/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/06/recharge-plans-hike-2025-11-06-12-20-08.jpg)
বাড়তে চলেছে রিচার্জ প্ল্যানের দাম, রিপোর্ট ঘিরে বাজারে তোলপাড়
Recharge Plan Hike: নতুন বছরে মোবাইল ব্যবহার আরও ব্যয়বহুল হতে চলেছে। স্মার্টফোন ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে না পারা সাধারণ মানুষের পকেটে বাড়তি চাপ পড়তে পারে খুব শিগগিরই। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুতেই প্রিপেইড ও পোস্টপেইড মোবাইল রিচার্জ প্ল্যানের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে চলেছে দেশের বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলি।
রিলায়েন্স জিও, ভারতী এয়ারটেল ও ভোডাফোন-আইডিয়ার মতো শীর্ষ টেলিকম অপারেটররা আগামী বছরের শুরুতে তাদের ৪জি ও ৫জি রিচার্জ প্ল্যানের শুল্ক বৃদ্ধি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। ইকোনমিক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতীয় টেলিকম সংস্থাগুলি রিচার্জ প্ল্যানের দাম ১৬ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে পারে। ফলে ২০২৬ সাল থেকে দেশের কোটি কোটি মোবাইল গ্রাহকের মাসিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইতিমধ্যেই বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা প্ল্যানের সুবিধা কমানো এবং একাধিক সস্তা রিচার্জ অপশন বন্ধ করে এই মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছে। আগের রিপোর্টগুলিতেও দাম বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলা হলেও, সর্বশেষ রিপোর্টে বৃদ্ধির হার আরও বেশি হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বর্তমানে কোনও অপারেটরের সীমাহীন কলিং ও দৈনিক ১.৫ জিবি ডেটা-সহ সর্বনিম্ন রিচার্জ যদি প্রায় ৩০০ টাকা হয়, তাহলে ২০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির পর ২০২৬ সালে সেই একই প্ল্যানের দাম দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩৬০ টাকা।
এর আগেও একাধিকবার মোবাইল রিচার্জের দাম বেড়েছে। ২০১৯ সালে ট্যারিফ ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। ২০২১ সালে দাম বেড়েছিল প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ১০ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি কার্যকর হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে আবারও বড়সড় মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত আট বছরে এটি মোবাইল রিচার্জের চতুর্থবারের জন্য বিরাট বৃদ্ধি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
দাম বৃদ্ধির পিছনে টেলিকম সংস্থাগুলির যুক্তি, ভারতে এখনও বিশ্বের মধ্যে মোবাইল ডেটা ও কলিং পরিষেবা তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে সস্তা। নতুন স্পেকট্রাম কেনা, নেটওয়ার্ক পরিকাঠামোর রক্ষণাবেক্ষণ, ৫জি সম্প্রসারণ এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির চাপ সামলাতে ট্যারিফ বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই বলেই দাবি সংস্থাগুলির। এয়ারটেলের মতো বড় টেলিকম সংস্থাগুলি আগেই ইঙ্গিত দিয়েছে, উন্নত নেটওয়ার্ক পরিষেবা পেতে হলে গ্রাহকদের বাড়তি মূল্য দিতেই হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সস্তা ইন্টারনেটের যুগ ধীরে ধীরে শেষের পথে। অনুমান করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে টেলিকম সংস্থাগুলি ব্যবহারকারী প্রতি গড় আয় ৩৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৩৯০ টাকায় নিয়ে যেতে পারে। ফলে নতুন বছরে দীর্ঘমেয়াদি ভ্যালিডিটি প্ল্যান, ডেটা ও কলিং কম্বো রিচার্জের ক্ষেত্রে আরও বেশি খরচের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের।
আরও পড়ুন- আগামী এক বছর আর রিচার্জ নয়! বিরাট ঘোষণায় বাজারে সুনামি তুলল Jio, হ্যাপি নিউ ইয়ার প্ল্যানের বড় চমক
ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজারে ভূমিকম্প! ২ লক্ষ মানুষ এই মডেলটি কিনেছেন, আস্থা অর্জনে শীর্ষে এই সংস্থা
ইলেকট্রিক স্কুটারের বাজারে ভূমিকম্প! ২ লক্ষ মানুষ এই মডেলটি কিনেছেন, আস্থা অর্জনে শীর্ষে এই সংস্থা
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us