/indian-express-bangla/media/media_files/2025/03/16/GeyKBbQfZJLLdgAbdEJF.jpg)
Abhishek Banerjee: তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
Didir Doot app: এসআইআর (সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট রিপোর্ট) কেন্দ্রিক সাংগঠনিক কাজে নদীয়া জেলার দুর্বলতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে দলের জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন—নদীয়ার বেশ কিছু বিধানসভা এলাকায় দলের কাজ আশানুরূপ হয়নি। বিশেষত চাপড়া, নবদ্বীপ এবং শান্তিপুরের কাজকে তিনি একপ্রকার অপূর্ণ বলেই মন্তব্য করেন বলে সূত্রের খবর।
দুই ব্লক সভাপতিকে সরাসরি সতর্কতা
বৈঠকে উঠে আসে, ‘বাংলার ভোট রক্ষা শিবির’-এর নির্ধারিত ক্যাম্পগুলোর বহু কাজই যথাযথভাবে হয়নি। অভিযোগ, নাকাশীপাড়া ব্লক ও কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের (দক্ষিণ) সাংগঠনিক সভাপতি যাথাক্রমে কনিষ্ক চট্টোপাধ্যায় ও স্বপন ঘোষ এখনও পর্যন্ত কোনও ক্যাম্পে যোগ দেননি। এ তথ্য তুলে ধরে ওই দুই নেতাকে সরাসরি সতর্ক করেন অভিষেক।
আরও পড়ুন-West Bengal Weather Updates: সাগরে চোখরাঙানি সেনিয়ারের! বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদলের ইঙ্গিত
১০০% এনুমারেশন লক্ষ্যমাত্রা ও অ্যাপে নথিভুক্তকরণ
দলের তরফে আগেই নির্দেশ ছিল, প্রতিটি বুথে এসআইআর-এর কাজ ‘দিদির দূত’ অ্যাপে সম্পূর্ণ নথিভুক্ত করতে হবে। কোথাও কাজ ভালো এগোলেও বেশ কিছু বিধানসভায় গতি অত্যন্ত ধীর, এ তথ্যও দেন অভিষেক। কৃষ্ণনগরের দুর্বল কাজের কথাও তিনি স্পষ্ট করেন।
কোথায় প্রশংসা, কোথায় ক্ষোভ
নদীয়ার রানাঘাটের সংগঠনের কাজের প্রশংসা করেন অভিষেক। তিনি জানান, এখানে প্রায় ৭৫ শতাংশ বিএলএ সক্রিয়। রানাঘাটকে স্নেহাশিস ব্যানার্জী ও সুজিত বসু মিলিতভাবে তদারকি করবেন।
অন্যদিকে নবদ্বীপ ও শান্তিপুর ব্লকের সংগঠন নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ জানান। ব্লক প্রেসিডেন্ট থেকে পঞ্চায়েত স্তরের নেতৃত্ব—কারও অংশগ্রহণই সন্তোষজনক নয় বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি দুটি ব্লকে যথাযথ পরিকাঠামোর অভাবও উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন-মৃতদেহ থেকে উধাও চোখ, ভয়ঙ্কর অভিযোগে মমতার কনভয় আটকে বেনজির প্রতিবাদ, মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা বিজেপির
কঠোর বার্তা দলীয় নেতৃত্বকে
অভিষেক পরিষ্কার বার্তা দেন, “এখন হালকা নিলে হবে না। দলের কাজ না করলে কাউকেই ক্ষমা করা হবে না।”তিনি জানান, বিজেপির ‘বিমাতৃসুলভ’ আচরণ ও বাংলার প্রতি ‘বঞ্চনা’ ইস্যুতে টানা কর্মিসভা ও পথসভা চলবে। আগামী ১৫–২০ দিনের মধ্যে প্রতিটি বুথে দুটি করে ছোট মিটিং করার নির্দেশও দেন তিনি। এতে ৫০–৬০ জনের উপস্থিতি রাখা হবে।
এছাড়া তিনি জানান, প্রতিটি জেলার বুথওয়ারি মিটিংয়ের রিপোর্ট তাঁর অফিসে পাঠাতে হবে ১৫ দিনের মধ্যে। যেখানে মিটিং হবে না, সেই বুথের প্রেসিডেন্টদের বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নেবে।
আরও পড়ুন-Suvendu Adhikari: পুলিশের মঞ্চে ‘মমতা চাই’ ধ্বনি! শুভেন্দুর বিস্ফোরক ভিডিও প্রকাশে তোলপাড় রাজ্য
জেলার নেতাদের প্রতিক্রিয়া
মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস ও বিধায়ক কল্লোল খাঁ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সবাই ভালো কাজ করছে। সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলাদা কিছু বলব না।”
কৃষ্ণনগর উত্তর সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান রুকবানু রহমান জানান, শিবিরে উপস্থিতি ভালোই হচ্ছে, কিছু শিবির পঞ্চায়েত-সংলগ্ন হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।
স্বপন ঘোষের দাবি, তাদের কাজ ভালোই চলছে, সম্ভবত ভুল রিপোর্ট গিয়েছে।কনিষ্ক চট্টোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়।
এ বিষয়ে সাংসদ মহুয়া মৈত্র কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us