বড় খবর

দু’বছরের ছেলেকে বাঁচাতে নিজের ল্যাবেই ওষুধ তৈরি করে তাক লাগালেন যুবক

মরণাপন্ন ছেলেকে বাঁচাতে উচ্চমাধ্যমিক পাশ যখন ওষুধ তৈরি করে তাক লাগালেন।

জন্য বাড়িতেই ল্যাব তৈরি করা তাতে দুর্মূল্য ঔষুধ তৈরি করে ফেললেন বাবা।

স্নেহের শক্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই কথাই, প্রমাণ করলেন এক বাবা। বিরল রোগে আক্রান্ত সন্তানের জন্য বাড়িতেই ল্যাব তৈরি করা তাতে দুর্মূল্য ঔষুধ তৈরি করে ফেললেন বাবা। এমনই ঘটনা ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর তা ভাইরাল হতেই ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায়। বাবার তৈরি ওষুধ খেয়ে দিব্যি সুস্থ আছে বছর দুয়েকের শিশু, হাওয়াং। ঘটনাটি চিনের কুনমিং শহরে।

ডাক্তার বলেছিলেন, হাওয়াং মাস খানেকের বেশি বাঁচবে না, যদি না প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করা যায়। এরপর পিতা জু ওয়েই কালক্ষেপ করেননি। চিনের ওষুধের বাজার তন্ন তন্ন করে খুঁজেছেন। কিন্তু মেনকেস সিন্ড্রোমের ওষুধ মেলেনি। ঘটনায় অসহায় বোধ করেন জু। ক্রমশ নেতিয়ে পড়ছিল যে ছেলে! বিদেশে গিয়ে ছেলের চিকিৎসা করতে চাইলেও করোনার কারণে তাও সম্ভব হচ্ছিল না।

কারণ বিদেশে যাতায়াতে এখনও কঠিন বিধিনিষেধ রয়েছে সে দেশে। অন্য উপায় না দেখেই বাড়িতে ল্যাবরেটরি তৈরি করে নিজে হাতে সন্তানের ওষুধ তৈরির সিদ্ধান্ত নেন স্কুলপাশ পেশায় ছোট অনলাইন ব্যবসায়ী জু ওয়েই। জিনগত এই রোগের চিকিৎসা এবং ওষুধ দুর্মূল্য। মূলত তামার অভাবেই এই রোগ হয় বলেই জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞরা।


দু’ বছরের ছেলেকে বাঁচাতে নিজের ল্যাবেই ঔষুধ তৈরি করে তাক লাগালেন বাবা

চিনের কুনমিং শহরের একটি আবাসনে থাকেন বছর তিরিশের জু ওয়েই। ছেলের বিরল রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই মানসিক ভাবে নিজেকে শক্ত করে নিয়েছিলেন তিনি। যে কোনও মূল্যে ছেলেকে বাঁচাতেই হবে। যেমন ভাবনা তেমন কাজ। 

মেনকেস সিনড্রোম নিয়ে নেটমাধ্যমে পড়াশোনা চালিয়ে বাড়ির ল্যাবেই তৈরি করে ফেলেন ছেলের জন্য কার্যকরী ওষুধ। আর তা খেয়েই দিব্যি সুস্থ রয়েছে দু বছরের ছেলে। এমন ঘটনা ভাইরাল হতেই বাবার অদম্য জেদ এবং ইচ্ছাশক্তিকে কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Get the latest Bengali news and Viral news here. You can also read all the Viral news by following us on Twitter, Facebook and Telegram.

Web Title: Viral high school pass dad turns scientist to make medicine at home for dying son goes viral

The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com