/indian-express-bangla/media/media_files/2025/07/21/india-vs-pakistan-2025-07-21-18-14-12.jpg)
টি-২০ বিরুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না বলে জানিয়েছে পাকিস্তান
India vs Pakistan: ২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপ (ICC T20I World Cup 2026) শুরু হওয়ার আগেই একটা চাঞ্চল্যকর খবর পেয়েছেন ক্রিকেট সমর্থকরা। পাকিস্তান সরকারের (Pakistan Government) পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে, তাদের দল আইসিসি-র এই মেগা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে। তবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় আয়োজিত ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচটি তারা বয়কট করবে। পাকিস্তানের (Pakistan Cricket Team) এই সিদ্ধান্তে গোটা বিশ্বের ক্রিকেট সমর্থকরা একটা বড়সড় ধাক্কা খেয়েছেন। এই হাইভোল্টেজ ম্য়াচের জন্য অনেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে ছিলেন। তাঁরা কার্যত হতাশায় ভেঙে পড়েছেন।
আরও পড়ুন:
তবে ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা একেবারেই নতুন এবং অনভিপ্রেত নয়। রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে আগেও বেশ কয়েকবার ক্রিকেট ম্য়াচ বয়কটের নজির রয়েছে। আসুন, জেনে নেওয়া যাক যে পাকিস্তান এখনও পর্যন্ত কতবার ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচ বয়কট করেছে। আর টি-২০ বিশ্বকাপের এই ম্য়াচটি বয়কট করলে পাকিস্তানের কী কী ক্ষতি হতে পারে।
আরও পড়ুন:
কবে-কবে ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচ বয়কট করেছে পাকিস্তান?
নিরাপত্তা এবং ICC-র সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যে আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে আয়োজিত ম্য়াচটি বয়কটের ঘোষণা করেছে। ইতিপূর্বে, বেশ কয়েকবার ভারতে আয়োজিত আইসিসি ইভেন্ট না খেলার হুমকি দিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু, কোনও বিশ্বকাপের আসরে ম্য়াচ বয়কটের সিদ্ধান্ত তারা এই প্রথমবার নিল। এর আগে পাকিস্তান কখনও কোনও আইসিসি ইভেন্টে ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচ বয়কট করেনি। যদিও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে বেশ কয়েকবার ভারত বনাম পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বাতিল হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
IND vs PAK Match Controversy: ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না? জয় শাহের পালটা চালে কুপোকাত পাকিস্তান
বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান
এই সিদ্ধান্তের কারণে গ্রুপ পর্বেই পাকিস্তান ক্রিকেট দল ২ পয়েন্ট হাতছাড়া করবে। কারণ, ধরে নেওয়া হবে যে এই ম্যাচটি ফোরফিট হয়েছে। অন্যদিকে, ভারত বিনা লড়াইয়ে ২ পয়েন্ট নিজেদের ঝুলিতে পুরে ফেলতে পারবে। শুধু তাই নয়, এই ম্য়াচটি না খেলার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে পারে। এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য কোনও অর্থ আইসিসি-র থেকে পাবে না পাকিস্তান। বোর্ডের উপার্জনের সিংহভাগই এই টাকা থেকে আসে। অন্যদিকে, আইসিসি-র চুক্তি লঙ্ঘন করার জন্য পাকিস্তানের বার্ষিক রেউনিউ শেয়ারের উপরেও প্রভাব পড়তে পারে। এর পাশাপাশি অন্য দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজও সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, এশিয়া কাপ থেকে পাকিস্তানকে বের করে দিতে পারে আইসিসি। ২০২৮ সালে মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের আসর পাকিস্তানে বসতে চলেছে। এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্বও কেড়ে নেওয়া হতে পারে। পাকিস্তান সুপার লিগে বিদেশি ক্রিকেটারদের NoC দেওয়ার ক্ষেত্রে আইসিসি নেতিবাচক মনোভাব গ্রহণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান সুপার লিগের ভ্যালু এবং স্টার পাওয়ার অনেকটাই কমে যাবে। আপাতত পাকিস্তান যে ভারতের বিরুদ্ধে ম্য়াচ বয়কট করছে, তার একটা আর্থিক ধাক্কা আইসিসি-র উপর অবশ্যই পড়বে। কারণ, ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জনপ্রিয়তা যে কতখানি হাইভোল্টেজ হয়, সেটা আর আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না। আইসিসি-র সেই উপার্জন হয়ত কিছুটা ধাক্কা খাবে। কিন্তু, এই সিদ্ধান্তের পরিণতি পাকিস্তানের জন্যও খুব একটা সুখদায়ক হবে না।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us