/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/21/bengal-football-team-2026-01-21-20-29-49.jpg)
জয়ের পর উল্লাস বাংলা ফুটবল দলের
Bengal Football Team: ২০২৫-২৬ সন্তোষ ট্রফির (Santosh Trophy 2026) শুরুটা বেশ ভালই করল বাংলা ফুটবল দল। প্রথম ম্য়াচে তারা নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। অসমের গুয়াহাটিতে আয়োজিত এই ম্য়াচে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দিলেন সঞ্জয় সেনের ছেলেরা। উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যকে ৪-০ গোলে হারিয়ে দিল বঙ্গ ব্রিগেড। জয়ের পর দলের পারফরম্যান্সে স্বাভাবিকভাবে খুশি সঞ্জয় সেন (Sanjay Sen)। যদিও এখনই উচ্ছ্বাসের জোয়ারে তিনি ভেসে যেতে চান না।
আরও পড়ুন:
Top 5 East Bengal Footballer: সুপার কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, নেপথ্যে এই ৫ ফুটবলারের অসামান্য লড়াই
একটা ছোট্ট তথ্য আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করা যাক। চলতি সন্তোষ ট্রফি খেলার জন্য বাংলা ফুটবল দলকে যে হোটেলে রাখা হয়েছে, সেখান থেকে স্টেডিয়ামের দুরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার। এই দীর্ঘ সফর কাটিয়ে বাংলার ফুটবলাররা কেমন পারফরম্য়ান্স করবেন, তা নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছিলেন। কথায় বলে, প্রস্তুতি যদি সঠিক হয়, তাহলে কোনও প্রতিবন্ধকতাই আর কঠিন বলে মনে হয় না। আজ বাংলা ফুটবল দল যেন এই কথাটাই নিজেদের ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে ফুটিয়ে তুলল।
আরও পড়ুন:
প্রথমার্ধে জোড়া গোলে এগিয়ে যায় বাংলা
এবার ম্য়াচের কথায় আসা যাক। বুধবার আয়োজিত এই ম্য়াচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুধুমাত্র বঙ্গ ফুটবলারদেরই রাজত্ব দেখতে পাওয়া গেল। একেবারে শুরুতেই (২ মিনিট) বাংলার হয়ে গোলের দরজা খুলে দেন রবি হাঁসদা। সত্যি কথা বলতে কী, এই গোলের পরই বাংলার ফুটবলাররা ম্য়াচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নেন। এরপর ৩৩ মিনিটে বাংলার হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করলেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। দুর্দান্ত একটি হেডে দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান তিনি। এই গোলের ৪ মিনিটের মধ্যে সুযোগ আসে নাগা ফুটবলারদের কাছেও। কিন্তু, সেই সুযোগ এবং গোলের মধ্যে কার্যত প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলার গোলকিপার সোমনাথ দত্ত। তাঁর অনবদ্য সেভ বাংলার উপর কোনও বিপদের আঁচ আসতে দেয়নি। প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনও দলই আর গোল করতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
ম্যাচের সেরা সায়ন
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও প্রায় একই ছবি দেখতে পাওয়া গেল। বাংলার ফুটবলাররা আরও শানিত পারফরম্য়ান্স উপহার দিলেন। ৪৮ মিনিটে বাংলার হয়ে তৃতীয় গোলটি করলেন আকাশ হেমব্রম। বঙ্গ ব্রিগেডের একের পর এক আক্রমণে নাগাল্যান্ডের ডিফেন্স কার্যত চুরমার হয়ে যায়। অবশেষে এই ম্য়াচে বাংলার হয়ে চতুর্থ গোলটি করলেন আকিব নবাব। । ৯০ মিনিটে তিনি নাগাল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেকটা পুঁতে দেন। সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয় ম্য়াচ সেরার পুরস্কার।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us