Adhir Chowdhury: বাংলাদেশি তকমা দিয়ে বাংলার মানুষকে অত্যাচার, এবার বিজেপি শাসিত রাজ্য গিয়ে প্রতিবাদে অধীর

Adhir Chowdhury: বিজেপি শাসিত রাজ্যে নির্যাতিত পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার (৪ জানুয়ারি) ওডিশার সম্বলপুরে যাচ্ছেন প্রাক্তন বহরমপুর সাংসদ ও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী।

Adhir Chowdhury: বিজেপি শাসিত রাজ্যে নির্যাতিত পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার (৪ জানুয়ারি) ওডিশার সম্বলপুরে যাচ্ছেন প্রাক্তন বহরমপুর সাংসদ ও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
Adhir on Pahalgam attacks

বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাঙালি বিদ্বেষের প্রতিবাদে অধীর

Adhir Chowdhury: বিজেপি শাসিত রাজ্যে নির্যাতিত পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াতে রবিবার (৪ জানুয়ারি) ওডিশার সম্বলপুরে যাচ্ছেন প্রাক্তন বহরমপুর সাংসদ ও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী। তিনি জানান, সকাল ১০টা নাগাদ সম্বলপুরের সোনাপল্লিতে পৌঁছে মুর্শিদাবাদ ও পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হওয়া নির্যাতনের বিরুদ্ধে সংহতি প্রকাশ করবেন।  প্রয়োজনে স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের সহযোগিতায় আন্দোলনও শুরু করতে পারেন বলে জানান অধীর চৌধুরী। তাঁর কথায়, “বাংলাদেশি তকমা লাগিয়ে নিরীহ পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর যে অমানবিক নির্যাতন চলছে, তা যে কোনও মূল্যে বন্ধ করতে হবে।”

Advertisment

ফের রাজ্যে SIR-এর জেরে মৃত্যু BLO-র! শুনানির নোটিশ পেয়ে মানসিক চাপে রিষড়ায় প্রবীণের মৃত্যতে তোলপাড় 

অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, সম্বলপুরের সোনাপল্লিতে মুর্শিদাবাদের সুতি থানার বাসিন্দা পরিযায়ী শ্রমিক যুবক জুয়েল রানা-কে বাংলাদেশি সন্দেহে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, একাধিক পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে এবং একজনকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টাও করা হয়। তিনি বলেন, “আমি সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে, বিশেষ করে ওডিশা-সহ বিভিন্ন জায়গায়, বাংলা ভাষাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশি ভেবে নির্মম নির্যাতন করা হচ্ছে। কিন্তু এত কিছুর পরেও এই বর্বরতা বন্ধ হয়নি। তাই এবার সরাসরি তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

রাত থেকে খেলা শুরু, সাময়িক বিরতি কাটিয়ে দুর্দান্ত ফর্মে শীত, কলকাতায় ফের জমাটি ঠান্ডা, পাহাড়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা

এদিকে, জুয়েল রানার মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি নিহতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও করেন। হুমায়ুন কবীর বলেন, “ওঁরা কাজের সন্ধানে বাইরে গিয়েছিলেন। এই অমানবিক নির্যাতন ও খুন আমাদের নীরবতার ফল। এখন সময় এসেছে পরিযায়ী শ্রমিকদের অধিকারের জন্য লড়াই করার। এই ইস্যুতে তৃণমূল ও বিজেপি দু’পক্ষের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধেই আন্দোলন হবে।”

সোম থেকেই বঙ্গে পারদ পতন, বইবে প্রবল ঠান্ডার শীতল স্রোত, ফের হাড় কাঁপবে কলকাতার

adhir choudhury