"মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন তারপর দেখাতে চান, আমিই সমাধান করলাম।” SIR নিয়ে বুধে সুপ্রিম শুনানি নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধির চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhuri)। এদিনের সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) নামের বানান বা উচ্চারণে সামান্য অমিলের কারণে নোটিস জারি করার ক্ষেত্রে আরও “সংবেদনশীল” হতে নির্দেশ দিল আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, স্থানীয় ভাষার কারণে নামের বানানে যে পার্থক্য হয়, তা যেন ভোটারের পরিচয় সংক্রান্ত গুরুতর অসঙ্গতি হিসেবে ধরা না হয়।
আরও পড়ুন- ৩০ হাজার ৩০০ টাকা দাম কমার পর আজ কলকাতায় সোনার দর জানলে চমকে যাবেন! রূপা সস্তা নাকি দামি?
বুধবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধির চৌধুরী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন তারপর দেখাতে চান, আমিই সমাধান করলাম।” তিনি আরও বলেন, " নোটিস যাওয়া মানেই নাম বাদ নয়। রাজ্য সরকার কেন আরও কর্মচারী দিয়ে সমস্যার সমাধান করছে না? সরকারি অফিসাররা কেন সমাধানের রাস্তা খুঁজছেন না? শুনানিতে থাকছেন তো রাজ্য সরকারের কর্মচারীরাই। নামের বানানে সংকট, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাতিয়ার"।
ভোটের আগে এসআইআরের নামে বাজার গরম করার চেষ্টা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো এমনই অভিযোগ এনে অধীর বাবু বলেন, "সমস্যা তৈরি করো, তারপর কৃত্রিম নাটক করো। ভোটের আগে নাহলে বাজার গরম করবে কি দিয়ে? তৃণমূল নামেই মানুষ জানে চোরের দল। উন্নয়নের পাঁচালি বাংলার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হল না। ২০২১-এ NRC নামে মসীহা সেজে ছিলেন, এবার SIR-এর ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করে পরিত্রাতা সাজতে চাইছেন।”
আরও পড়ুন- Banglar Bari: ভাড়া বাড়ির দিন শেষ! মাত্র ২৫ হাজার টাকা খরচ করলেই শহরে মিলবে নিজের পাকা ছাদ
২৮ জানুয়ারি দায়ের করা আবেদনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া ‘অস্বচ্ছ, তড়িঘড়ি এবং বেআইনি’ভাবে চালানো হচ্ছে, যার ফলে ব্যাপক সংখ্যক ভোটার ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করা হয়নি, ফলে সাধারণ মানুষ নিজেদের অবস্থান জানার সুযোগ পাচ্ছেন না।
পিটিশনে আরও উল্লেখ করা হয়, মালদা সহ একাধিক জেলায় ২২ জানুয়ারি সকালে প্রায় ২০ হাজার নাম ‘অন্যান্য’ বিভাগ থেকে সরিয়ে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বিভাগে ঢোকানো হয়েছে, যা ১৯ জানুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই পদক্ষেপের বিরোধীতা করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, এটি আদালতের নির্দেশের সরাসরি অবমাননা।
এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী আদালতের কাছে আবেদন জানান, আসন্ন নির্বাচন গত বছরের ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই করানো হোক। এর আগে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনানুষ্ঠানিক নির্দেশ জারির অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। জানুয়ারিতে আদালত নির্বাচন কমিশনকে SIR প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করার জন্য একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল, যদিও পরবর্তীতে সেই নির্দেশ মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন- কলমের খোঁচায় আজও ঘটে মীরাকেল, প্রথিতযশা চিকিৎসক থেকে রাস্তার ভবঘুরে, বাংলার প্রতিভার করুণ কাহিনী চোখে জল আনবে
" মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে SIR -এর নামে নাটক করছেন", মমতার সুপ্রিম শুনানিতে বোমা ফাটালেন অধীর
" মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন তারপর দেখাতে চান, আমিই সমাধান করলাম।” SIR নিয়ে বুধে সুপ্রিম শুনানি নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য কংগ্রেস সাংসদ অধির চৌধুরীর।
" মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন তারপর দেখাতে চান, আমিই সমাধান করলাম।” SIR নিয়ে বুধে সুপ্রিম শুনানি নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য কংগ্রেস সাংসদ অধির চৌধুরীর।
" মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে SIR -এর নামে নাটক করছেন", অধীরের মন্তব্যে তোলপাড়
"মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন তারপর দেখাতে চান, আমিই সমাধান করলাম।” SIR নিয়ে বুধে সুপ্রিম শুনানি নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধির চৌধুরীর (Adhir Ranjan Chowdhuri)। এদিনের সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) নামের বানান বা উচ্চারণে সামান্য অমিলের কারণে নোটিস জারি করার ক্ষেত্রে আরও “সংবেদনশীল” হতে নির্দেশ দিল আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, স্থানীয় ভাষার কারণে নামের বানানে যে পার্থক্য হয়, তা যেন ভোটারের পরিচয় সংক্রান্ত গুরুতর অসঙ্গতি হিসেবে ধরা না হয়।
আরও পড়ুন- ৩০ হাজার ৩০০ টাকা দাম কমার পর আজ কলকাতায় সোনার দর জানলে চমকে যাবেন! রূপা সস্তা নাকি দামি?
বুধবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধির চৌধুরী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেন তারপর দেখাতে চান, আমিই সমাধান করলাম।” তিনি আরও বলেন, " নোটিস যাওয়া মানেই নাম বাদ নয়। রাজ্য সরকার কেন আরও কর্মচারী দিয়ে সমস্যার সমাধান করছে না? সরকারি অফিসাররা কেন সমাধানের রাস্তা খুঁজছেন না? শুনানিতে থাকছেন তো রাজ্য সরকারের কর্মচারীরাই। নামের বানানে সংকট, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর হাতিয়ার"।
ভোটের আগে এসআইআরের নামে বাজার গরম করার চেষ্টা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো এমনই অভিযোগ এনে অধীর বাবু বলেন, "সমস্যা তৈরি করো, তারপর কৃত্রিম নাটক করো। ভোটের আগে নাহলে বাজার গরম করবে কি দিয়ে? তৃণমূল নামেই মানুষ জানে চোরের দল। উন্নয়নের পাঁচালি বাংলার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হল না। ২০২১-এ NRC নামে মসীহা সেজে ছিলেন, এবার SIR-এর ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করে পরিত্রাতা সাজতে চাইছেন।”
আরও পড়ুন- Banglar Bari: ভাড়া বাড়ির দিন শেষ! মাত্র ২৫ হাজার টাকা খরচ করলেই শহরে মিলবে নিজের পাকা ছাদ
২৮ জানুয়ারি দায়ের করা আবেদনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া ‘অস্বচ্ছ, তড়িঘড়ি এবং বেআইনি’ভাবে চালানো হচ্ছে, যার ফলে ব্যাপক সংখ্যক ভোটার ভোটাধিকার হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করা হয়নি, ফলে সাধারণ মানুষ নিজেদের অবস্থান জানার সুযোগ পাচ্ছেন না।
পিটিশনে আরও উল্লেখ করা হয়, মালদা সহ একাধিক জেলায় ২২ জানুয়ারি সকালে প্রায় ২০ হাজার নাম ‘অন্যান্য’ বিভাগ থেকে সরিয়ে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বিভাগে ঢোকানো হয়েছে, যা ১৯ জানুয়ারির সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই পদক্ষেপের বিরোধীতা করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, এটি আদালতের নির্দেশের সরাসরি অবমাননা।
এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী আদালতের কাছে আবেদন জানান, আসন্ন নির্বাচন গত বছরের ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই করানো হোক। এর আগে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অনানুষ্ঠানিক নির্দেশ জারির অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। জানুয়ারিতে আদালত নির্বাচন কমিশনকে SIR প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করার জন্য একাধিক নির্দেশ দিয়েছিল, যদিও পরবর্তীতে সেই নির্দেশ মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন- কলমের খোঁচায় আজও ঘটে মীরাকেল, প্রথিতযশা চিকিৎসক থেকে রাস্তার ভবঘুরে, বাংলার প্রতিভার করুণ কাহিনী চোখে জল আনবে