/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/26/adhir-2025-11-26-17-58-30.jpg)
Adhir Ranjan Chowdhury: প্রাক্তন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
বেলডাঙায় সম্ভাব্য ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণ ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কে এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ও বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি তৃণমূল সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেন। সরকারি টাকায় মন্দির নির্মাণ থেকে শুরু করে ভোট রাজনীতি, বিভিন্ন ইস্যুতে একের পর এক অভিযোগ তোলেন কংগ্রেস নেতা।
“দিদি সরকারি টাকায় মন্দির করছেন, তাঁর দলের লোকজন আবার বাবরি মসজিদ করছে”—অধীরের কটাক্ষ
অধীর চৌধুরী বলেন, “দিদি কখনো জগন্নাথ মন্দির, কখনো মহাকাল মন্দির করছেন সরকারি টাকায়। আবার তাঁর দলের লোকেরা করছে বাবরি মসজিদ। এটা কি ভোটের মসজিদ? ভোটের জন্যই এসব করা হচ্ছে।” তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ কোনো সরকারের কাজ নয়। মানুষের টাকায় মন্দির করা বা ধর্মীয় স্থাপনা গড়ে তোলা জনগণের মতামত ছাড়া হওয়া উচিত নয়।
আরও পড়ুন- Sonarpur News: সোনারপুরে দুঃস্বপ্ন! রাতের ভয়াবহতা ধরা পড়ল ভোরে, দুই কিশোরের নিথর দেহ উদ্ধার
সরকারি টাকার ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন প্রাক্তন সাংসদ আরও বলেন, “সরকারি টাকা তো সব সম্প্রদায়ের মানুষের টাকা। মন্দির বা মসজিদ করতে হলে মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে কি? সরকারি টাকায় জগন্নাথ মন্দির কেন হবে? মহাকাল মন্দির কেন হবে? দুর্গাঙ্গন তৈরি হচ্ছে সরকারি টাকায়—এসবের যুক্তি কী?” অধীরের দাবি, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে ভোট বিভাজনের রাজনীতি করছে তৃণমূল।
আরও পড়ুন- Imran Khan: “কে জানে, ইমরানকে হয়তো সরিয়ে নিয়েছে”, ইমরান খানের বোনদের সঙ্গে পুলিশি সংঘাত চরমে
“বাংলায় গণতন্ত্র নেই, ভোট লুট হচ্ছে”, অভিযোগ অধীরের
রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, “বাংলায় এখন গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। ভোটের দিন ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হয় না। সেন্ট্রাল ফোর্সকে ম্যানেজ করা হয়। আইপিএস-আইএএসদের কিছু অংশ সরকারকে খুশি করতে কাজ করে। ফলে ভোট লুট করা হয় প্রকাশ্যেই।” অধীর দাবি করেন, তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মানুষ ক্ষুব্ধ এবং ভোটাররা উপযুক্ত জবাব দেবেন।
আরও পড়ুন-Kolkata News: কলকাতার ল' কলেজে ছাত্রীকে ধর্ষণ, 'মামলা তুলে নিতে চাপ', অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us