scorecardresearch

বড় খবর

বিরাট চমক! মুলায়মের ফাঁকা আসনে ডিম্পলকে প্রার্থী করল সমাজবাদী পার্টি

মইনপুরী বরাবরই সমাজবাদী পার্টির শক্ত ঘাঁটি।

বিরাট চমক! মুলায়মের ফাঁকা আসনে ডিম্পলকে প্রার্থী করল সমাজবাদী পার্টি

গত মাসেই মারা গিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রাক্তন সুপ্রিমো মুলায়ম সিং যাদব। তিনি মইনপুরি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ছিলেন। সেই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল সমাজবাদী পার্টি। দলের সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব এই আসনে প্রার্থী করলেন স্ত্রী ডিম্পল যাদবকে। মইনপুরী বরাবরই সমাজবাদী পার্টির গড় বলে পরিচিত। আর ডিম্পল প্রাক্তন সাংসদ।

সুতরাং ডিম্পলকে প্রার্থী করা নিয়ে নতুনত্ব কিছু নেই। তাছাড়া এটা মোটামুটি নিশ্চিত বিষয়ই ছিল যে যাদব পরিবারেরই কেউ মইনপুরী থেকে প্রার্থী হবেন। তবে, এই আসনে কে প্রার্থী হবেন ডিম্পল না অখিলেশের খুড়তুতো ভাই তেজপ্রতাপ যাদব, তা নিয়ে একটা জল্পনা চলছিল। তেজপ্রতাপকে নিয়ে জল্পনার কারণ, ২০১৪ সালে তেজপ্রতাপ এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন।

সেই সময় মুলায়ম দুটি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। দুটি আসনে জয়ের জেরে এই মইনপুরী কেন্দ্রটি তাঁকে ছাড়তে হয়েছিল। দলের একাংশের দাবি, মইনপুরীর সপা নেতা-কর্মীদের একাংশ তেজপ্রতাপের ওপর ক্ষুব্ধ। সেই কারণেই অখিলেশ স্ত্রী ডিম্পলের দিকে ঝুঁকতে বাধ্য হলেন।

এই প্রসঙ্গে সমাজবাদী পার্টির এক নেতা বলেন, ‘মইনপুরীর সাংসদ থাকাকালীন তেজপ্রতাপ তাঁদের জন্য কিছুই করেননি। তেজপ্রতাপ এখানে প্রার্থী হলে জনতার ক্ষোভের জেরে বেশ কিছু ভোট তাঁর বিরুদ্ধে যেত। সেই কারণে ডিম্পলের ওপর বাজি ধরা অনেক বেশি নিরাপদ বলেই মনে করেছেন অখিলেশ। কারণ, মইনপুরীর জনতার কাছে ডিম্পলের পরিচয় তিনি পুত্রবধূ। আর, তাঁরা শ্বশুরের মৃত্যুর পর পুত্রবধূ যাতে আসনটি ধরে রাখতে পারে, সেজন্য ডিম্পলকে ভোট দিতে দ্বিধা করবেন না। তার জেরেই ডিম্পল এই আসনে ভালোভাবেই উতরে যাবেন।’

আরও পডু়ন- শব্দের চেয়েও পাঁচগুণ দ্রুতগামী ক্ষেপণাস্ত্র বানিয়েছে ইরান, দাবি তেহরানের সেনাকর্তার

১৯৯৯ সালে অখিলেশের সঙ্গে ডিম্পলের বিয়ে হয়। কিন্তু, দলে ডিম্পল কোনওদিনই সক্রিয় ছিলেন না। ২০০৯ সালে নির্বাচনের দুনিয়ায় তিনি প্রথম পা রাখেন। সেই বছর ফিরোজাবাদ উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন ডিম্পল। কিন্তু, সেইবার রাজ বব্বরের কাছে হেরে গিয়েছিলেন। রাজ বব্বর সেইবার কংগ্রেসের টিকিটে ফিরোজাবাদ থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন।

এরপর ২০১২ এবং ২০১৪ সালে ডিম্পল দু’বার কনৌজ লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন। দুই বারই তিনি জয় হন। গত লোকসভা নির্বাচনে, ২০১৯ সালে তিনি বিজেপির সুব্রত পাঠকের কাছে ২১ হাজার ভোটে কনৌজে হেরে যান। ডিম্পলের মা ও বাবা দু’জনেই ঠাকুর পরিবারের। সেই কারণে, সমাজবাদী পার্টির অনেকেরই ধারণা, মইনপুরীর ঠাকুররাও এই উপনির্বাচনে ডিম্পলকেই ভোট দেবেন।

Read full story in English

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Politics news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Akhilesh tries to checkmate uncle shivpal