/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/09/bengal-cricket-team-2025-12-09-16-47-55.jpg)
বিমান দুর্ভোগে বিপর্যস্ত বাংলার অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল
Indigo Flight Cancellation: ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা বিপর্যয়ের কারণে গোটা দেশ আপাতত চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হচ্ছে। ইন্ডিগোর (Indigo Airlines) দাবি, তাদের সংস্থায় নাকি কর্মীসংখ্যা একেবারেই কম। সেকারণে আর কাজ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। গত ২ ডিসেম্বর থেকে গোটা দেশজুড়ে যাত্রীদের দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৫,০০০ বিমান বাতিল হয়ে গিয়েছে। ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেট মরশুমেও এই দুর্ভোগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে কুচবিহার ট্রফি চলছে। আর এই ট্রফিতে চতুর্থ রাউন্ডের ম্য়াচ খেলার জন্য বাংলার অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে (Bengal Cricket Team) ভিলাই থেকে কল্যাণী বাসে চেপে আসতে হয়েছে।
বাংলা ক্রিকেট দলের দুর্ভোগ
গত বৃহস্পতিবার ছত্তিশগড় বনাম বাংলা ক্রিকেট দলের ম্য়াচ শেষ হয়। এরপর ফেরার সময়ই দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয় বাংলা ক্রিকেট দলকে। ভিলাই থেকে কলকাতার দুরত্ব প্রায় ৩০ ঘণ্টার। আর পরিস্থিতির চাপে এত লম্বা একটা যাত্রাপথ সাধারণ ভলভো বাসে চেপেই আসতে হয়। এমন বিপাকে পড়ে রীতিমতো রেগে গিয়েছেন বাংলা অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ সৌরাশিস লাহিড়ী।
তিনি বলেন, 'এমন একটা পরিস্থিতি রীতিমতো ভয়ঙ্কর। বিসিসিআই একদিন করে ম্য়াচ পিছিয়ে দেওয়ার কথাও চিন্তাভাবনা করছিল। যদিও শেষপর্যন্ত তা করতে হয়নি। প্রত্যেকটা ভেন্যুতেই নির্ধারিত সময়ে খেলা শুরু করা সম্ভব হয়েছে। গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে চতুর্থ রাউন্ডের খেলা। তবে আমাদের শারীরিক ধকলটা অন্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি হয়েছে। প্রায় ৩০ ঘণ্টা বাস জার্নি করে আমাদের দলের ক্রিকেটাররা খেলতে নেমেছে। সেকারণে ওরা প্রত্যেকেই যথেষ্ট ক্লান্ত।'
৩০ ঘণ্টার বাস যাত্রা
এই প্রসঙ্গে আপনাদের জানিয়ে রাখি, বৃহস্পতিবার রাত ১টায় বাস যাত্রা শুরু করে বাংলা ক্রিকেট দল। পৌঁছয় রবিবার ভোরবেলা। সৌরাশিষ আরও যোগ করলেন, 'এরা প্রত্যেকেই ২ রাত ঠিক করে ঘুমোতে পারেনি। তার উপরে এমন সাধারণ ভলভো বাসে যাত্রা। আর কোনও উপায় না থাকার কারণে আমাদের সড়কপথই বেছে নিতে হয়েছে। আর সেকারণে ম্য়াচ শুরুর আগে আমরা অনুশীলন পর্যন্ত করতে পারিনি।' উল্লেখ্য, কল্যাণীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে আপাতত কুচবিহার ট্রফির ম্য়াচ চলছে। গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছে বাংলা।
তবে শুধুমাত্র ক্রিকেটারই নয়, দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন আম্পায়ারও। কলকাতার বিমান আসতে অনেকটাই দেরি করে। আর সেকারণে এই ম্য়াচের অন-ফিল্ড আম্পায়ার নীতিন পণ্ডিত প্রথম সেশনের খেলাও মিস করেন। যতক্ষণে নীতিন কল্যাণীতে আসেন, ততক্ষণে মধ্যাহ্নভোজের বিরতি ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় আম্পায়ার প্রকাশ কুমার প্রথম সেশনে দায়িত্ব পালন করেন। লাঞ্চের পর থেকে পণ্ডিত আম্পায়ারিং শুরু করেন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us