/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/14/lionel-messi-kolkata-controversy-2025-12-14-14-13-02.jpg)
মেসির অনুষ্ঠানে বিক্রি হচ্ছিল পচা চাউমিন, দাবি সমর্থকের
Lionel Messi: শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) কলকাতা সফরে এসেছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তী ফুটবলার লিওনেল মেসি। তাঁকে ঘিরে বিগত কয়েকদিন ধরেই এই শহরের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। মেসি এলেন, দেখলেন। কিন্তু, কলকাতাবাসীর হৃদয় জিততে পারলেন না। শতাধিক 'ভিআইপি' সমর্থকদের সেলফি হ্যাংলামির কারণে শেষপর্যন্ত মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান। মেরেকেটে ২২ মিনিট ছিলেন। এরপরই মাঠে উপস্থিত দর্শকরা রেগে আগুন হয়ে যান। লন্ডভন্ড করতে শুরু করেন গোটা যুবভারতী স্টেডিয়াম।
এই অনুষ্ঠানে বাইরে থেকে কোনও খাবার কিংবা জলের বোতল আনা বারণ ছিল। এমনকী, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকেও আলাদা করে জলের বোতল আনতে বারণ করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, মাঠেই নাকি পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা থাকবে। কিন্তু, সেই জলের বোতলের দাম যে ২০০ টাকা, সেটা সমর্থকদের কেউ আঁচ করতে পারেননি। বিশ্বাস করতে অসুবিধে হচ্ছে? এটাই সত্যি ২০ টাকার জল বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকায়! আর ১০ টাকার চিপসের প্যাকেট ১০০ টাকায়।
Lionel Messi Mumbai Events Schedule: আজ মুম্বই যাচ্ছেন মেসি, কখন-কী অনুষ্ঠান রয়েছে? দেখে নিন একনজরে
দেখে নিন সেই ভিডিও:
এর পাশাপাশি কিছু ফাস্টফুডের স্টলও স্টেডিয়ামের ভিতর রাখা হয়েছিল। সেখানে বিক্রি হচ্ছিল চাউমিন এবং চিলি চিকেন। অপর একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় এক সমর্থক দাবি করেন, ওই চাউমিন নাকি মুখে তোলার অযোগ্য। প্রথমে তিনি বিক্রেতাকে পরখ করে দেখতে বলেন। বিষয়টা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ওই বিক্রেতা আরও খানিক বেশি চাউমিন দেওয়ার প্রলোভন দেন। এরপর ওই সমর্থক উপস্থিত পুলিশকর্মীর কাছে যান। তাঁকে গোটা বিষয়টা সম্পর্কে অবগত তিনি। অথচ ওই পুলিশ কর্মী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই বিষয়টা তাঁর এক্তিয়ারে পড়ে না। গোটা পরিকল্পনাই করেছেন শতদ্রু দত্ত। সবশেষে ওই সমর্থক ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
দেখে নিন সেই ভিডিও:
এই প্রসঙ্গে আপনাদের জানিয়ে রাখি, শনিবার দুপুরবেলা কলকাতা বিমানবন্দর থেকে শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। আজ অর্থাৎ রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হয়েছিল। কিন্তু, তাঁর জামিন মঞ্জুর করা হয়নি। জানা গিয়েছে, তাঁকে ১৪ দিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়েছেন। শনিবার তাঁরও বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আসার কথা ছিল। কিন্তু, এই ঝামেলার খবর পেয়ে মাঝপথ থেকেই গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যান বলে খবর। পরে তিনি একটি টুইট করেন। সেখানে মেসির কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। পাশাপাশি এই ঘটনার জন্য় দায়ী কারা, তা খুঁজে বের করার জন্য একটি তদন্ত কমিটি তৈরির নির্দেশও দিয়েছেন। গোটা ঘটনাটি কলকাতা তথা বাংলার ফুটবলকে যে কলঙ্কিত করল, তা নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us