Adhir Ranjan Chowdhury: ‘রাজ্য পুলিশ বনাম কেন্দ্রীয় বাহিনীর যুদ্ধ শুরু হবে!’ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো নিয়ে বিস্ফোরক অধীর

ED Raid-IPac: বাংলায় কি পুলিশ বনাম কেন্দ্রীয় বাহিনীর যুদ্ধ শুরু হতে চলেছে? আইপ্যাক (I-PAC) অফিসে ইডি তল্লাশিতে পুলিশের বাধা দেওয়া নিয়ে বিস্ফোরক অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

ED Raid-IPac: বাংলায় কি পুলিশ বনাম কেন্দ্রীয় বাহিনীর যুদ্ধ শুরু হতে চলেছে? আইপ্যাক (I-PAC) অফিসে ইডি তল্লাশিতে পুলিশের বাধা দেওয়া নিয়ে বিস্ফোরক অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

author-image
Gopal Thakur
New Update
Adhir Ranjan Chowdhury, West Bengal Police, Central Forces, ED CBI Raid, Federal Structure,I-PAC ED Search, Bengal Politics News, Adhir Chowdhury Press Conference, Center-State Conflict, Political Unrest Bengal,অধীর রঞ্জন চৌধুরী , রাজ্য পুলিশ বনাম কেন্দ্রীয় বাহিনী, ইডি সিবিআই হানা , আইপ্যাক ইডি তল্লাশি , যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো,বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ, পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতি, অধীর চৌধুরীর বিস্ফোরক মন্তব্য, পুলিশ সংঘাত, কেন্দ্র-রাজ্য বিবাদ

Adhir Ranjan Chowdhury: বহরমপুরের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরী।

Adhir Ranjan Chowdhury: বাংলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বনাম রাজ্য পুলিশের সংঘাত যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে ভবিষ্যতে বড়সড় সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। সম্প্রতি আইপ্যাক (I-PAC) অফিসে ইডি-র তল্লাশিতে রাজ্য পুলিশের বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের সরব হলেন তিনি। বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদের দাবি, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে যা চলছে তা সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী।

Advertisment

এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে অধীর চৌধুরী অত্যন্ত কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, "রাজ্যের পুলিশকে মুখ্যমন্ত্রী নিজের মতো করে ব্যবহার করবেন, এটা সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। ইডি বা সিবিআই আমাদের কারোরই খুব একটা পছন্দের নয়, কিন্তু তার মানে এই নয় যে তারা রাজ্যে এলে মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ নিয়ে গিয়ে তাদের বাধা দেবেন। যা পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, তাতে আগামী দিনে এ রাজ্যে পুলিশ বনাম কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনাসামনি সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।"

আরও পড়ুন- IPAC case: আইপ্যাক মামলায় জোর ধাক্কা রাজ্যের! ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে FIR-এ স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

প্রাক্তন সাংসদের মতে, দেশের ইতিহাসে এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখা যায়নি। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, পুলিশ কেন্দ্র বা রাজ্যের, যাদেরই হোক না কেন, তাদের একটি নির্দিষ্ট ‘কোড অফ কন্ডাক্ট’ বা আচরণবিধি থাকে। তাঁর কথায়, "কেন্দ্রীয় সংস্থার একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল রয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্র উভয়েরই উচিত এই জায়গায় একটা সমতা বজায় রাখা। বাংলায় এমন এক বাতাবরণ তৈরি করা হচ্ছে যেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বা সংস্থাগুলো পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের শত্রু।"

আরও পড়ুন-একই আধার নম্বর, স্কুলে ভর্তি হতে গিয়ে বিপাকে শিশু ও পরিবার, চরম গাফিলতির অভিযোগে উত্তাল

রাজ্য পুলিশের অসহযোগিতার বিষয়টি স্পষ্ট করতে পাটনার একটি ঘটনার উদাহরণ টানেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, "কিছুদিন আগে পাটনায় এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের পর আসামীরা কলকাতায় এসে আশ্রয় নিয়েছিল। পাটনা পুলিশ কলকাতায় এসে তাদের গ্রেপ্তার করতে পেরেছে কারণ রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে একটি সদ্ভাব কাজ করেছে। সেই সদ্ভাব না থাকলে পুলিশ আসামিকে ধরতে পারত না।"

আরও পড়ুন-মাইক্রো অবজার্ভারদের তৃণমূল বিধায়কের নির্দেশে নির্লজ্জ হামলা, গর্জে উঠলেন শুভেন্দু, কমিশনের কাছে করলেন এই বড় দাবি

অধীর চৌধুরী স্পষ্ট জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য উভয়েরই নিজস্ব ‘এসওপি’ (SOP) মেনে চলা উচিত। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুরুত্বের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, "আমাদের কি কখনো কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন হবে না?" এভাবে বিভাজনের রাজনীতি আখেরে রাজ্যের এবং প্রশাসনিক কাঠামোর জন্য অশুভ ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন এই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা।

tmc ED Adhir Ranjan Chowdhuri Adhir Chowdhury Central Force IPAC office ED raid Mamata Banerjee IPAC office ED raid IPAC Kolkata IPAC Prateek Jain ED raid IPAC West Bengal