/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2021/03/Untitled-design-2021-03-17T191142.279-1.jpg)
১৯ জুলাই থেকে থেকে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন।
Parliament Monsoon Session: পেগাসাস নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি খারিজ করে দিল মোদী সরকার। শুক্রবার সংসদ বিষয়কমন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেছেন, ‘পেগাসাস বিতর্ক কোনও ইস্যু নয়। বরং জনস্বার্থে কোনও ইস্যুকে নিয়ে সংসদে আলোচনায় রাজি সরকার।‘ আঁড়িপাতা-কাণ্ডে বিরোধীদের আচরণ দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য করে তাঁর আবেদন, ‘সংসদ চালাতে সহযোগিতা করুক বিরোধী দলগুলো।‘
ইতিমধ্যে এই ঘটনায় সংসদের দুই কক্ষে বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী। তারপরেও প্রয়োজনে তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রীর বিবৃতির নিয়ে কৈফিয়ত তলব করতে পারেন বিরোধীরা। কিন্তু বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা না করে সরকার সংসদে কোনও বিল পাস করতে চায় না। এদিন জানান সংসদবিষয়ক মন্ত্রী। এদিকে, পেগাসাস-কাণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলা আগামি সপ্তাহে শুনতে দিনক্ষণ ধার্য করল শীর্ষ আদালত। সংসদের বাদল অধিবেশন আঁড়িপাতা কাণ্ডে দফায় দফায় বিঘ্নিত হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি দুই কক্ষের অধিবেশন। এই কাণ্ডে সংসদের বাইরে সরকার পক্ষকে চেপে ধরতে রণকৌশল বৈঠক করেছে বিরোধী শিবির। কংগ্রেসের নেতৃত্বে হওয়া সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।
এবার সুপ্রিম কোর্ট জনস্বার্থ মামলার আবেদনে সাড়া দিলে আরও বিপাকে পড়বে মোদী সরকার। কোনও বিচারপতি বা অবসরপ্রাপ্ত বিচারতির নেতৃত্বে সিট গঠন করে এই অভিযোগের তদন্ত হোক। এই আবেদন সুপ্রিম কোর্টে করেছেন দুই প্রবীণ সাংবাদিক এন রাম এবং শশী কুমার। তাঁদের আইনজীবী কপিল সিবাল প্রধান বিচারপতিকে আবেদন করেছেন মামলা শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করতে। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
অপরদিকে, সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর সপ্তম দিনেও বিরোধী হল্লায় দফায়-দফায় মুলতুবি হয়েছে দুই কক্ষের অধিবেশন। পেগাসাস ইস্যুকে হাতিয়ার করেই বৃহস্পতিবার সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলের সাংসদরা। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় সংসদের অচলাবস্থায় উষ্মা প্রকাশ করেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। প্রয়োজনে সংসদের মর্যাদাহানির দায়ে অভিযুক্ত সাংসদদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। কিন্তু তাতেও কমেনি বিরোধী ঝাঁঝ।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন