/indian-express-bangla/media/media_files/2025/10/13/cricketer-death-4-2025-10-13-11-37-49.jpg)
শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার টোনি পিগট
Tony Pigott Death: শোকের ছায়া নেমেছে ব্রিটিশ ক্রিকেটে। ইংল্যান্ডের (England Cricket Team) প্রাক্তন ক্রিকেটার টোনি পিগট ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। পিগটের মৃত্যুতে ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে শোকের ঢেউ উথলে উঠেছে। ১৯৭৮ সালে টোনি পিগট মাত্র ২০ বছর বয়সে সাসেক্সের হয়ে ডেবিউ করেছিলেন। তবে কেরিয়ারের শুরুটাই তিনি স্মরণীয় করে রাখেন। সারের বিরুদ্ধে আয়োজিত ডেবিউ ম্য়াচে তিনি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে হ্যাটট্রিক উইকেট শিকার করেন।
আরও পড়ুন:
টেস্ট ডেবিউয়ের জন্য পিছিয়ে দিয়েছিলেন বিয়ে!
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টোনি পিগটের কেরিয়ার একেবারেই সংক্ষিপ্ত। কিন্তু, সেটা যথেষ্ট 'স্পেশাল' ছিল। ১৯৮৩-৮৪ সালে তিনি ইংল্যান্ডের হয়ে একটাই ক্রিকেট ম্য়াচ খেলেছিলেন। জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার সময় তিনি নিউজিল্যান্ডে ক্লাব ক্রিকেট খেলছিলেন। সেইসময় ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল চোটে কাহিল হয়ে পড়ে। আর সেকারণেই ডাক পেয়েছিলেন টোনি। এই টেস্ট ম্য়াচটি খেলার জন্য পিগট নিজের বিবাহ অনুষ্ঠান পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছিলেন। ওই ম্য়াচের পর সোমবারই তাঁর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।
আরও পড়ুন:
England Cricketer Death: প্রয়াত ইংল্যান্ডের তারকা ক্রিকেটার, নেমে এল শোকের ছায়া
চোটের কারণে দাঁড়ি টানেন ক্রিকেট কেরিয়ারে
১৯৯৪ সালে তিনি সাসেক্স ছেড়ে সারে ক্রিকেট ক্লাবে যোগ দেন। কিন্তু, পিঠে গুরুতর চোট থাকার কারণে ১৯৯৬ সালে অবসর গ্রহণ করতে হয়। এরপর তিনি হোম কাউন্টি সাসেক্সে ফিরে আসেন। দ্বিতীয় দলের কোচ হিসেবেও নিযুক্ত হন।
আরও পড়ুন:
Bengal Cricketer Death: ক্যানসারের যুদ্ধে হারল জীবন, মারা গেলেন বাংলার তরুণ ক্রিকেটার
যদিও ক্রিকেটে তাঁর অবদান এখানেই শেষ নয়। পরের বছরই সাসেক্সের চিফ এক্সিকিউটিভ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। টোনি পিগটের নেতৃত্বে সাসেক্স ক্রিকেট ক্লাব একাধিক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করে। প্রথম কাউন্টি ক্লাব হিসেবে সাসেক্সে ফ্লাডলাইট লাগানো হয়। এরপর ২০০৩ সালে সাসেক্স প্রথমবার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাবও জয় করে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us