/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/13/airtel-vs-jio-5g-recharge-plan-comparison-2025-2025-12-13-20-26-08.jpg)
৫ জি রিচার্জ প্ল্যানে এগিয়ে কে? জিও নাকি এয়ারটেল?
Airtel Vs Jio:ভারতে দ্রুত গতিতে 5G নেটওয়ার্কের বিস্তার ঘটার সঙ্গে সঙ্গে টেলিকম বাজারে Airtel ও Jio-র মধ্যে প্রতিযোগিতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। এখন শুধু নেটওয়ার্ক নয়, মূল লড়াই হচ্ছে রিচার্জ প্ল্যান ও দামের। দুই সংস্থাই উচ্চগতির 5G পরিষেবার প্রতিশ্রুতি দিলেও গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কোন প্ল্যান বেশি সাশ্রয়ী এবং কার নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স ভালো।
5G পরিষেবা ধীরে ধীরে বড় শহরের পাশাপাশি ছোট শহরেও পৌঁছে যাওয়ায় সঠিক প্ল্যান বেছে নেওয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে Airtel ও Jio-র জনপ্রিয় 5G প্ল্যানগুলির তুলনা করলে ব্যবহারকারীদের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হতে পারে।
আরও পড়ুন-নতুন পিক্সেল কিনেই লাইন লাইন! গুগলের স্বীকারোক্তি, “ডিভাইসে ত্রুটি আছে”, সঙ্গে নয়া ঘোষণা
দামের দিক থেকে জিও শুরু থেকেই কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। সংস্থার আনলিমিটেড 5G প্ল্যান শুরু হচ্ছে ১৯৮ টাকা থেকে, যার মেয়াদ ১৪ দিন এবং প্রতিদিন ২GB ডেটা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, Airtel-এর সবচেয়ে সস্তা আনলিমিটেড 5G প্ল্যানের দাম ৩৪৯, যার মেয়াদ ২৮ দিন। অর্থাৎ, প্রারম্ভিক মূল্যে জিও সস্তা হলেও, Airtel তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ মেয়াদের সুবিধা দিচ্ছে, ঘন ঘন রিচার্জ যারা করতে চাইছেন না, তাদের জন্য জিও-র প্ল্যান বেশি আকর্ষণীয়।
ডেটা ব্যবহারের দিক থেকে জিওকে অনেকেই বেশি সুবিধাজনক বলে মনে করছেন। স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং কিংবা ওয়ার্ক ফ্রম হোমের মতো ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য জিওর বেশ কিছু প্ল্যানে তুলনামূলকভাবে বেশি ডেটা দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, জিওর দু মাসের প্ল্যানে ৬২৯ খরচে আনলিমিটেড 5G ডেটা পাওয়া যায়, যেখানে একই সুবিধার Airtel প্ল্যানের দাম কিছুটা বেশি। বেশি ডেটা ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে এই পার্থক্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন-হোয়াটসঅ্যাপে ভুলেও এই ছোট্ট কাজটি করবেন না, হতে পারে জেল-জরিমানা
নেটওয়ার্ক কভারেজ ও স্থিতিশীলতার প্রশ্নে দুই সংস্থাই নিজেদের শক্ত অবস্থান তুলে ধরছে। Airtel-এর 5G নেটওয়ার্ক বড় শহর ও মেট্রো এলাকায় তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল এবং নির্ভরযোগ্য বলে মনে করা হয়। অন্যদিকে, জিও দ্রুত সারা দেশে 5G পরিষেবা ছড়িয়ে দিচ্ছে, অনেক ছোট শহরেও উন্নত স্পিড ও লো ল্যাটেন্সি দিচ্ছে।
TRAI-এর সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ডাউনলোড স্পিড ও কম ল্যাটেন্সির ক্ষেত্রে জিও এগিয়ে রয়েছে, যদিও ভয়েস কল কোয়ালিটির দিক থেকে Airtel ভালো পারফর্ম করছে। আবার Opensignal-এর জুন ২০২৫ সালের রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, জিওর গড় ডাউনলোড স্পিড ছিল ১০৬.৩ Mbps, যেখানে Airtel-এর গড় স্পিড ছিল ৫৮.৬ Mbps।
সব মিলিয়ে, কোনটি বেছে নেবেন তা অনেকটাই ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের উপর নির্ভর করছে। বেশি ডেটা, তুলনামূলক সস্তা দাম এবং দ্রুত ডাউনলোড স্পিড চাইলে Jio উপযুক্ত বিকল্প হতে পারে। আবার শহরাঞ্চলে স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক, উন্নত কল কোয়ালিটি ও নিরবচ্ছিন্ন পরিষেবা চাইলে Airtel অনেকের কাছেই হতে পারে বেস্ট চয়েজ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের এলাকায় কোন নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স ভালো এবং দৈনন্দিন ডেটা ব্যবহারের পরিমাণ কত, এই দুটি বিষয় বিচার করেই সঠিক 5G প্ল্যান নির্বাচন করা উচিত।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us