/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/03/abhishek-sharma-24-2026-03-03-22-16-13.jpg)
সমালোচনার যোগ্য জবাব দিতে পারবেন অভিষেক শর্মা?
India vs England: ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ (ICC T20I World Cup 2026) সেমিফাইনালে ইতিমধ্যে নিজেদের আসন পাকা করে ফেলেছে টিম ইন্ডিয়া (Indian Cricket Team)। কিন্তু, একথা স্বীকার করতে কোনও বাধা নেই যে এখনও টিম ইন্ডিয়ার মধ্যে বেশ কিছু দুর্বলতা রয়েছে। প্রত্যেকটা ম্য়াচেই এই দুর্বলতাগুলো খালি চোখে দেখতে পাওয়া যায়। আর সেকারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইট পর্বেও তারা হেরে গিয়েছিল।
কিন্তু, এবার সামনে সেমিফাইনালের লড়াই। আগামী ৫ মার্চ সূর্য অ্যান্ড কোম্পানি শক্তিশালী ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। এই পরিস্থিতিতে যদি নিজেদের দুর্বলতাগুলো টিম ইন্ডিয়া ঢাকতে না পারে, তাহলে ইংল্যান্ড চোখ বন্ধ করে সেই অ্যাডভান্টেজ তুলবে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল এই টুর্নামেন্টে গত ৭ ম্য়াচের মধ্যে ছ'টাতেই জয়লাভ করেছে। এবার এই দুর্বলতাগুলো কী কী, সেই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
আরও পড়ুন:
ওপেনিং পার্টনারশিপ
টিম ইন্ডিয়ার সবথেকে বড় দুর্বলতা হল ওপেনিং পার্টনারশিপ। এই টুর্নামেন্টে প্রথম দিকে অভিষেক এবং ঈশানের বাঁ-হাতি কম্বিনেশনে ভারতীয় ওপেনিং জুটি দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু, বিপক্ষ দলের অফ-স্পিনাররা এই জুটি হেলায় ভেঙে দিয়েছেন। এরপর এন্ট্রি নেন সঞ্জু স্য়ামসন। তাও পাওয়ারপ্লে চলাকালীন টিম ইন্ডিয়া নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে শুরু করে। গোটা টুর্নামেন্টে ভারতের ওপেনিং জুটি এখনও পর্যন্ত শুরুটা ভাল করতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
পাওয়ার প্লে চলাকালীন উইকেটের পতন
টিম ইন্ডিয়ার দ্বিতীয় দুর্বলতা হল পাওয়ার প্লে চলাকালীন উইকেটের পতন। পাওয়ার প্লে'র মধ্যে কখনও একটি, কখনও আবার তিনটে উইকেটও হারিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। যদি সেমিফাইনাল ম্য়াচে এই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখা যায়, তাহলে ইংল্যান্ড চাপ তৈরি করে ভারতকে অবশ্যই ব্যাকফুটে ঠেলে দেবে। এই পরিস্থিতিতে পাওয়ার প্লে'তে একটা ভাল সূচনা টিম ইন্ডিয়াকে বড় রানের দিকে এগিয়ে দেবে।
আরও পড়ুন:
খারাপ ফিল্ডিং
এছাড়া খারাপ ফিল্ডিং নিয়ে তো ইতিমধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এবারের টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দল যথেষ্ট খারাপ ফিল্ডিং করছে। যদি সেমিফাইনাল ম্য়াচে টিম ইন্ডিয়া অতিরিক্ত রান দিয়ে ফেলে, তাহলে চরম বিপাকে পড়তে হবে। এখনও পর্যন্ত ভারতীয় ফিল্ডাররা এবারের বিশ্বকাপে মোট ১৩ ক্যাচ ফসকেছে। বাকি দলগুলোর তুলনায় এটাই সর্বাধিক। সূর্য অ্যান্ড কোম্পানির ক্যাচিং দক্ষতা মাত্র ৭১.৭ শতাংশ। সুপার এইট পর্বে যা একেবারেই খারাপ।
আরও পড়ুন:
অভিষেক এবং সূর্যের ফর্ম
অভিষেক শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটিং ফর্মও টিম ইন্ডিয়ার অন্যতম বড় দুর্বলতা। এখনও পর্যন্ত ৬ ম্য়াচে অভিষেক এবং সূর্যের ব্যাট থেকে মাত্র একটি করে হাফসেঞ্চুরি বেরিয়ে এসেছে। দুজনেই দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ার কারণে টিম ইন্ডিয়ার মিডল অর্ডারে দ্বিগুণ চাপ তৈরি হচ্ছে। গত ম্য়াচে অভিষেক শর্মা মাত্র ১৫ রান করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। প্রথম তিনটে ম্য়াচে তো তিনি রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
আরও পড়ুন:
India in World Cup Semifinal: নাক কেটেও শিক্ষা হয়নি আমিরের, সেমিফাইনালের আগে ফের উগরে দিলেন বিষ!
বোলিং ডিপার্টমেন্টেও একটি দুর্বলতা
ভারতীয় বোলিং ডিপার্টমেন্টেও দুর্বলতা নজরে এসেছে। এই দলটা জসপ্রীত বুমরাহের উপরে সিংহভাগ নির্ভরশীল। লিগ পর্বে টিম ইন্ডিয়ার মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী যথেষ্ট ভাল পারফরম্য়ান্স করেছিলেন। কিন্তু, সুপার এইট পর্বে তাঁর পরিসংখ্যান খারাপ হয়ে গিয়েছে। আর্শদীপ শুরুর দিকে তাঁর সুইং ডেলিভারিতে ব্যাটারদের পরাস্ত করলেও, ডেথ ওভারে যথেষ্ট রান দিয়ে ফেলেন তিনি। হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল এবং শিবম দুবের বোলিংয়ে কোনও নির্ভরতা দেখতে পাওয়া যায়নি।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us