/indian-express-bangla/media/media_files/2025/10/20/sandip-nandy-vs-oscar-bruzon-2025-10-20-17-22-22.png)
সন্দীপ নন্দী এবং অস্কার ব্রুজোঁ
East Bengal FC: শেষপর্যন্ত স্বপ্নপূরণ হল না ইস্টবেঙ্গল এফসি-র। সুপার কাপ (Super Cup 2025) ফাইনালে উঠে শেষপর্যন্ত তারা হেরে গিয়েছে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ফাতোরদা স্টেডিয়ামে এফসি গোয়ার (FC Goa) বিরুদ্ধে তারা খেলতে নেমেছিল। গোটা ম্য়াচ জুড়ে লাল-হলুদ ব্রিগেডের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু, শেষপর্যন্ত পেনাল্টি শ্যুটআউটে তাদের পরাজয় স্বীকার করতে হয়। এই হারের পর লাল-হলুদ সমর্থকরা কার্যত শোকে ভেঙে পড়েছেন। কষ্ট পাচ্ছেন লাল-হলুদের আরও এক প্রাক্তন সেনা। দেশের অন্যতম সেরা গোলকিপার সন্দীপ নন্দী (Sandip Nandy)।
সোমবার সকালবেলা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলাকে সন্দীপ জানালেন, 'গতকাল ফাইনাল ম্য়াচটা আমার দেখা হয়নি। বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে এসেছিলাম। কিন্তু, শুনলাম যে ইস্টবেঙ্গল হেরে গিয়েছে। এই পরাজয়ের খবর শুনে সত্যিই খুব কষ্ট পেয়েছি।'
East Bengal FC: 'আমরাই ভাল খেলেছি...', ফাইনালে হারের পর মন্তব্য ইস্টবেঙ্গল কোচের
চূড়ান্ত অপমানের শিকার হয়েছিলেন সন্দীপ
কথায় বলে, সময় নাকি সব হিসেব ফিরিয়ে দেয়। আর এই কথাটা সন্দীপ নন্দীর ক্ষেত্রে আজ চূড়ান্তভাবে প্রযোজ্য। সেটা ছিল IFA শিল্ডের ফাইনাল। লাল-হলুদের প্রাক্তন গোলকিপার কোচ সন্দীপের পরামর্শেই প্রভসুখন সিং গিলের পরিবর্তে দেবজিৎ মজুমদারকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ (Oscar Bruzon)। এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল শেষ পর্যন্ত ৫-৪ গোলে পরাস্ত হয়।
তারপর থেকেই অস্কারের যাবতীয় আক্রোশ এসে পড়ে সন্দীপের উপর। এমনকী, গোয়ায় জুনিয়র ফুটবলারদের সামনে ভারতের এই প্রাক্তন গোলকিপারকে চূড়ান্ত দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হয়। অবশেষে এই অপমানের বোঝা সইতে না পেরে সন্দীপ নিজের পদ থেকে সরিয়ে নেন। আর সুপার কাপের ফাইনালেও সেই টাইব্রেকারেই হারল ইস্টবেঙ্গল। এবার অবশ্য তেকাঠির নীচে ছিলেন প্রভসুখন গিল। কিন্তু, লাল-হলুদ ব্রিগেডের ভাগ্য বদলাল না। শেষপর্যন্ত ৬-৫ গোলে হেরেই সুপার কাপ অভিযান শেষ করল অস্কারের দল।
East Bengal vs FC Goa: ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েও সুপার কাপ জয়, খুশির মাথায় এ কী বললেন গোয়ার কোচ?
হৃদয় কাঁদল প্রাক্তন গোলকিপার কোচের
তবে আজ আর সন্দীপ নন্দীর মনে কোনও অভিমানের ক্ষত নেই। হৃদয়ের মাঝখানে উজ্জ্বল হয়ে থাকা 'প্রিয় দল' ইস্টবেঙ্গল হারতে বেশ খানিকটা দুঃখই পেলেন তিনি। এদিন তিনি বললেন, 'ইস্টবেঙ্গল আমার প্রাণ। সেই দলটা হেরে গেল। সেটা শুনে আমার অবশ্যই দুঃখ লেগেছে। আর কিছু বলার মতো জায়গায় আমি নেই। প্রথম দিন থেকে আমি একটাই কথা বলে আসছিলাম। আজ যে ফলাফলের সাক্ষী ইস্টবেঙ্গল হল, সেটা কিন্তু হওয়ার যোগ্য নয়। মানোলো কী বলেছে, সেটাও আমি কাগজে পড়েছি। সবাই এককথায় স্বীকার করছেন, এটা দীর্ঘদিনের সেরা ইস্টবেঙ্গল দল। এই বছর ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে সবাইকে হারানোর ক্ষমতা ছিল। ফলে এখানে আমার আর কিছু বলার নেই। দুঃখ লেগেছে, এটুকুই বলতে পারি।'
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us