/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/03/mamata-rally-759.jpg)
লোকসভা নির্বাচনের মুখে মারোয়াড়ি সামজের হোলি উতসবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি প্রসঙ্গে অনেকেই 'রাজনীতি করার' অভিযোগ তুলেছেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাখির চোখ এখন দিল্লির মসনদ। মঙ্গলবার কালীঘাটে নিজের বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিনই ফের তা স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা এই মুহূর্তে জাতীয় স্তরে অন্যতম বিরোধী নেত্রী মমতা। মমতা এদিন বলেন, "অখিলেশ-মায়াবতী ডাকলে মোদীর কেন্দ্র বারাণসীতেও প্রচার করতে যাব।" দিল্লির কুর্সি থেকে মোদী সরকারকে হঠাতে মমতা যে রীতিমতো আদাজল খেয়ে লেগেছেন, এদিনের এই মন্তব্য থেকেই তা স্পষ্ট বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
এদিন রাজ্যের ৪২টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দলের 'সর্বভারতীয়' পরিচয় তুলে ধরতে বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, আসামে ছটি কেন্দ্রে লড়বে তৃণমূল। ঝাড়খণ্ডে চার থেকে পাঁচটি, বিহারে দুটি এবং আন্দামানের লোকসভা কেন্দ্রেও লড়াই করবে তৃণমূল কংগ্রেস।
আরও পড়ুন: তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত, কোথায় কোন প্রার্থী?
পশ্চিমবঙ্গের বাইরে প্রায় প্রতিটি রাজ্যের জন্য নির্দিষ্ট নেতাদের দায়িত্ব দিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ওড়িশার দায়িত্বে থাকতে চলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুব্রত বক্সী। অসমে দলের পর্যবেক্ষক হিসাবে থাকবেন মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (ববি)। অনিতা মণ্ডলকে দেওয়া হয়েছে আন্দামানের দায়িত্ব।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us