/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2023/09/INDIA-Alliance-Meeting.jpg)
২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর, মুম্বইয়ের গ্র্যান্ড হায়াত-এ 'ইন্ডিয়া' জোটের বৈঠক চলাকালীন মঞ্চে উপস্থিত মন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদরা। (অমিত চক্রবর্তীর এক্সপ্রেস ছবি)
শীঘ্রই আসন ভাগাভাগি শুরু করবে ইন্ডিয়া জোট। এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দলগুলো শীঘ্রই আলোচনা করবে। বুধবার ইন্ডিয়া জোটের কোঅর্ডিনেশন কমিটির প্রথম বৈঠকের পর এমনটাই জানালেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। নয়াদিল্লিতে জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) সভাপতি শরদ পাওয়ারের বাসভবনে বুধবার বসেছিল কোঅর্ডিনেশন কমিটির প্রথম বৈঠক। বৈঠক শেষে ১২ জন বিরোধী নেতার স্বাক্ষরিত একটি যৌথ বিবৃতিতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে জাতিশুমারি ইস্যুটি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জোট আরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সদস্য দলগুলো দেশজুড়ে যৌথ জনসভা করবে। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ভোপালে জোটের প্রথম যৌথ জনসভা হবে। এর আগে, বিরোধীদের বৈঠকের নিন্দা করে, বিজেপি সনাতন ধর্ম নিয়ে মন্তব্যের জন্য বিরোধীদের বিরুদ্ধে চাপ বজায় রাখার চেষ্টা করে। একইসঙ্গে জোটের বুধবারের বৈঠককে, 'হিন্দু-বিরোধী সমন্বয় কমিটির' একটি সমাবেশ বলে অভিযোগ করেছে। এমনটাই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই।
টিএমসি সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুধবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল। তিনি বুধবারের বৈঠক এড়িয়ে গেছেন। বৈঠকে যোগ দেননি জেডি (ইউ)-এর হেমন্ত সোরেন এবং লালন সিং-ও। তবে, উপস্থিত ছিলেন কেসি ভেনুগোপাল (কংগ্রেস), টি আর বালু (ডিএমকে), সঞ্জয় রাউত (শিবসেনা–ইউবিটি), তেজস্বী যাদব (আরজেডি), রাঘব চাড্ডা (আপ), জাভেদ আলি খান (সপা), সঞ্জয় ঝা (জেডিইউ), ডি রাজা (সিপিআই), ওমর আবদুল্লা (এনসি) এবং মেহবুবা মুফতি (পিডিপি)।
আরও পড়ুন- বিরাট অভিযোগ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী স্ত্রীর সংস্থাকে ১০ কোটি কেন্দ্রীয় ভর্তুকি দিয়েছে মোদী সরকার!
সিপিএমের তরফ থেকেও এই বৈঠকে তাঁদের এক প্রতিনিধির থাকার কথা ছিল। কিন্তু, সিপিএম এখনও পর্যন্ত তাদের প্রতিনিধির নাম চূড়ান্ত করতে পারেনি। যদিও সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি আগেভাগে গিয়ে শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বুধবারই দেখা করে এসেছেন। আবার সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, বিভিন্ন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই কমিটির মাথায় থাকায় তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবেই বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন। তবে, বৈঠক শেষে সমন্বয় কমিটির সদস্যরা যৌথ ঘোষণাপত্রে জোটের কর্মসূচির দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্তার প্রতিবাদ করেছেন। সেই প্রতিবাদপত্রে স্বাক্ষর করেছেন প্রবীণ বামনেতা সিপিআইয়ের ডি রাজাও।