/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/05/burdwan-2026-02-05-12-32-55.jpg)
Ajhapur High School incident: মাধ্যমিক পরীক্ষা চালাকীলন বেনজির গন্ডগোলে কড়া পদক্ষেপ শিক্ষা দপ্তরের।
Purba Bardhaman News: মাধ্যমিক পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল জামালপুরের আঝাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলে পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হতে হয় স্কুল পরিদর্শক প্রশান্ত কবিরাজকে। সেই নজিরবিহীন ঘটনার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কড়া ব্যবস্থা নিল প্রশাসন। জেলা স্কুল পরিদর্শক (মাধ্যমিক) দেবব্রত পাল জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার বিশ্বাস এবং এক করণিকসহ মোট ৮ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল মঙ্গলবার?
মঙ্গলবার মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন আঝাপুর স্কুলে পরিদর্শনে যান এসআই প্রশান্ত কবিরাজ। অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের পাশের একটি ঘর থেকে মোবাইলের আওয়াজ শুনতে পান তিনি। তদন্ত করে দেখেন, পর্ষদের নিয়ম ভেঙে এক করণিক মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকেছেন।
কেন মোবাইল নিয়ে ঢোকা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকের কাছে তার কৈফিয়ত চাইতেই শুরু হয় বচসা।অভিযোগ, এর পরেই প্রধান শিক্ষক ও ৭-৮ জন শিক্ষক মিলে স্কুল পরিদর্শকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাঁকে বেধড়ক মারধর করে একটি ঘরে আটকে রাখার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ।খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রশান্তবাবুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
আরও পড়ুন-DA Case Verdict: "মমতা ভুল, কর্মচারীরাই ঠিক", DA মামলায় সুপ্রিম রায়ের পর বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী!
পাল্টা মামলা ও স্ত্রীর অভিযোগ
সাসপেন্ড হওয়ার পরেও দমে যেতে রাজি নয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিকালে অভিযুক্ত শিক্ষক সিদ্ধার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী মিতালী দেবী থানায় পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, "আমার স্বামীর হার্টের অপারেশন হয়েছে। স্কুল পরিদর্শক মিথ্যে অভিযোগ তুলে আমার স্বামীর বুকে মেরেছেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে মেমারি হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল।" পাল্টা অভিযোগে এই ঘটনা এখন আইনি লড়াইয়ের মোড় নিয়েছে। জামালপুর থানার পুলিশ দুই পক্ষের অভিযোগই খতিয়ে দেখছে।
আরও পড়ুন-Burdwan News: ভোটের আগে বঙ্গে নোট-বিস্ফোরণ! বর্ধমানে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধারে কি কোনো বড় মাথার হাত?
উত্তপ্ত রাজনীতির ময়দান: বিরোধীদের নিশানায় রাজ্য সরকার
জেলা নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্রের দাবি, "তৃণমূল শাসনে শিক্ষা ব্যবস্থা যে ভেঙে পড়েছে, আঝাপুর স্কুলের ঘটনাই তার প্রমাণ।" সিপিএম নেতা অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়ের কটাক্ষ, "পরীক্ষাকেন্দ্রে এই ধরণের গুণ্ডামি কেবল এই শাসনেই সম্ভব।" জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার স্পষ্ট বলেছেন, "ইতিমধ্যেই ৮ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তদন্ত চলছে, দোষীরা কোনওভাবেই রেয়াত পাবেন না।"


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us