/indian-express-bangla/media/media_files/2025/10/27/adhir-pic-2025-10-27-15-20-45.jpg)
Adhir Ranjan Chowdhury: প্রাক্তন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
রাজ্য সরকারের নতুন ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্প নিয়ে এবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানায় নিলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের পঞ্চায়েত বা পুরসভা কার্যালয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটি অবিলম্বে অনলাইনে করার দাবি তুলেছেন তিনি।
"লাইনের ভোগান্তি কেন?"
অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, ডিজিটাল যুগে দাঁড়িয়েও কেন বেকার যুবক-যুবতীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা সরকারি অফিসের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে? তাঁর কথায়, "আজ দুনিয়ার সব কিছু অনলাইনে হচ্ছে। তাহলে কেন যুবসাথী প্রকল্পের কাজ অনলাইনে হবে না? কেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত বা পুরসভাগুলিতে বাংলার বেকারদের দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে?"
আরও পড়ুন- সাবধান! আপনার ফোনেও কি আসছে সোনার মূর্তির বিজ্ঞাপন? কসবার ব্যবসায়ীর পরিণতি জানলে আঁতকে উঠবেন!
তিনি আরও যোগ করেন, "এত শিক্ষিত হয়েও স্রেফ অভাবের তাড়নায় তাঁদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে তাঁদের মান-সম্মানে লাগছে, তাঁদের ইজ্জতে লাগছে। সরকার যদি সত্যিই সম্মানের সঙ্গে তাঁদের সহায়তা করতে চায়, তবে কেন একে অনলাইন করা হচ্ছে না?"
আরও পড়ুন-Supreme Court: ভোটের আগে 'খয়রাতি'র লটারি বন্ধ হোক! রাজনৈতিক দলগুলিকে তুলোধনা সুপ্রিম কোর্টের
যুবশ্রী বনাম যুবসাথী: প্রশ্ন তুললেন অধীর
রাজ্য সরকারের আগের একটি প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে অধীর চৌধুরী বলেন, "২০১৩ সালে সরকার ‘যুবশ্রী’ প্রকল্প চালু করেছিল। সেই প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও কেন নতুন করে ‘যুবসাথী’ প্রকল্প করার প্রয়োজন হল? এই দুই প্রকল্পের মধ্যে মৌলিক ফারাক ঠিক কোথায়? মুখ্যমন্ত্রী এর ব্যাখ্যা দিন।"
কংগ্রেস নেতার দাবি, বেকারদের সত্যিকারের সহায়তা করার বদলে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে। তাঁর মতে, পঞ্চায়েত বা পুরসভায় লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখার নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। তবে শিক্ষিত যুবসমাজের সম্মান রক্ষার্থে এই প্রক্রিয়াকে সরলীকরণ এবং স্বচ্ছ করার জন্য অনলাইনের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us