/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/21/cats-2025-12-21-14-21-11.jpg)
ভারতেও প্রতিবাদের ঝড়
পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান হিংসাত্মক ঘটনার আবহে ময়মনসিংহ জেলায় সংঘটিত এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শনিবার ত্রিপুরার আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হল। সনাতনী হিন্দু সেনার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ময়মনসিংহে ২৭ বছর বয়সি দীপু চন্দ্র দাসের উপর উশৃঙ্খল জনতার আক্রমণ, গণপিটুনিতে মৃত্যু এবং পরবর্তী সময়ে মৃতদেহে অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে তীব্রভাবে নিন্দা জানানো হয়।
সংগঠনের পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা সভাপতি গৌতম লস্কর বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের আমলে বারবার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটছে। ময়মনসিংহের ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে ন্যূনতম মানবিকতা লোপ পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করার পর মৃতদেহ গাছে বেঁধে আগুন লাগানো হয় এবং তাতেও ক্ষোভ মিট না হওয়ায় অর্ধদগ্ধ দেহটি রাস্তায় টেনে নিয়ে গিয়ে পুনরায় অগ্নিসংযোগ করা হয়।
গৌতম লস্কর আরও বলেন, বাংলাদেশের এই অমানবিক ঘটনার প্রতিবাদে ত্রিপুরা সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই বিক্ষোভ ভারতবর্ষে গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ পথে সংগঠিত হয়েছে এবং কোথাও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি। ভারতের মানুষ শালীনতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর বিশ্বাস রাখে বলেই প্রতিবাদের ধরনে দুই দেশের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর আক্রমণ বন্ধ করা সহ একাধিক দাবিতে সরব হন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, পার্শ্ববর্তী দেশে যদি ধর্মীয় হিংসা বন্ধ না হয়, তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কড়া পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই এই প্রতিবাদ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায় ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাসের উপর উন্মত্ত জনতা আক্রমণ চালায় বলে অভিযোগ। গণপিটুনিতে তাঁর মৃত্যু হওয়ার পর মৃতদেহকে গাছে বেঁধে আগুন লাগানো হয়। এরপরও ক্ষোভ প্রশমিত না হওয়ায় অর্ধদগ্ধ দেহটি টেনে রাস্তায় এনে পুনরায় অগ্নিসংযোগ করে জনতা।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us