/indian-express-bangla/media/media_files/2025/05/20/VhMfyQoyI1oRJObogpE4.jpg)
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
Abhishek Banerjee in Rampurhat: বীরভূমের রামপুরহাটে এক নির্বাচনী সভা থেকে আসন্ন নির্বাচনের জন্য স্পষ্ট লক্ষ্য বেঁধে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা শুরু হতে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা দেরি হলেও, মঞ্চে পৌঁছে দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আক্রমণাত্মক বার্তা দেন তিনি। বীরভূমে দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিরোধীদের সম্পূর্ণভাবে পরাস্ত করার ডাক দেন অভিষেক।
সভা মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এবার বীরভূমের ১১টি আসনের ১১টিতেই জয় চাই। গত কয়েকটি লোকসভা নির্বাচনে আপনারা প্রমাণ করেছেন, এই মাটিতে বিরোধীদের কোনও জায়গা নেই।” তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেস ক্লিন সুইপের লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চাইছে।
অনুব্রত মণ্ডলের প্রসঙ্গ টানলেন অভিষেক
এরপর অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandol) প্রসঙ্গ টেনে অভিষেক বলেন, “গতকাল শুনলাম তারাপীঠে গিয়ে কেষ্টদা বলেছেন ২৩০টি আসন চাই। আমি বলছি, ২৩০টি নয়,আরও কুড়িটি বাড়িয়ে এবার ২৫০টি আসন চাই আমাদের।” তাঁর এই মন্তব্যে দলের কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। সভাস্থলে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা হাততালি ও স্লোগানের মাধ্যমে অভিষেকের বক্তব্যকে সমর্থন জানান।
আরও পড়ুন:
অব কী বার, ৪০০ পার?
দলের সংগঠনকে বুথ স্তরে আরও মজবুত করার বার্তাও দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “যে বুথে গতবার তৃণমূলের ৫০টি ভোট ছিল, সেটা এবার ৫১ করতে হবে। যেখানে ১০০ ভোট ছিল, সেখানে ১১০ করতে হবে। এমনকি যেখানে ৩০০ ভোট ছিল, সেখানে এবার লক্ষ্য রাখতে হবে ৪০০ ভোট পাওয়ার। ওদের বুঝিয়ে দিতে হবে, ওদের পাপের ঘোড়া এবার পূর্ণ। বিজেপিকে শূন্য করে দিতে হবে।”
আরও পড়ুন:
এদিনের সভায় বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানান তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। অভিষেকের বক্তব্যে বারবার উঠে আসে বিরোধীদের বিরুদ্ধে লড়াই আরও ধারালো করার আহ্বান।
আরও পড়ুন:
Abhishek Banerjee: মঞ্চে 'SIR-এ মৃতদের' হাঁটালেন অভিষেক, ঘুরিয়ে বার্তা ভাঙড় বিধায়ক নওশাদকে
হেলিকপ্টার বিভ্রাট অভিষেকের
উল্লেখ্য, এদিন হেলিকপ্টার বিভ্রাটের কারণে বীরভূমের রামপুরহাটে পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রাথমিকভাবে ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ)-এর অনুমোদন না মেলায় নির্ধারিত সময়ে তাঁর হেলিকপ্টার ওড়েনি। পরে অনুমোদন পাওয়ার পর হেলিকপ্টারে করেই বীরভূমের উদ্দেশে রওনা দেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দেরি হলেও সভার মেজাজ ও রাজনৈতিক বার্তায় কোনও ঘাটতি ছিল না বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us