/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/14/bihar-election-2025-2025-11-14-21-36-04.jpg)
বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট রাজ্যের ২০০টিরও বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বলে সর্বশেষ খবর।
বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট রাজ্যের ২০০টিরও বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে বলে সর্বশেষ খবর। একক বৃহত্তম দল হিসেবে রেকর্ড গড়েছে বিজেপি। সম্ভাব্য এই ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, “বিহারে বিপুল জয়ের পথে চলেছে বিজেপি।”
শুক্রবার আগরতলার কাছে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন ও নতুন পরিকাঠামোর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রচারপর্বেই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বিহারে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। চম্পারণ জেলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচারে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, বিহারের পরে পশ্চিমবঙ্গেও পালাবদল আসন্ন। তাঁর কথায়, “বাংলায় পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশের চেহারা বদলে যাবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি বাংলায় SIR ইস্যুতে তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক উত্তেজনার আবহে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
বিহারে এনডিএ–র এগিয়ে থাকার খবর মিলতেই আগরতলার কৃষ্ণনগরে বিজেপি রাজ্য সদর দপ্তরের সামনে আবির উড়িয়ে বিজয়োৎসব পালিত হয়। সেখানে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই ফলাফলে বোঝা যাচ্ছে মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি পরিচালিত সরকারের উপর বিশ্বাস রেখেছেন। বিহারের এই জয় দুর্নীতি ও হিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণের রায়।”তিনি দাবি করেন, অঙ্গ, বঙ্গ ও কলিঙ্গ—এই তিন অঞ্চলের মধ্যে অসম ও ওড়িশায় বিজেপি ইতিমধ্যেই জিতেছে, এখন লক্ষ্য বাংলা। বিহার নির্বাচনের ফলাফলই নাকি ইঙ্গিত দিচ্ছে মানুষ উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের পক্ষে।
আরও পড়ুন-Chirag Paswan: চিরাগের ‘বিহার ফার্স্ট’ রাজনীতি সফল! NDA-তে নতুন নেতা পেল বিহার
এদিন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়—মোহনপুর, ধর্মনগরসহ—বিহার ভোটের ফলাফলে বিজেপি নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানিয়ে বিজয় মিছিল বের হয়। মোহনপুরে মিছিলে যোগ দিয়ে ত্রিপুরার মন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন, “উন্নয়নের পক্ষে এবং হিংসার বিরুদ্ধে বিহার ভোটের ফল উজ্জ্বল নিদর্শন।” তিনি কংগ্রেসের এসআইআর–এর বিরুদ্ধে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বলেন, মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলেই বিহারে বামেরা ‘ওয়াশ আউট’ ও কংগ্রেস ‘তলানিতে’ পৌঁছেছে।
নাম না করে তিপ্রা মথা–সহ আঞ্চলিক দলগুলিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কাজ করলে সব আঞ্চলিক দলেরই সুবিধা হয়। উন্নয়নের মডেলের পক্ষে এখন মানুষ একজোট।”
এদিকে সম্প্রতি দিল্লিতে তিপ্রা মথা প্রধান প্রদ্যোৎ কিশোর দেববর্মা, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ও এনপিপি প্রধান কনরাড সাংমাসহ উত্তর–পূর্বের একাধিক আঞ্চলিক নেতা মিলিত হয়ে একটি একক রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরির ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুন- 'গঙ্গার মতোই বিহারের মাধ্যমেই গেরুয়া ঢেউ এবার বাংলাতেও', '২৬-এর লড়াই নিয়ে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us