/indian-express-bangla/media/media_files/2025/04/16/AchL5tmSYCx8j3614gXi.jpg)
ছবিটি প্রতীকী
Mohammed Rahmatullah: শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ভারতীয় ফুটবল দলের (Indian Football Team) প্রাক্তন ফরোয়ার্ড মহম্মদ রহমতউল্লাহ। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (AIFF) পক্ষ থেকে শোকজ্ঞাপন করা হয়েছে। একটা সময় তিনি দেশের অন্যতম সেরা ফুটবলার ছিলেন। ভারতীয় দলের জার্সিতে খেলেছিলেন ১২ ম্য়াচ। ইতিমধ্যে পাঁচটি গোল করেছিলেন তিনি।
তবে ১৯৫৮ সালের এশিয়ান গেমস কোয়ার্টার ফাইনালে মহম্মদ রহমতউল্লাহ স্মরণীয় পারফরম্য়ান্স করেছিলেন। এই ম্য়াচে তাঁর পা থেকে জোড়া গোল বেরিয়ে এসেছিল। ভারতও ম্য়াচটা ৫-২ গোলে জয়লাভ করে। এই প্রসঙ্গে আপনাদের জানিয়ে রাখি, ১৯৫৮ সালের ২৬ মে বর্মার বিরুদ্ধে জাতীয় ফুটবল দলে অভিষেক হয় রহমতউল্লাহের।
শোকজ্ঞাপন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের
এই ঘটনায় শোকজ্ঞাপন করলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে (Kalyan Choubey)। তিনি বলেছেন, 'একটা সময় মহম্মদ রহমতউল্লাহ দেশের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড ছিলেন। ভারতীয় ফুটবলে উনি নিজের স্বতন্ত্র ছাপ রেখে গিয়েছেন। জাতীয় দলে ওঁর অবদান তথা ঘরোয়া ফুটবলে অভাবনীয় সাফল্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভারতীয় ফুটবলের পক্ষ থেকে ওঁর পরিবার, বন্ধুবর্গকে আমি সমবেদনা জানাই। ঈশ্বর ওঁর আত্মাকে শান্তি দিন।'
AIFF condoles the death of former India forward Mohammed Rahmatullah.
— Indian Football (@IndianFootball) December 3, 2025
Check out the link to read the obituary 🔗https://t.co/kGFtgqjlLn#IndianFootball ⚽️ pic.twitter.com/a6bKTUUDHU
ঘরোয়া ফুটবলে মহম্মদ রহমতউল্লাহের পারফরম্য়ান্স এককথায় অসাধারণ। ১৯৫৮ এবং ১৯৫৯ সালে তিনি বাংলার (Bengal Football Team) হয়ে সন্তোষ ট্রফি জয় করেছিলেন। ১৯৫৭ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের (Mohammedan Sporting Club) হয়ে খেলেন। সাদা-কালো ব্রিগেডের হয়ে তিনি মোট ৬৯ গোল করেছিলেন। জয় করেছিলেন কলকাতা ফুটবল লিগ, আইএফএ শিল্ড, ডিসিএম ট্রফি, রোভার্স কাপ এবং আগা খান গোল্ড কাপ (ঢাকা)। এর পাশাপাশি আরও বহু খেতাবই তাঁর ঝুলিতে এসেছিল।
Footballer Death News: মাত্র ২১-য়েই সব শেষ! সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন তারকা ফুটবলার
খেলেছিলেন মোহনবাগান ক্লাবের হয়েও
১৯৬৩ সালে তিনি মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবে (Mohun Bagan) যোগ দিয়েছিলেন। মেরিনার্সদের হয়ে তিনি কলকাতা ফুটবল লিগ এবং ডুরান্ড কাপের খেতাব জয় করেছিলেন। ১৯৬০ সালে তিনি বাংলাদেশের আগা খান গোল্ড কাপের খেতাব জয় করেছিলেন। প্রসঙ্গত, বিদেশের মাটিতে কোনও ভারতীয় ফুটবল ক্লাবের কাছে এটাই প্রথম টুর্নামেন্ট জয় ছিল। ফাইনাল ম্য়াচে তারা ইন্দোনেশিয়ার পারসাতুয়ান সেপাকবোলা মাকাসসারকে ৪-১ গোলে পরাস্ত করেছিল। এই ম্য়াচে রহমতউল্লাহও একটি গোল করেছিলেন।
Sergio Lobera Mohun Bagan: 'মোহনবাগান শীর্ষে থাকারই যোগ্য...', দায়িত্ব নিয়েই 'হুঙ্কার' লোবেরার
যদিও রহমতউল্লাহ তাঁর কেরিয়ারের অধিকাংশ সময়ই কলকাতা ফুটবল লিগের ক্লাব মহমেডান স্পোর্টিংয়ে কাটিয়েছেন। এরপর তিনি বাংলাদেশের ফুটবল ক্লাব ঢাকা মহমেডানেও যোগ দেন। স্বাধীনতার পরই যে ভারতীয় ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক ট্রান্সফার হয়েছিল, রহমতউল্লাহ তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন। এই তালিকায় অবশ্য নাম রয়েছে মহম্মদ সেলিমেরও। তিনি খেলেছিলেন সেলটিকের হয়ে।
Mohammedan Sporting Club: 'নো ইনভেস্টর, নো ভোট...', মুখ্যমন্ত্রীর ছবি হাতে বিক্ষোভ মহমেডান সমর্থকদের
খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করার পর রহমতউল্লাহ ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন লিগের ক্লাব EPIDC-কে দীর্ঘদিন কোচিং করিয়েছিলেন। ১৯৬৭ এবং ১৯৭০ সালে ক্লাবটি খেতাবও জয় করেছিল। পাশাপাশি, পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলকেও কোচিং করিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কোচিংয়ে পাকিস্তান ১৯৬৯ সালে আরসিডি কাপ এবং ১৯৭৪ সালে এশিয়ান গেমস জয় করেছিল।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us