভিন্ন ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা এসে পাইকারি বাজার থেকে ডজন হিসেবে কিনছেন নানা মাপের জাতীয় পতাকা। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন ১৫ আগস্টের সকালে পতাকার চাহিদা আরও বাড়বে বলে জানলেন তারা। এক্সপ্রেস ফটো-শশী ঘোষ
-
এই বছর লকডাউনের জন্যে এখনো ট্রেন চালু হয়নি। অনেক ব্যবসায়ীরা পাইকারি বাজারে আসতে পারছেন না। যদি ট্রেন চালু থাকতো তবে আরও অনেক মানুষ আসতে পারতেন বলে মনে করছেন বড় বাজারের ব্যবসায়ীরা। এক্সপ্রেস ফটো-শশী ঘোষ