/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/20/youtube-subscribers-income-2025-12-20-17-47-31.jpg)
ইউটিউব থেকে কীভাবে আয় হয়?
YouTube Golden Button: আজকের ডিজিটাল যুগে ইউটিউব এখন লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পরিচিতি ও আয়ের একটি বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার ভিডিও আপলোড হচ্ছে এবং বহু কনটেন্ট ক্রিয়েটর এই প্ল্যাটফর্ম থেকে মোটা অঙ্কের আয় করছেন। সাবস্ক্রাইবার যত বাড়ে, ততই আয় করার নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হয়। এই ধারাবাহিকতায় যখন কোনও ইউটিউব চ্যানেল গোল্ড প্লে বাটনের স্তরে পৌঁছে যায়, তখন সংশ্লিষ্ট ইউটিউবারের আয় লাখ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে শুরু করে। তবে এই আয়ের উপর করও দিতে হয়। চলুন, ইউটিউব থেকে আয় এবং তার উপর করের সম্পূর্ণ হিসাব জেনে নেওয়া যাক।
ইউটিউব থেকে কীভাবে আয় হয়, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন ভিডিও আপলোড করলেই টাকা আসতে শুরু করে, কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি তেমন নয়। ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে প্রথমে ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম বা YPP-তে যোগ দিতে হয়। কোনও ক্রিয়েটর যখন এই প্রোগ্রামের অংশ হন, তখনই তাঁর ভিডিওতে দেখানো বিজ্ঞাপন থেকে আয় শুরু হয়।
ইউটিউব তার ক্রিয়েটরদের সাবস্ক্রাইবারের নির্দিষ্ট মাইলস্টোন পূরণ করার জন্য বিশেষ পুরস্কার দিয়ে থাকে, যেগুলিকে প্লে বাটন বলা হয়। ১ লক্ষ সাবস্ক্রাইবার হলে সিলভার প্লে বাটন, ১০ লক্ষ বা ১ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবারে গোল্ড প্লে বাটন, ১ কোটিতে ডায়মন্ড প্লে বাটন এবং ৫ কোটিতে কাস্টম প্লে বাটন দেওয়া হয়। গোল্ডেন বাটন পাওয়ার অর্থ হল, সংশ্লিষ্ট চ্যানেল ১০ লক্ষ সাবস্ক্রাইবারের মাইলস্টোন ছুঁয়েছে এবং বড় পরিসরে তার পরিচিতি তৈরি হয়েছে।
গোল্ড প্লে বাটনের পর আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। সাধারণভাবে, কোনও চ্যানেলের যদি ১০ লক্ষ সাবস্ক্রাইবার থাকে এবং নিয়মিত ভালো ভিউ আসে, তাহলে বিজ্ঞাপনদাতারা প্রতি ১০০০ ভিউয়ের জন্য গড়ে প্রায় ২ ডলার পর্যন্ত (CPM) দিতে পারেন। নিয়মিত ভিডিও আপলোড এবং ভালো ভিউ থাকলে, এক বছরে ইউটিউব থেকে আয় প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও সংস্থা সরাসরি ইউটিউবারদের সঙ্গে বিজ্ঞাপনের চুক্তি করে, ফলে মোট আয় আরও বেড়ে যায়।
তবে এই আয়ের উপর আয়করও দিতে হয়। ভারতে ইউটিউব থেকে হওয়া আয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ ইনকাম ট্যাক্সের নিয়মই প্রযোজ্য। বছরে ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনও কর নেই। ২.৫ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার আয়ে ৫ শতাংশ, ৫ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকার আয়ে ২০ শতাংশ এবং ১০ লক্ষ টাকার বেশি আয়ের উপর ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। যদি কোনও গোল্ড প্লে বাটনপ্রাপ্ত চ্যানেলের বার্ষিক আয় প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে আনুমানিক ১২ লক্ষ টাকার কাছাকাছি কর দিতে হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ইউটিউবে গোল্ডেন বাটন পাওয়া শুধু সম্মানের বিষয় নয়, বরং তা বড় অঙ্কের আয়ের ইঙ্গিতও দেয়। তবে সেই সঙ্গে করের দায়ও বাড়ে। তাই ইউটিউব ক্রিয়েটরদের উচিত তাঁদের আয় ও কর দুটো বিষয়ই আগেভাগে পরিকল্পনা করে নেওয়া, যাতে ভবিষ্যতে কোনও আর্থিক সমস্যায় পড়তে না হয়।
আরও পড়ুন- আইফোনে এবার ধামাকা অফার, একাধিক প্রিমিয়াম মডেলে বিরাট ছাড়ের বড় সুযোগ
আরও পড়ুন- নতুন বছরে কতটা দামি হচ্ছে মোবাইল রিচার্জ প্ল্যানের দাম? জানলে মাথা ঘুরে যাবে
আরও পড়ুন- আগামী এক বছর আর রিচার্জ নয়! বিরাট ঘোষণায় বাজারে সুনামি তুলল Jio, হ্যাপি নিউ ইয়ার প্ল্যানের বড় চমক
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us