শনিবারই পদ্ম ছেড়ে জোড়াফুলে যোগ দিয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়। প্রথম একাদশে সুযোগ পাননি বলেই দলবদল করলেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। রবিবার ক্যামাক স্ট্রিটে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের অফিসে সাংবাদিক বৈঠক করেন বাবুল। সেই বৈঠকেই তাঁর দলবদলের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন এই তারকা রাজনীতিবিদ। এবার তৃণমূলের হয়েই বঙ্গ রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চান তিনি, রাখঢাক না রেখে এদিন সেকথাই জানিয়েছেন আসানসোলের সাংসদ। একইসঙ্গে তাঁকে সুযোগ দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাবুল। তবে সাংবাদিকদের বেশ কিছু তীক্ষ্ম প্রশ্নের জবাব সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
সাংবাদিক বৈঠকে এদিন ঠিক কী বললেন বাবুল? , দেখে নিন একনজরে –
- “মাত্র ৩-৪ দিনের মধ্যেই দলবদলের সিদ্ধান্ত।”
- “তৃণমূলে যোগদানে অনুঘটক ডেরেক।”
- “‘প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ।”
- “প্রথম একাদশেই থাকতে চাই।”
- “কাউকে কিছু প্রমাণ করার নেই।”
- “ট্রোলড হবো জানা সত্ত্বেও দলবদল করেছি। একটা সুযোগ এসেছে কাজে লাগাতে চাই।”
- “রাজনীতি ছাড়ার বিয়টি ইমোশনানাল ছিল না।”
- “আমি খুব খুশি। বাংলার জন্য কাজের সুযোগ পেয়েছি। তৃণমূলের দেওয়া সুযোগ ব্যবহার করেছি।”
- “মমতা দিদি দেশের নেত্রী হয়ে উঠছেন।”
- “আমার রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়নি।”
- “প্রথমবার গায়ক হিসেবে মানুষ ভোট দিয়েছেন।”
- “দ্বিতীয়বার কিন্তু কাজের নিরিখে জিতেছি।”
- “ঝালমুড়ি খাওয়াটা সৌজন্যের রাজনীতি ছিল, মানুষের কাজে প্রয়োজনে বিজেপির সঙ্গে ধোকলাও খাব।”
- “আমি ইতিহাস তৈরি করিনি।”
- “ভবানীপুরে দিদি এমনিই জিতবেন।”
- “শুভেন্দু তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়েছেন।”
- “আমি বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেছি।”
- “আমাদের দু’জনের জন্মদিন এক।”
- “আমরা সবাই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ।”
- “আমি বুধবার লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে দেখা করব।”
- “সম্ভব হলে বুধবারই সাংসদ পদ থেকে পদত্যাগ করব।”
- “বিরোধী মুখ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শক্তিশালী মুখ। বিরোধী নেতারাও মানেন।”
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন