/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/02/adhir-chowdhury-mocks-abhishek-banerjee-eci-vote-theft-controversy-2026-01-02-11-21-40.jpg)
"রাহুলের খাতা দেখে হুবহু উত্তর টুকে দিলেন অভিষেক", নজিরবিহীন কটাক্ষ অধীরের
Adhir Ranjan Chowdhury Statement: "স্কুলজীবনে যেমন কিছু ছাত্র পড়াশোনায় ভালো ছাত্রদের নকল করত, তেমনই এখন ভাইপো লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে অনুকরণ করার চেষ্টা করছেন"। ভোটচুরি ইস্যুতে কমিশনকে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের নিশানাকে এভাবেই কটাক্ষ করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি দাবি করেছেন, অভিষেক রাহুল গান্ধীকে 'নকল' করছেন।
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ভোট চুরি’র অভিযোগকে ঘিরে এবার শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে কটাক্ষ কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীর। অভিষেকের বিরুদ্ধে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে 'নকল' করার অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী।
নতুন বছরের শুরুতেই ঝরল রক্ত, তৃণমূলের দাপুটে নেতা খুনের নেপথ্যে কি পরিচিতরাই?
সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অধীর চৌধুরী বলেন, “ছোটবেলায় স্কুলে পড়ার সময় পরীক্ষা এলে যেমন মেধাবী ছাত্রদের খাতা দেখে অনেক ছাত্র উত্তর নকল করত, ঠিক তেমনই ভাইপো রাহুল গান্ধীর দেখানো পথ অনুসরণ করে তাঁকে নকল করার চেষ্টা করছেন।” অধীরের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
অধীর চৌধুরী আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে যাওয়ার পর সেখান থেকে বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন, কিন্তু বিজেপির বিরুদ্ধে একটি কথাও বলেননি। তাঁর কথায়, “মানুষ নিজেরাই বিচার করবেন, তিনি আসলে কার হয়ে কাজ করছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিষেক একটি শব্দও উচ্চারণ করেন না।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ইভিএম নয়, বরং ভোটার তালিকা ও সফটওয়্যারে কারচুপির মাধ্যমে ‘ভোট চুরি’ করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, AI কে কাজে লাগিয়ে ৫০ লক্ষ থেকে এক কোটি ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ দেখিয়ে চিহ্নিত করা ১.৩৬ কোটি ভোটারের তালিকা প্রকাশের দাবিও তোলেন তিনি।
আরও পড়ুন- শীত হোক বা উইকেন্ড, কলকাতার কাছে 'সেরার সেরা' এই ৫ পিকনিক স্পট মিস করবেন না
এদিকে, বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটচুরির অভিযোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের রাজনীতি করছে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের বুথ লেভেল এজেন্টরা (বিএলএ) বুথ লেভেল অফিসারদের (বিএলও) ভয় দেখাচ্ছে ও হুমকি দিচ্ছে। কেয়া ঘোষের দাবি, বিজেপির পূর্ণ আস্থা রয়েছে যে নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে অবৈধ ভোটার, অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের নাম বাদ দেবে। তিনি আরও বলেন, “এই কারণেই তৃণমূল অস্বস্তিতে রয়েছে, কারণ তাদের ভোটব্যাঙ্কে অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার, রোহিঙ্গা, মৃত ভোটার এবং স্থানান্তরিত ভোটাররা রয়েছে।”
আরও পড়ুন- রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বড় পদে 'বিদায়ী' মনোজ পন্থও
আরও পড়ুন- পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা থেকে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, ফিরে দেখা ২০২৫-এর দেশ-বিদেশের শীর্ষ সংবাদ
প্রসঙ্গত, বুধবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানগুলির অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে বলেন, বাংলার মানুষ রাজ্যের শাসক দলের পাশেই রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, আলোচনার সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ধৈর্য হারান। আমরা বলা শুরু করতেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। উঁচুগলায় কথা বলে আমার দিকে আঙুল তোলেন। আমি তখন বলি, আঙুল নামিয়ে কথা বলুন। আপনি কিন্তু মনোনীত। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। ভাববেন না, আপনি জোরগলায় কথা বললেই আমরা দমে যাব।’’
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us