/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/22/adhir-2025-11-22-08-28-00.jpg)
Adhir Ranjan Chowdhury: বহরমপুরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।
এসআইআর ইস্যুকে কেন্দ্র করে ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান। আর সেই পদক্ষেপকেই “নাটক” বলে কটাক্ষ করেছেন বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ।
অধীরের অভিযোগ, এসআইআর কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। এমনকি পুরো প্রক্রিয়া ঘিরে নতুন ব্যবসা ফেঁদেছে শাসকদল, এমনও দাবি করেছেন তিনি।
অধীর বলেন, “এসআইআর যখন ঘোষণা হয়, তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন তিনি এটি করতে দেবেন না। সেই বিরোধিতা ছিল লোকদেখানো। বাংলায় এসআইআর সবচেয়ে সুচারুভাবে পরিচালিত হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায়। রাজ্য সরকারের সহায়তা ছাড়া নির্বাচন কমিশন এতটা কাজ করতে পারত না।”
আরও পড়ুন- West Bengal Weather Update: তাপমাত্রা একই, শীত অদৃশ্য, আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস
তাঁর দাবি, এসআইআর করতে এলে তৃণমূল ভোটের শর্ত দিচ্ছে। “তৃণমূল বলছে—আমাদের ভোট দিলে এসআইআরে তোমার নাম তুলব। নিজেদের দলের লোকজনের নাম তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ তৎপরতা দেখাচ্ছে তৃণমূল।”
আরও পড়ুন-ভুলেও এই দিনে কলকাতায় আসবেন না, যানযটে নাকাল হবেন, পরিবার নিয়ে ভোগান্তির শেষ থাকবে না
এসআইআর-এ নাম তুলতে কোথাও ১০০ টাকা, কোথাও ৫০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হচ্ছে বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ অধীরের। তাঁর কথায়, “এসআইআরের নামে নতুন ব্যবসা শুরু করেছে তৃণমূল। বুথে বুথে লুট চলছে। দিদির দল এসআইআরকে ভোটের কাজে লাগাচ্ছে।”
এসআইআর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থানকে “লোক দেখানো” বলে তোপ দেগে অধীর যোগ করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি সত্যিই বিরোধিতা করতেন, কোর্টে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি যাননি। বরং রাজ্যের সরকারি কর্মচারী, ডিএম, এসডিওদের এসআইআর কাজে লাগানো হয়েছে। মোদী স্যার আর দিদি ম্যাডামের এখন নাটক চলছে।”
বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ নিয়ে রাজনীতি প্রসঙ্গে অধীরের মন্তব্য, “কে বাংলাদেশি আর কে নয়, তা নিয়ে লড়াই চলছে। পেটের টানে এপারে আসে মানুষ—হিন্দু-মুসলমান সকলেই। আর এই বিষয়টি লোকসভায় প্রথম উত্থাপন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। বিজেপি আজ যা বলছে, তা শেখানোই হয়েছিল মমতার জ্ঞান থেকে। এখন দিদি নাটক করছেন।”
অধীররঞ্জন চৌধুরীর মতে, এসআইআর নিয়ে মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তা দূর করার দায়িত্ব রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন—উভয়েরই।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us