Taslima Nasrin: লেখা ছেড়ে দিলেন তসলিমা নাসরিন! লেখিকার পোস্ট ঘিরে তুঙ্গে চর্চা

Taslima Nasrin: নারী নিপীড়ন, ধর্মীয় মৌলবাদের সমালোচনা এবং সেকুলারিজমের পক্ষে লেখার জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত লেখিকা আর কলম ধরবেন না বলে পণ করলেন। মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকে লেখা শুরু করেন বাঙালি নারী তসলিমা নাসরিন।

Taslima Nasrin: নারী নিপীড়ন, ধর্মীয় মৌলবাদের সমালোচনা এবং সেকুলারিজমের পক্ষে লেখার জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত লেখিকা আর কলম ধরবেন না বলে পণ করলেন। মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকে লেখা শুরু করেন বাঙালি নারী তসলিমা নাসরিন।

author-image
Naikun Nessa
আপডেট করা হয়েছে
New Update
taslima said she is not muslim

কী এমন বললেন তসলিমা?

Taslima Nasrin: নারী নিপীড়ন, ধর্মীয় মৌলবাদের সমালোচনা এবং সেকুলারিজমের পক্ষে লেখার জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত লেখিকা আর কলম ধরবেন না বলে পণ করলেন। মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকে লেখা শুরু করেন বাঙালি নারী তসলিমা নাসরিন।

Advertisment

তাঁর লেখা মূলত নারী অধিকার, পিতৃতান্ত্রিক সমাজ, ধর্মীয় কট্টরতা এবং সাম্প্রদায়িকতার বিষয় নিয়ে। তাঁর উপন্যাস লজ্জা (১৯৯৩) প্রকাশের পর ধর্মীয় মৌলবাদীদের ফতোয়া ও মৃত্যুহুমকির মুখে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন তসলিমা। একটা সময় কলকাতাও ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। এখন তিনি দিল্লির বাসিন্দা। কিন্তু লেখা তিনি ছাড়েননি। তিনি বরাবর বলে এসেছেন তাঁকে কোনওভাবেই চুপ করানো যাবে না। কিন্তু হঠাৎ করে তিনি বই না লেখার পণ করে বসলেন।

আরও পড়ুন-Debolina Nandy: 'মেয়েদেরই কেন সব...?' দিনের পর দিন ভয়ঙ্কর মানসিক নির্যাতন! নিজেকে শেষ করার সিদ্ধান্ত দেবলীনার?

সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টে তিনি লিখেছেন, “আমি বই লেখা বাদ দিয়েছি। যথেষ্ট লিখেছি, আর নয়। কী লিখব? উপন্যাস? পৃথিবীতে শত শত কালজয়ী উপন্যাস রচিত হয়েছে। ওসবের চেয়ে ভাল কিছু তো আর লিখতে পারবো না! প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ছোট গল্প, কবিতা সব কিছুর বেলায় একই কথা খাটে। যা আছে, তার চেয়ে ভাল কিছু তো আর আমি রচনা করতে পারবো না! তাহলে আর রচনা করা কেন? সময় নষ্ট করা কেন?

আরও পড়ুন-  Dev: জয় গোস্বামীর পর দেব? এসআইআর শুনানি নিয়ে নতুন জল্পনা

বেশিদিন তো আর বাঁচবো না। কিছু পড়ে, কিছু দেখে, কিছু বুঝে আবার কিছু না বুঝে বাকি দিন গুলো কাটিয়ে দেওয়া যাবে। নির্জন  পাহাড়ের নিচ দিয়ে তিরতির করে যে জলরাশি বয়ে চলেছে, সেটির শব্দও তো  একা একা গিয়ে শুনে আসা যায়। আর কান পাতলে সমুদ্রের হাহাকার যে শোনা একেবারেই যায় না, তা তো নয়। 

সাফল্যের পেছনে কোনওদিন দৌড়োইনি। সাদামাটা জীবন সাদামাটা করেই কাটাতে ভাল লাগে। ঘাড়ে বোঝা যত ছিল, ফেলে ফেলে এগিয়েছি, এখন আর বোঝাই নিই না ঘাড়ে বা কাঁখে। নির্ভার হাঁটি। পালকের মতো হতে থাকি। জীবন তো ধূলিকণার মতো। জীবন আসলেই ধূলিকণার মতো।”

publive-image
লেখিকার এই পোস্ট ঘিরেই জল্পনা 

তসলিমা নাসরিনের অনুগামীরা তাঁর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না। তাঁর এক অনুগামী দুঃখ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন, ‘একজন লেখক লেখা ছাড়া বাঁচতে পারে না, সম্ভব নয়।’

আরও পড়ুন-  ভালোবাসা কি মন না মস্তিষ্কের খেলা? ‘মন মানে না’ টিজারে উঠল সেই প্রশ্ন!

Taslima Nasrin Taslima Nasrin FB post