/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/26/sukhen-dey-2025-12-26-23-08-44.jpg)
প্রয়াত মোহনবাগানের আই লিগ জয়ী ফুটবলার সুখেন দে
Mohun Bagan: মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই শেষ হয়ে গেল সবকিছু। চিরনিদ্রার দেশে পাড়ি দিলেন মোহনবাগানের প্রাক্তন ডিফেন্ডার সুখেন দে (Sukhen Dey)। কলকাতা ময়দানে সুখেন অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন। মোহনবাগান ছাড়াও তিনি ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তে না পড়তেই গভীর শোকে ডুবেছে কলকাতা ময়দান। কেউ ভাবতেই পারছেন না যে ময়দানের অন্যতম জনপ্রিয় এই নেই।
Footballer Death News: মাত্র ২১-য়েই সব শেষ! সবাইকে কাঁদিয়ে বিদায় নিলেন তারকা ফুটবলার
কী হয়েছিল সুখেনের?
প্রসঙ্গত, ভারতীয় রেলে চাকরি করতেন সুখেন দে। শুক্রবারও (২৬ ডিসেম্বর) তিনি নিয়মমাফিক নিজের দফতরে গিয়েছিলেন। কাজ করতে করতেই আচমকা তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এই ধাক্কা এতটাই তীব্র ছিল, তাঁকে আর ফেরানো সম্ভব হয়নি। আগামী ১ জানুয়ারি জন্মদিন ছিল সুখেনের। ৩৬ বছরে পা দেওয়ার আগেই তিনি চিরনিদ্রার দেশে পাড়ি দিলেন।
Indian Footballer Death News: আচমকা হার্ট অ্যাটাকেই সব শেষ, চিরনিদ্রার দেশে ভারতীয় ফুটবলার
একনজরে সুখেনের ফুটবল কেরিয়ার
২০১১ সালে পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু করেছিলেন সুখেন দে। আই লিগের ক্লাব প্রয়াগ ইউনাইটেড এসসি-র হয়ে তিনি খেলতে শুরু করেন। ওই বছরই ১৮ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়ান ফেডারেশন কাপে চিরাগ ইউনাইটেড ক্লাব কেরালার বিরুদ্ধে তাঁর অভিষেক হয়েছিল। এরপর ২৩ অক্টোবর তিনি আই লিগেও ডেবিউ করেন। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সুখেন ইউনাইটেড এসসি-র হয়ে খেলেছিলেন। এরপর ২০১৪-১৫ মরশুমে তিনি মোহনবাগান ক্লাবে যোগ দেন। সবুজ-মেরুন জার্সিতে তিনি মোট তিনটে ম্য়াচ খেলেছিলেন। ইউনাইটেড এসসি-র হয়ে ডোড়া গোল করলেও, মোহনবাগানের জার্সিতে অবশ্য একটাও গোল করেননি তিনি।
Footballer Death: খাবারের লাইনে দাঁড়ানোই কাল, গুলিতে ঝাঁঝরা তারকা ফুটবলার
শোকজ্ঞাপন করেছে IFA
সুখেনের আচমকা প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছে ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, 'চলে গেলেন সুখেন দে। ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব ও মোহনবাগানের রক্ষণ ভাগের প্রাক্তন এই ফুটবলারটি আজ তাঁর কর্মস্থল রেলে কাজ করা কালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। তাঁর অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন IFA সচিব অনির্বাণ দত্ত।' কলকাতা ময়দানের এই ক্ষতি যে অপূরণীয়, সেটা আর আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us